Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » সমালোচনার মুখে যে সিদ্ধান্ত নিল তালেবান




তীব্র সমালোচনা এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপের মুখে অবশেষে আফগানিস্তানের সংখ্যালঘু, আদিবাসী এবং নারীদের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তালেবান। চীনা সংবাদ মাধ্যম সিসিটিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তালেবান সরকারের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি বলেন, আফগানিস্তানে বসবাসরত এইসব সম্প্রদায়ের নাগরিক এবং নারীদের অধিকার রক্ষার পাশাপাশি তাদের নিরাপত্তা দিতে তারা বদ্ধপরিকর। ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী নারীরা সব কাজের সুযোগ পাবেন বলেও জানান তিনি। দুই দশকের সশস্ত্র লড়াইয়ের পর চলতি বছরের ১৫ আগস্ট রাজধানী কাবুল নিয়ন্ত্রণে নেয়ার মধ্যদিয়ে আফগানিস্তানের মসনদে বসে তালেবান। অবসান ঘটে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের। পশ্চিমা মদদপুষ্ট গনি সরকারের পতনের মধ্যদিয়ে নতুন দিনের সূচনা করে তারা। কট্টরপন্থী এ গোষ্ঠীর ক্ষমতা গ্রহণের পর শঙ্কিত হয়ে পড়েন আফগান নারী ও সংখ্যালঘুরা। প্রাণ বাঁচাতে আত্মগোপনে চলে যান অনেকে। তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের পর আফগান নারীদের সুরক্ষা, মানবাধিকার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানায় বিশ্ব সম্প্রদায়। তীব্র চাপের মুখে নারীদের জন্য একে একে খুলে দেয়া হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তারই ধারাবাহিকায় এবার আফগানিস্তানে বসবাসরত সব সংখ্যালঘু এবং নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি তাদের অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি দিল তালেবান। চীনা সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তালেবান সরকারের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রথম দিকে নিরাপত্তার কারণেই নারীদের ঘরের বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে রাজধানী কাবুলসহ বিভিন্ন জায়গায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় নারীদের সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন: ভারতের অরুণাচল দখল করল চীন! আমির খান মুত্তাকি বলেন, করোনা মহামারির কারণে তালেবান ক্ষমতা গ্রহণের আগে থেকেই আফগানিস্তানে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। আমরা নারীদের শিক্ষার বিষয়ে খুবই আগ্রহী। তারাও সমাজে সমান সুযোগ-সুবিধা পাবেন। আমরা ক্ষমতা নেয়ার পর সবকিছু খুলে দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না থাকায় সব উদ্যোগ নিতে একটু সময় লেগেছে। আফগানিস্তানের বর্তমান সরকারে সকল জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধি রাখা হয়েছে দাবি করে আমির খান মুত্তাকি আরো বলেন, সংখ্যালঘু থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের নিরাপত্তা দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। তবে সমালোচকরা বলছেন, কথা নয়, বাস্তবায়ন করে দেখাতে হবে তালেবানকে। আর বিশ্লেষকরা বলছেন, এখনো কোনো দেশ স্বীকৃতি না দেয়ায় এই ব্যাপারে তাদের আরও বেশি মানবিক হতে হবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply