Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » শিক্ষার্থীদের দেওয়া ভ্যাকসিনে কার্যকারিতা বেশি পাওয়া গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী




স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থী শিশুদের জন্য ফাইজার ভ্যাকসিনটি উপযুক্ত ভ্যাকসিন। এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা সব থেকে বেশি পাওয়া গেছে। সোমবার (১ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঢাকাসহ দেশব্যাপী ১২-১৭ বছর বয়সী স্কুলগামী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, বিশ স্বাস্থ্য সংস্থাও শিশুদের ফাইজারের ভ্যাকসিন দেবার অনুমোদন করেছে। এ কারণে আমরাও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দেশের প্রায় ৩ কোটি শিক্ষার্থী ১২-১৭ বছর বয়সী শিশুদেরকে এই ফাইজারের ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ফাইজারের এই ভ্যাকসিন এখন পর্যন্ত দেশে ৯৬ লাখ ডোজ এসেছে। এরমধ্যে নানাভাবে এই ভ্যাকসিন ১৪ লাখ ডোজ দেওয়া হয়েছে। হাতে এখন আছে ৮২ লাখ ডোজ। খুব দ্রুতই ফাইজারের আরও ৯২ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন চলে আসবে। সব মিলে সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন লাগবে। তারমধ্যে প্রায় ২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের সংস্থান হয়েই গেছে। বাকি অবশিষ্ট আরো ১ কোটি ডোজ দ্রুতই ব্যবস্থা করে দেশের সকল এলাকার ১২-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ফাইজারের টিকা দেওয়া হবে। আরও পড়ুন : দেশে টিকার কোনো অভাব নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকার ৮টি কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন ৫ হাজার ডোজ করে দিনে প্রায় ৪০ হাজার শিশুকে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। যেহেতু ফাইজারের টিকাটি বিশেষ তাপমাত্রায় রাখতে হয়, তাই সব ব্যবস্থা ঠিক করে দ্রুতই সারা দেশেরই ১২-১৭ বছর বয়সী শিশুদের টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. দীপু মনি শিক্ষার্থীদের টিকা নেওয়ার আগে ও পরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান। টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য শিক্ষামন্ত্রী এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেন। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল কে মিলার, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষার মহাপরিচালকসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply