Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » রাবাদার হ্যাটট্রিকে জিতেও বিদায় প্রোটিয়াদের, সেমিতে ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া




দক্ষিণ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডের ম্যাচ। ছবি-সংগৃহীত লক্ষ্যটা সহজ ছিল না। জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১৯০ রান। এই বড় লক্ষ্য তাড়ায় প্রায় কাছাকাছি চলে গিয়েছিল ইংলিশরা। কিন্তু শেষ ওভারে ইংল্যান্ডকে জিততে দিলেন না কাগিসো রাবাদা। তুলে নিলেন টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক। রাবাদার হ্যাটট্রিকে ১০ রানে জিতেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু জিতেও সেমিফাইনালে যেতে পারল না প্রোটিয়ারা। রান রেটে এগিয়ে থেকে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ছিল ১৪ রান। বোলিংয়ে ছিলেন রাবাদা। প্রথম বলেই ক্রিস ওকসকে ফিরিয়ে দেন তিনি। পরের বলেও উইকেট তুলে নেন রাবাদা। ফেরান ইংলিশ অধিনায়ক মরগানকে। এরপর ক্রিস জর্ডানকে আউট করে হ্যাটট্রিকের স্বাদ পান রাবাদা। শেষ দিকে ৩ রান নিয়ে ব্যবধান কমালেও জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে দুই উইকেটে ১৮৯ রান তুলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৯৪ রান করেছেন রাসি ফন ডার ডাসেন। জবাব দিতে নেমে ১৭৯ রানে থেমে যায় ইংল্যান্ড। চলমান বিশ্বকাপে এই প্রথম হারের মুখ দেখল ইংলিশরা। তবে হেরেও গ্রুপ-১ থেকে সেমিফাইনালে উঠল ইয়াং মরগানের দল। ইংল্যান্ড বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ম্যাচ দিয়ে শেষ হলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ-১ এর লড়াই। এই ম্যাচের পরেই দুই সেমিফাইনালিস্ট পেয়ে গেল বিশ্বকাপ। ইংল্যান্ডের সঙ্গে সেমিতে গেল অস্ট্রেলিয়া। এই গ্রুপে ৮ পয়েন্ট ও সবচেয়ে বেশি রান রেট নিয়ে সেমিফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড। সমান আট পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে ওঠে অসিরা। ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে রান রেটে পিছিয়ে থাকায় ৮ পয়েন্ট থেকেও বিদায় নিতে হলো দক্ষিণ আফ্রিকাকে। এদিন ব্যাটিংয়ের শুরুতেই হোঁচট খেলেও ঠিক ঘুরে দাঁড়িয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন দলীয় ১৫ রানের মাথায় রেজা হেনড্রিকসকে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে প্রতিরোধ গড়েন কুইন্টন ডি কক ও রাসি ফন ডার ডাসেন। দুজনে মিলে গড়েন ৭১ রানের জুটি। ১১.২ তম ওভারে ওই জুটি ভাঙেন আদিল রশিদ। ২৭ বলে ৩৪ রান করে ফেরেন ডি কক, ৮৬ রানে ভাঙে প্রোটিয়াদের ওপেনিং জুটি। কুইন্টন ফিরলেও রান তুলতে সমস্যা হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। রাসি ফন ডাসেন দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। তাঁকে সঙ্গ দেন এইডেন মার্করাম। এই জুটিতেই বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় প্রোটিয়ারা। ৬০ বলে ডাসেনের ৯৪ রানের ইনিংসটি সাজানো ছিল ৫ বাউন্ডারি ও ৬ ছক্কায়। ২৫ বলে ৫২ রান করেন মার্করাম। জবাব দিতে নেমে দারুণ শুরুর আভাস দেয় ইংল্যান্ড। তবে দলীয় ৩৮ রানের মাথাতেই রিটায়ার্ড হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় জেসন রয়কে। এরপর ৫৮ রানে প্রথম উইকেট হারায় ইংল্যান্ড। ষষ্ঠ ওভারে ২৬ রান করে ফিরে যান জস বাটলার। পরের ওভারে আরেকটি ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। হারায় জনি বেয়ারস্টোর উইকেট। ১ রানেই শামছির এলবির ফাঁদে পড়েন বেয়ারস্টো। কিন্তু টপ অর্ডারদের হারানোর অভাব একেবারেই বুঝতে দেননি ডেভিড মালান। মঈন আলীর সঙ্গে চমৎকার জুটি উপহার দেন তিনি। একটা সময় মনে হয়েছিলেন দুজনে মিলেই দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যাবেন। কিন্তু একজনও শেষ করতে পারলেন না। মঈন আলীর বিদায়ে ভাঙে ৫১ রানের জুটি। শামছির বলেই ৩৭ রানে কাটা পড়েন মঈন। এরপর ৩৩ রানে বিদায় নেন মালান। দুই সেট ব্যাটসম্যান ফিরলে ইংল্যান্ডের সমীকরণ কঠিন হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত হেরে যায় ইংল্যান্ড।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply