Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই : ওবায়দুল কাদের




আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের আজ শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকে বক্তব্য দেন। ছবি : ফোকাস বাংলা বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসায়, আইনের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর বৈঠকের সূচনা বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দলীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে আজ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বসে দলটির সম্পাদকমণ্ডলীর সভা। সভার শুরুতে দেওয়া বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও বেগম জিয়া যে ধরনের চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন, তা শুধু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদারতার জন্যই সম্ভব হয়েছে। ‘কারাগারে বেগম খালেদা জিয়াকে স্লো পয়জনিং করা হয়ে থাকতে পারে। বিদেশে গেলে ধরা পড়ে যাবে বলে সরকার সেই অনুমতি দিচ্ছে না’ বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরে এমন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ফখরুল সাহেব বলেছেন, বেগম জিয়াকে নাকি স্লো পয়জনিং করা হচ্ছে। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করতে চাই, তাঁর (খালেদা জিয়া) পাশে থাকেন আপনারা, ফখরুল সাহেবরা। তাঁকে যে খাওয়ায় সে পরিবারেই লোক, তাঁর আশেপাশে সর্বক্ষণ ঘোরাফেরা করে বিএনপির লোকেরা। আওয়ামী লীগ কিংবা সরকারের কেউ তাঁর পাশে থাকে না। তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দের চিকিৎসকরাই চিকিৎসা দিচ্ছেন। স্লো পয়জনিং যদি করে থাকে তাহলে পাশের লোকেরাই করতে পারে। হুকুমের আসামি শেখ হাসিনা হবে না, হলে ফখরুল সাহেব আপনি হবেন।’ মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনাদের পছন্দের লোকেরা চিকিৎসা করাচ্ছেন। এখানে আওয়ামী লীগকে জড়াচ্ছেন কেন? শেখ হাসিনা কেন হুকুমের আসামি হবেন? বেগম জিয়াকে আপনারা মাইনাস করার জন্য স্লো পয়জনিং করছেন কিনা, সেই রকম কিছু করবেন বলেই কি উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে আওয়ামী লীগের ওপর?’ খালেদা জিয়ার কিছু হলে সরকারের কোনো দায় নেই উল্লেখ করে কাদের বলেন, ‘কোনো কিছু হলে এর দায় বিএনপিকেই নিতে হবে, মির্জা ফখরুল সাহেবদের নিতে হবে।’ সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, দেশের সংবিধান ও আইন দ্বারা দেশ পরিচালিত হচ্ছে। দেশের প্রচলিত আইন ও সাংবিধানিক নিয়ননীতির মধ্যে যতটুকু সম্ভব তার সবটুকু সুযোগ বেগম জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিয়েছেন। শেখ হাসিনার মানবিক হৃদয়ের কল্যাণে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি খালেদা জিয়া বাসায় থাকছেন। দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেওয়ার সর্বোচ্চ সুযোগ পাচ্ছেন।’ ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘হতে পারেন খালেদা জিয়া বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু আইনের চোখে তিনি একজন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি, তাঁর বর্তমান পরিচয় সাজাপ্রাপ্ত আসামি, এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।’ বিএনপি নেতারা প্রধানমন্ত্রীর উদারতাকে প্রতিহিংসা বলতে দ্বিধা করছেন না উল্লেখ করে আওয়ামী লীগনেতা বলেন, ‘এই দেশের রাজনীতিতে বিএনপি প্রতিহিংসার জন্ম দিয়েছে।’ খালেদা জিয়ার চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে কোনো নৈরাজ্য হলে তা প্রতিহত করারও ঘোষণা দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘আজকে মির্জা ফখরুল সাহেব বড় বড় কথা বলেন। দ্বার্থ্যহীন ভাষায় বলতে চাই, কারো চিকিৎসার নামে জনগণকে জিম্মি করা যাবে না। কোনো ইস্যু সৃষ্টি করে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নৈরাজ্য সৃষ্টির পাঁয়তারা করলে সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে জনগণকে সঙ্গে আওয়ামী লীগ তা প্রতিহত করবে।’ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক ও আফজাল হোসেন, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান ও উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply