Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভেঙে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড




ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের লড়াই। ছবি : সংগৃহীত ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে এই ইংল্যান্ডের কাছে হেরেই চরম হতাশা সঙ্গী হয়েছিল নিউজিল্যান্ডের। সেই প্রতিশোধই যেন এবার ভালোভাবে নিয়েছে কিউইরা। ফাইনালের আগেই এবার বিশ্বমঞ্চ থেকে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে দিল তারা। ইংলিশদের স্বপ্ন ভেঙে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল নিউজিল্যান্ড। রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে পাঁচ উইকেটের জয় নিয়ে ফাইনালে পা রাখল কেন উইলিয়ামসনের দল। এই প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠল নিউজিল্যান্ড। আজ বুধবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে টসে হেরে আগে করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৬ রান সংগ্রহ করে ইংল্যান্ড। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন মঈন আলী। জবাব দিতে নেমে এক ওভার হাতে রেখে জয় তুলে নেয় নিউজিল্যান্ড। ১৯ ওভারে ১৬৭ রান করে কিউইরা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন ওপেনার মিচেল। রান তাড়ায় শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। প্রথম ওভারেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানের খাতা খোলা মার্টিন গাপটিলকে ফিরিয়ে দেয় ইংল্যান্ড। ক্রিস ওকসের স্লোয়ার ডেলিভারিতে ক্যাচ তুলে দেন গাপটিল। ক্যাচ ধরে সাজঘরের পথ দেখান মঈন আলী। ওয়ানডাউনে নামা কেন উইলিয়ামসনও পারলেন না দায়িত্ব নিতে। তৃতীয় ওভারে তাঁকেও শিকার বানান ওকস। ১১ বলে পাঁচ রান করে সাজঘরে ফেরেন কিউই অধিনায়ক। দ্রুত দুই টপ অর্ডারকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। তৃতীয় উইকেটে মিচেলের সঙ্গে হাল ধরেন ডেভন কনওয়ে। দুজনে মিলে লম্বা সময় টিকে ছিলেন। কিন্তু রান নিতে ধুঁকতে হয়েছে দুজনকেও। তবুও ৬৭ বলে ৮২ রানের জুটি উপহার দেন মিচেল-কনওয়ে। ১৪তম ওভারে ওই জুটি ভাঙেন লিয়াম লিভিনস্টোন। ৪৬ রানে ফিরে যান কনওয়ে। ৩৮ বলে ৫ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় সাজানো ছিল তাঁর ইনিংস। এরপর উইকেটে এসে টিকতে পারলেন না গ্লেন ফিলিপসও। দ্রুত উইকেট হারানোর সঙ্গে রানরেটও বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে মনে হয়েছিল ম্যাচ থেকে ছিটকে যাবে কিউইরা। কিন্তু উইকেটে এসে ম্যাচের দৃশ্যই পাল্টে দেন নিশাম। ১১ বলে ২৭ রান করে ম্যাচ কিউইদের পক্ষে এনে দেন। তাঁর দেখানো পথ ধরে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন মিচেল। ইনিংস শেষে ৭৩ রানে অপরাজিত ছিলেন মিচেল। আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে এর আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা সতর্কভাবেই করে ইংল্যান্ড। নিয়মিত ওপেনার রস টেইলর না থাকায় আজ ওপেনিংয়ের দায়িত্ব সামলান জস বাটলার ও জনি বেয়ারস্টো। পাওয়ার প্লেতে প্রথম তিন ওভারে দুজনে তোলেন ১৩ রান, পরের তিন ওভারে আসে ২৭ রান। মোট ছয় ওভারে আসে ৪০ রান। কিন্তু দুই ওপেনার ভালো কিছুর আভাস দিয়েও টিকে থাকতে পারেননি। জুটিতে ভালো সাফল্য পায়নি ইংলিশরা। সাবধানী শুরুর পর দুজনেই ফিরেছেন সাজঘরে। সেট হয়ে টিকতে পারেননি একজনও। ষষ্ঠ ওভারে বোলিংয়ে এসে নিউজিল্যান্ডকে প্রথম সাফল্য এনে দেন অ্যাডাম মিলনে। ডানহাতি পেসারের ফুলার লেন্থ বল মারতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ তুলে দেন বেয়ারস্টো। সেখানে থাকা উইলিয়ামসন দুর্দান্ত ক্যাচ নিয়ে বিদায় করেন ইংলিশ তারকাকে। ১৭ বলে ১৩ রান করে ফেরেন বেয়ারস্টো। বেয়ারস্টোর পর বেশিক্ষণ টিকলেন না বাটলারও। ইশ শোধির বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে এলবির ফাঁদে পড়ে যান তিনি। রিভিউ নিয়ে বাঁচতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ রক্ষাও হলো না। ২৪ বলে ২৯ রান করে সাজঘরে ফিরেছেন বাটলার। দুই ওপেনারকে হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েন মঈন আলী ও ডেভিড মালান। এই জুটিতে স্কোরবোর্ডে ৬৩ রান তোলে ইংল্যান্ড। ১৬তম ওভারে এই জুটি ভাঙেন টিম সাউদি। চার বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ৩০ বলে ৪১ করে ফেরেন মালান। তারপর উইকেটে এসে ফিরে যান লিয়াম লিভিংস্টোনও। তবে মালান-লিয়াম ফিরলেও টিকে ছিলেন মঈন। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে টেনে নেন তিনি। শেষ ওভারে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৬ বলে তুলে নেন ব্যক্তিগত হাফসেঞ্চুরি। তাঁর ব্যাটে চড়েই শেষ পর্যন্ত ১৬৬ রানের পুঁজি পায় ইংলিশ। ইনিংস শেষে ৫১ রানে অপরাজিত ছিলেন মঈন। ৩৭ বলে তাঁর ইনিংসে ছিল তিন বাউন্ডারি ও দুই ছক্কা। নিউজিল্যান্ডের হয়ে বল হাতে ২৪ রান দিয়ে এক উইকেট নেন সাউদি। ৩২ রান খরচায় সমান একটি নেন ইশ শোধি। ৩১ রান দিয়ে অ্যাডাম মিলনেও নেন একটি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply