Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ওজন স্তরের দূষণে কমছে পৃথিবীর দ্যুতি




কমছে পৃথিবীর দ্যুতি। কারণ উষ্ণতা বৃদ্ধি ও বায়ুমন্ডলে গ্রীন হাউস ইফেক্ট। এজন্য উন্নত দেশগুলোর দায় বেশি থাকলেও স্বল্পোন্নত দেশের দায়ও কম নয়। এজিইউ জার্নালে প্রকাশিত জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটারে গবেষকদের দাবি, গত দুই দশকে পৃথিবীর দ্যুতি কমেছে গড়ে আধা ওয়াটের মতো। কিন্তু কেন? বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মো. আবদুল মান্নান বলেন, বায়ুমন্ডলে গ্রীন হাউস গ্যাস বেড়ে যাওয়ায় পৃথিবীর উপরে যেই বায়ুমন্ডল আছে তার স্বচ্ছতা দিনদিন কমে যাচ্ছে। ওজন স্তরের দূষণ আর উষ্ণতা বাড়াকেই আবহাওয়াবিদরা দুষছেন। গত একশ বছরে পৃথিবীর গড় তাপ বেড়েছে ০.০৭ ডিগ্রী। আর গত ৭০ বছরে বাংলাদেশের গড় তাপ বেড়েছে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। ড. মো. আবদুল মান্নান বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের তাপমাত্রা ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। সাম্প্রতিক দশকে তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার আরও বেশি। আরও পড়ুন: স্ত্রীকে তাজমহল উপহার দিলেন আনন্দ প্রকাশ কার্বণ-মিথেনের মতো ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ বাড়ছেই। পৃথিবীর উপরিভাগের বিকিরিত তাপের বায়ুমন্ডল ভেদের হার কমছে। এমন গ্রিন হাউস ইফেক্টের দায় সবার। পরিবেশ অধিদপ্তরের জলবায়ু পরিবর্তন ও আন্তর্জাতিক কনভেনশন পরিচালক মির্জা শওকত আলী বলেন, প্যারিস চুক্তির আওতায় আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে ২০২১ সালের মধ্যে বায়ুমন্ডলের তাপমাত্রা ২ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। সম্ভব হলে তা আরও কমিয়ে ১.৫ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। জাতিসংঘের জলবায়ু বিষয়ক চুক্তি-ইউএনএফসিসিসি তে বাংলাদেশ জানায়, ২০১২ সাল পর্যন্ত নিঃসরণের পরিমাণ এক দশমিক পাঁচ দুই মিলিয়ন টন। বৈশ্বিক তুলনায় যা ০.৪৭% এর নিচে। মির্জা শওকত আলী বলেন, এই হার আরও কমাতে নানাভাবে সচেষ্ট সরকার। এই হার আগে নিয়মিত দেখা না হলেও, গত বছর থেকে পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। যদিও ২০৩০ সাল নাগাদ ৮৯ মিলিয়ন টন ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ কমাতে চায় সরকার।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply