Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ইউক্রেন ইস্যুতে চরম উত্তেজনা রাশিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের




ইউক্রেন ইস্যুতে এবার রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হলে উপযুক্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অন্যদিকে, ইউক্রেনের ওপর হামলা হলে রাশিয়াকে চড়া মূল্য দিতে হবে বলে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্র। ইউক্রেন সীমান্তে রুশ সেনা সমাবেশ নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের দিন দিন আরও অবনতি হচ্ছে। সীমান্তে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র সরঞ্জাম, সাঁজোয়া যান ও প্রায় এক লাখ সেনাসহ হামলার ছক কষছে রাশিয়া, এমনই দাবি ইউক্রেনের গোয়েন্দাদের। জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে এই হামলা চালানো হতে পারে বলেও আশঙ্কা তাদের। সীমান্তে শুধু সেনা সমাবেশই নয়, রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান চেষ্টায় মদদ দেয়ার অভিযোগ এনেছে ইউক্রেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরই মধ্যে রাশিয়ার অভ্যুত্থান চেষ্টা প্রমাণ পেয়েছে তার দেশ। ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়ার ব্যাপক সেনা উপস্থিতি ও রণসরঞ্জাম মোতায়েন নিয়ে মস্কোকে আবারও সতর্ক করেছেন ন্যাটোর প্রধান জেন্স স্টোলট্যানবার্গ। তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশ গুলো এরই মধ্যে রাশিয়াকে দেখিয়ে দিয়েছে অর্থনীতিসহ আরও কীভাবে নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে হয়। আরও পড়ুন: মিয়ানমারে পাঁচ মাসে ২০০ সেনা নিহত ন্যাটোপ্রধান বলেন, রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতির টের পেয়েছি আমরা। ড্রোন ও অনেক সেনা সীমান্তে জড়ো হয়েছে। আমরা চাই রাশিয়া তাদের অবস্থান পরিষ্কার করুক। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই রাশিয়াকে জবাবদিহী করতে হবে। স্বাধীন সার্বভৌম ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কোনো শক্তি ব্যবহার করা হলে রাশিয়াকে এর চড়া মূল্য দিতে হবে। সাম্প্রতিক সময়ে আমরাও এই অঞ্চলে আমাদের শক্তি বাড়িয়েছি। রাশিয়ার যে কোনো আগ্রাসন থেকে আমাদের মিত্রদের সুরক্ষা দিতেই আমরা এই ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে সীমান্তে পশ্চিমাদের সামরিক উপস্থিতি নিয়ে ন্যাটোকে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ইউক্রেনের মাটি ব্যবহার করে কোনো ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হলে এর সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, রুশ সীমান্তে ব্যাপকাকারে যে সামরিক মহড়া চালানো হচ্ছে এটি উদ্বেগের। আমাদের নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা বাধ্য হয়ে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছি। এটা আমাদের সতর্কতামূলক প্রস্তুতি। আমরা এখনো এটির প্রয়োগ করিনি। ইউক্রেন অঞ্চলে কোনো ধরনের সামরিক শক্তি ব্যবহার করা হলে মস্কোতে পৌঁছাতে এটির সময় লাগবে ৭ থেকে ১০ মিনিট। আর হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র হলে এর সময় লাগবে মাত্র পাঁচ মিনিট। তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও রাশিয়ার সেনা উপস্থিতি নিয়ে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। ইউক্রেনের ওপর হামলা হলে রাশিয়াকে এর ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্টনি ব্লিঙ্কেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply