Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ভুলে ভরা পাঠ্যবইয়ে শিক্ষাবর্ষ শেষ শিক্ষার্থীদের




ভুলে ভরা পাঠ্যবইয়ে শিক্ষাবর্ষ শেষ শিক্ষার্থীদের ভুলে ভরা বই দিয়েই ২০২১ শিক্ষাবর্ষ শেষ করলে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা। এরমধ্যে বেশিরভাগই ইতিহাস ও রাজনৈতিক বিষয়ের ভুল। পরবর্তী সংস্করণে এসব সংশোধনের কথা বলছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড-এনসিটিবি। তবে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ শিক্ষাবিদদের। গেল অক্টোবরে ভিকারুন্নিসা নুন স্কুলের এক শিক্ষার্থীর অবিভাবক চলতি বছরের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের পাঠ্যবইয়ের বিভিন্ন ভুল দেখিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। পরে আদালতে তলব করা হলে ভুলের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেয় এনসিটিবি। upay ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, চারু পাঠ, সপ্তম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টমের আনন্দপাঠ, নবম-দশমের বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, পৌরনীতি ও নাগরিকতাসহ ১১টি পাঠ্যবইয়ে ৫০টিরও বেশি ভুলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে রিটে। এসব ভুলকে দায়িত্বহীন ও দায়সারা উল্লেখ করে নতুন সংস্করণেও ভুল পাওয়া গেলে মামলা চলমান থাকবে বলে জানান রিটকারীর আইনজীবী। এসবের মাধ্যমে কেউ ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করে থাকতে পারে বলেও সন্দেহ তার। রিটকারীর আইনজীবী আলী মুস্তফা খান অপু বলেন, নোটিশে আমরা যতগুলো ভুল চিহ্নিত করেছি, প্রায় সবগুলোই ওনারা ভুল বলে স্বীকার করেছেন। এনসিটিবির দাবি, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে বইগুলো লেখা, এগুলো সেই অর্থে ভুল নয়। এনসিটিবি'র চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা বলেন, যে জায়গাগুলোতে আমাদের ত্রুটি আছে, আমরা সেগুলো সংশোধন করেছি। আর যেগুলো যথাযথ আছে, সেগুলোর বিষয়ে আমরা হাইকোর্টকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। পাঠ্যপুস্তক তার নিজস্ব কতগুলো শিখনফল অর্জনের জন্য তথ্য থাকে, যেগুলো যথাযথভাবে সেই সময়ের প্রেক্ষাপটকে বিবেচনায় নিয়েই লিখতে হয়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, অভিজ্ঞও ও দায়িত্বশীল মানুষকে দিয়ে এসব কাজ করানো উচিত। যাতে ভবিষ্যতে ভুল এড়ানো যায়। অধ্যাপক ড. মো. কায়কোবাদ বলেন, এখন মুদ্রন শিল্পের এমন অগ্রগতি তারপরেও আমাদের কেন ভুল হচ্ছে, নিশ্চয়ই আমরা আন্তরিক নই। বাক্য গঠনের ত্রুটি ছাত্রদের সামনে, ছোট ছেলে-মেয়েদের সামনে বেরিয়ে আসলে তখন কিন্তু তারা আস্থা হারিয়ে ফেলে। এই আস্থাহীন সমাজে যারা বড় হয়, তারা ভালো মানুষ হতে পারে না। বারবার পরিবর্তন না এনে প্রয়োজনে সময় নিয়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য ছাপানো পাঠ্যপুস্তকে ত্রুটিমুক্ত করার পরামর্শও দেন এই বিশেষজ্ঞ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply