Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » বড় ব্যবধানের হারে সিরিজ ড্র করল বাংলাদেশ




বড় ব্যবধানের হারে সিরিজ ড্র করল বাংলাদেশ

পরাজয়টা অনুমিতই ছিল। শুধু অপেক্ষা ছিল সময়ের আর দেখার যে, ব্যবধানটা ঠিক কতটা কমাতে পারে বাংলাদেশ। এর মধ্যে দেখা মিলেছে শতাধিক রানের একটি জুটি এবং লিটন দাসের শতকও। তবে সেসবে এড়াতে পারেনি ইনিংস ব্যবধানের হার। শেষ পর্যন্ত ওই ইনিংস ও ১১৭ রানের বিশাল ব্যবধানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়ে মোমিনুলের দল। তবে মাউন্ট মঙ্গানুইতে ঐতিহাসিক জয়ের ফলে প্রথমবারের মতো নিউজিল্যান্ডের মাটিতে টেস্ট সিরিজ ১-১ এ ড্র করতে সামর্থ হল টিম বাংলাদেশ। মাউন্ট মঙ্গানুইতে ঐতিহাসিক জয়ের পর ক্রাইস্টচার্চে এসেই যেন খেই হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ, হেরে যায় ইনিংস ব্যবধানেই। মঙ্গলবার ক্রাইস্টচার্চ টেস্টে ফলোঅনে পড়ে তৃতীয় দিন সকালে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে চা-বিরতির আগেই পাঁচ উইকেট হারায় টাইগাররা। তবে সোহানের সঙ্গে শতাধিক রানের জুটির পর লিটনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিতে কিছুটা হলেও লড়াইয়ে ফেরে বাংলাদেশ। কিউয়ি বোলাররা সফরকারীদের বাকী পাঁচটি উইকেট তুলে নেয় তৃতীয় সেশন শেষ হওয়ার আগেই। প্রথম ইনিংসে ১২৬ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে যায় ২৭৮ রানে। দলের পক্ষে এ ইনিংসে সর্বোচ্চ ১০২ রান করেন লিটন দাস। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৭ রান আসে অধিনায়ক মোমিনুল হকের ব্যাট থেকে, আর ৩৬ রান আসে নুরুল হাসান সোহানের ব্যাট থেকে। যদিও প্রথম ইনিংসে ভেঙে পড়া বাংলাদেশ কিছুটা লড়াইয়ের তাগিদ দেখাতে পেরেছে এ ইনিংসে। টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতক পূরণ করেন লিটন দাস। দিনটি আরও ভালো হতে পারত, যদি না সাদমান ইসলাম বিলিয়ে আসতেন উইকেট আর ফাঁদে পা না দিতেন নাজমুল হোসেন শান্ত। শুরু থেকেই দারুণ আস্থায় খেলতে থাকা সাদমান ৪৮ বলে ২১ রান করে আউট হন লেগ স্টাম্পের বাইরের বলে কিউই কিপার টম ব্লান্ডেলের দুর্দান্ত ক্যাচে। নেইল ওয়্যাগনারের শর্ট বলের স্রোতে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে নামা শান্ত সেই রোমাঞ্চের বলি হয়েই ফেরেন ৫ চার ও ১ ছক্কায় ২৯ রান করে। টেস্ট অভিষেকে প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হওয়া মোহাম্মদ নাঈম শেখ অবশ্য টিকে খেলার চেষ্টা করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত আর ধৈর্য ধরে রাখতে পারেননি তিনি। আউট হয়েছেন ২৪ রানেই, ৯৮টি বল খেলে, মাত্র একটি বাউন্ডারিতে। এরপর আউট হয়ে ফেরেন অধিনায়ক মোমিনুলও। অবশ্য তাঁর ব্যাট থেকে ৩৭ রান। যাতে ১২৩ রানেই চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর দলীয় ১২৮ রানেই মাত্র ২ রানে ফেরেন প্রথম ইনিংসের একমাত্র ফিফটি ম্যান ইয়াসির আলী। এরপর নুরুল হাসান সোহান ৩৬ রানে ড্যারিল মিচেলের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ৩০ বলে ৩ রান করে জেমিসনের দ্বিতীয় শিকার হন। যাতে ২৪৪ রানেই সপ্তম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। পরে সঙ্গী হারিয়ে দ্রুত শতক পূরণ করেন লিটন দাস। তবে তাঁকে আর বেশি বাড়তে দেননি কাইল জেমসন, ফেলেন লেগ বিফোরের ফাঁদে। যা থেকে রিভিউ নিয়েই বাঁচতে পারেননি এই টাইগার ব্যাটার। ফেরার আগে খেলেন ১০২ রানের অনবদ্য ইনিংস। তাঁর এই ১১৪ বলের ইনিংসে ছিল ১৪টি চারের সঙ্গে একটি ছক্কার মার। তাঁর আউটের সঙ্গেই মূলত শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের সব লড়াই। শেষ দিকে শরিফুলকে আউট করে ঝুলিতে চারটি উইকেট পোরেন জেমিসন। আর ১০ ইনিংস পর রান পাওয়া এবাদত হোসাইনকে (৪) আউট করে নিজের বিদায়ী টেস্টকে ভালোভাবেই স্মরণীয় করে রাখলেন রস টেইলর। যাতে মাত্র তিন দিনেই টেস্ট হেরে যায় বাংলাদেশ। ২৫২ রানের ইনিংসের সঙ্গে ৬টি ক্যাচ ধরে ম্যাচ সেরা হন টম ল্যাথাম এবং দুটি শতক হাঁকিয়ে সিরিজ সেরা হন ডেভন কনওয়ে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply