Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » বিরোধীদের খুঁজতে চীনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলকে ব্যবহারের অভিযোগ




ব্রিটেনে অবস্থান করা হংকংয়ের ভিন্নমতাবলম্বী এবং অন্যান্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে খুঁজে বের করতে চীন ইন্টারপোলের ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি হংকং থেকে পালিয়ে যাওয়া ১৬ জন বিশিষ্ট মানবাধিকার ক্যাম্পেইনার চীন ও ইন্টারপোলের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলেছে। দ্য টেলিগ্রামের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত এবং অ্যাক্টিভিস্টরা ‘রেড নোটিশ’ এর জন্য নিজেদের প্রস্তুত করছেন, যার অর্থ তারা বিদেশে ভ্রমণ করার সময় তারা গ্রেফতার হতে পারেন এবং তাদেরকে চীনা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হতে পারে। যদিও আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার কথা নয়। তবুও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটির শাসকদের পক্ষ থেকে এ ধরনের অনুরোধ মঞ্জুর করার ঘটনার ক্রমবর্ধমান হারে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। মানবাধিকারের বিষয়টি উপেক্ষার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আরও ভীতি সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে গত বছরের নভেম্বরে যখন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত মধ্যপ্রাচ্যের একজন পুলিশ কর্মকর্তা সংস্থাটির সভাপতি নির্বাচিত হন। এখন হংকংয়ের কর্মকর্তারা ভিন্নমতাবলম্বীদের ভূখণ্ডে ফিরিয়ে আনার উপায় হিসেবে ইন্টারপোলকে ব্যবহার করার বিষয়ে খোলাখুলি কথা বলছেন। ২০২০ সালে প্রবর্তিত কঠোর জাতীয় নিরাপত্তা আইনের অধীনে বিভিন্ন অপরাধের বিচারের ঘটনা নাটকীয়ভাবে বেড়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। হংকং পুলিশ বাহিনী বিদেশে বসবাসরত বিরোধীদের বিষয়ে ক্রমেই আরও আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে। এটা পরিষ্কার যে, বিক্ষোভে সহায়তার অভিযোগে বিদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রেও এমনটা ঘটবে। আরও পড়ুন : চীন-রাশিয়া সম্পর্ক কী টিকবে? হংকংয়ের ১৬ জন বিশিষ্ট মানবাধিকার ক্যাম্পেইনার, যাদের মধ্যে ছয়জন যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন তারা এখন এজেন্সির কাছে চিঠি লিখে জানতে চেয়েছেন, চীন সরকার বা হংকং পুলিশ বাহিনী তাদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোল ব্যবহার করতে চেয়েছে কিনা এবং এ সম্পর্কিত কোনো রেড নোটিশ জারি করা হয়েছে কিনা। তারা অভিযোগ করেন, ইন্টারপোলের পক্ষ থেকে সন্তোষজনক কোনো উত্তর না পাওয়ায় মূলত কার্যত তারা যুক্তরাজ্যে বন্দীই হয়ে আছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সত্যিকার অর্থেই তারা ভয়ে রয়েছেন যে হংকং বা চীন ইতোমধ্যেই তাদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলকে ব্যবহার করে থাকতে পারে। যদি তা না হয় তবুও তাদের সবচেয়ে বড় ভয়ের বিষয় হলো হংকং ও চীনের এমনটি করার ইচ্ছা আছে। বিষয়টি তারা নির্দ্বিধায় জনসমক্ষে স্বীকার করছেন বলেও চিঠিতে বলা হয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ইয়াউ মান-চুন নামে একজন প্রাক্তন আইনকর্তা, যিনি নতুন জাতীয় নিরাপত্তা আইনের কারণে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন। একই সঙ্গে ব্রিটিশ দূতাবাসের সাবেক কর্মচারী সাইমন চেং, ‍যিনি দাবি করেন চীনা কর্তৃপক্ষ তার ওপর নির্যাতন চালিয়েছে, তিনিও ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন। লুক ডি পুলফোর্ড, যিনি চীনের আন্তঃসংসদীয় জোটের সমন্বয়ে সহায়তা করেন, তিনিও একজন স্বাক্ষরকারী, গত বছর পররাষ্ট্র দফতর থেকে তাকে সতর্ক করা হয়েছিল যে তিনি হংকংয়ে প্রত্যর্পণ এবং বিচারের ঝুঁকিতে রয়েছেন। আরও পড়ুন : পরমাণু অস্ত্রে রাশিয়াকেও ছাড়াবে চীন, আতঙ্কে যুক্তরাষ্ট্র তারা চিঠিতে আরও উল্লেখ করেন যে ২০১৭ সালে ইন্টারপোল উইঘুর অধিকারকর্মী ইদ্রিস হাসানের বিরুদ্ধে একটি রেড নোটিশ জারি করেছিল, যিনি এখন মরক্কো থেকে চীনে নির্বাসনের মুখোমুখি হয়েছেন। সাইমন চেং মানবাধিকারের জন্য নির্বাসিতদের বিরুদ্ধে যেকোনো রেড নোটিশ বাতিল করার জন্য এবং সংস্থাটি কোনো নোটিশ জারি করেছে কিনা তা প্রকাশ করতে ইন্টারপোলের সঙ্গে দেনদরবার করার জন্য যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইন্টারপোল একটি ব্ল্যাক বক্সের মতো এবং আমরা জানি না এতে কী আছে। আমরা খুব চিন্তিত যে তারা কেবল চীনের নির্দেশ অনুসরণ করবে। আমরা জানি না কোন দেশে যাওয়া নিরাপদ। চীনের সঙ্গে বর্তমানে দশটি দেশের প্রত্যর্পণ চুক্তি রয়েছে যার মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত রাষ্ট্র পর্তুগাল ও চেক প্রজাতন্ত্রও রয়েছে। তবে মানবাধিকারকর্মীদের চিঠির জবাবে ইন্টারপোল বলছে, ইন্টারপোলের যে কোনো অপব্যবহার গুরুত্ব সহকারে নেওয়া হয়। আমরা মানুষের অধিকার রক্ষা এবং তার সংবিধানকে সমুন্নত রাখার জন্য ইন্টারপোলের প্রচেষ্টাকে সমর্থন অব্যাহত রাখি, যা সংগঠনটিকে রাজনৈতিক, সামরিক, ধর্মীয় বা জাতিগত চরিত্রের কোনো হস্তক্ষেপ বা কার্যকলাপ করতে নিরুৎসাহিত করে। ইন্টারপোল জনসাধারণের সুরক্ষার জন্য ভূমিকা পালন করে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply