Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নজর বাড়াচ্ছেন ব্লিংকেন




প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের নজর বাড়াচ্ছেন ব্লিংকেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'চার্জ' ডিঅ্যাফেয়ার্স টু অস্ট্রেলিয়া মাইকেল গোল্ডম্যান। সঙ্গে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণণালয়ের প্রথম সহকারী সেক্রেটারি ক্রেগ চিটিক। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'চার্জ' ডিঅ্যাফেয়ার্স টু অস্ট্রেলিয়া মাইকেল গোল্ডম্যান। সঙ্গে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণণালয়ের প্রথম সহকারী সেক্রেটারি ক্রেগ চিটিক।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন তার অস্ট্রেলিয়া সফরে এশিয়া-প্যাসিফিক এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল নিয়ে বাইডেন প্রশাসনের বিশেষ গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান ও ভারত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এরকম জোটের সঙ্গে বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হচ্ছে যা "সমস্ত অঞ্চল এবং সারা বিশ্বের মানুষের জন্য" অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্লিংকেন কোয়াডের মিত্রদের সঙ্গে আলাপের আগে তার সফরসঙ্গী সাংবাদিকদের সঙ্গে এসব কথা বলেন। “কোয়াড সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোভিড ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে এবং ভ্যাকসিন প্রদানে, আগ্রাসন প্রতিহত করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে। এ ছাড়া এই জোট ক্রমবর্ধমান বিস্তৃত ও গভীর বিষয়সহ বিভিন্ন প্রযুক্তি এবং এগুলোর ইতিবাচক ব্যবহার নিয়ে কাজ করছে”, বলেন ব্লিংকেন। তিনি আরও বলেন, কোয়াডের চার দেশের মধ্যকার কার্যকলাপও বিশ্বের অন্য অংশে যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা সমর্থিত প্রচেষ্টার অনুরূপ "সমধর্মী বিষয়গুলোর ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে বিভিন্ন দেশের জোট গঠন, শক্তিশালী করা এবং পরিচালনা করা।" ব্লিংকেন বলেন, “এই ধরনের জোটগুলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন, কোভিড-১৯ এবং উদীয়মান প্রযুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করার সুযোগ করে দেয়”। গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র—এই তিন দেশকে নিয়ে একটি বর্ধিত ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা জোট (এইউকেইউএস) ঘোষণা করার পর এটি ব্লিংকেনের প্রথম অস্ট্রেলিয়া সফর। চুক্তিতে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের সামরিক সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার জন্য পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির একটি চুক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মেলবোর্নে চতুর্থ কোয়াড পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের সময় "চীনের কারণে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলো" নিয়ে অংশত আলোচনা হবে বলে পূর্ব এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড্যানিয়েল ক্রিটেনব্রিংক ভয়েস অফ আমেরিকাকে জানিয়েছেন। "কোয়াড কোনো সামরিক জোট নয়, তবে চীন ভালোভাবেই অনুধাবন করতে পারছে যে, চারটি শক্তিশালী দেশ জোটবদ্ধ হয়েছে, যার সব কটিতেই শক্তিশালী সামুদ্রিক উপস্থিতি এবং উন্নত সামরিক সক্ষমতা রয়েছে এবং তারা প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর প্রতি চীনের হিংসাত্মক আচরণ নিয়ে উদ্বিগ্ন", বলেন ওয়াশিংটনভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের অস্ট্রেলিয়া চেয়ার চার্লস এডেল। বেইজিংয়ে চীনা কর্মকর্তারা কোয়াড এবং এইউকেইউএস সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের একজন মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান বলেছেন যে, কোনো আঞ্চলিক সহযোগিতা কাঠামোর "কোনো তৃতীয় পক্ষকে টার্গেট করা উচিত নয়"। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত সেপ্টেম্বরে কোয়াড নেতাদের নিয়ে একটি শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন। ঝাও এইউকেইউএস চুক্তিকে "অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন" বলে অভিহিত করেন। যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিকের সপ্তাহব্যাপী সফরে ফিজিসহ হনুলুলু, হাওয়াই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। (ভয়েস অফ আমেরিকার ক্রিস হ্যানাস এই প্রতিবেদন লিখতে সহায়তা করেছেন।)






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply