Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ‘জেলা-উপজেলায় সিনেপ্লেক্স নির্মাণ হোক’




প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার প্রেরণা যেন পাওয়া যায়, তেমন চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ ছাড়া জেলা ও উপজেলায় বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে সিনেমাকে দেখতে চান বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০ প্রদান অনুষ্ঠানে আজ বুধবার গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আজ সকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এ পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের সিনেমা শিল্পটা অ্যানালগ সিস্টেমে থেকে গিয়েছিল। সেটাকে আমি আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন করতে চাই। আমাদের জেলা-উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত মানুষের বিনোদনের একটা মাধ্যম হিসেবে সিনেমাকে দেখতে চাই। আমি চাই, আমাদের জেলা-উপজেলায় সব জায়গায় সিনেপ্লেক্স নির্মাণ হোক। সে ক্ষেত্রে আমি সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিলাম। মাঝখানে ভাটা পড়ে যাওয়ায় কেউ উদ্যোগী ছিল না।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আক্ষেপ করেন—ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও চলচ্চিত্রের এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষ্ঠানে সরাসরি যোগ দিতে পারলেন না করোনা পরিস্থিতির কারণে। তাঁকে যোগ দিতে হলো গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি। এবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০-এ আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন দুজন গুণী শিল্পী—আনোয়ারা বেগম ও রাইসুল ইসলাম আসাদ। আনোয়ার বেগম অসুস্থ থাকায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি। আজীবন সম্মাননা পাওয়া শিল্পীদের নাম ঘোষণার পর আসে চলচ্চিত্রের বিভিন্ন শাখায় শ্রেষ্ঠদের নাম। প্রযুক্তির পরিবর্তনে যখন চলচ্চিত্র শিল্প হুমকির মধ্যে, তখন শিল্পীদের জন্য আশার বাণী শোনালেন প্রধানমন্ত্রী। সিনেমা শুধু বিনোদন নয়, সমাজ সংস্কারের মাধ্যম বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শুধু বিনোদন নয়, বিনোদনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সমাজ সংস্কারে, মানুষকে শিক্ষা দেওয়া বা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করা এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চলচ্চিত্রশিল্পের সঙ্গে জড়িতদের আমি আহ্বান জানাব।’ পরে নাচে-গানে শিল্পীরা উপহার দেন দারুণ এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পুরস্কার পেলেন যাঁরা সেরা চলচ্চিত্র বিভাগে যৌথভাবে পুরস্কার জিতেছে ‘গোর (দ্য গ্রেভ)’ ও ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্র। গোর (দ্য গ্রেভ) যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন গাজী রাকায়েত ও ফরিদুর রেজা সাগর এবং ‘বিশ্বসুন্দরী’ প্রযোজক ছিলেন অঞ্জন চৌধুরী। চলচ্চিত্র শিল্পে অসামান্য অবদানের জন্য ‘আজীবন সম্মাননা’ পেয়েছেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম (আনোয়ারা) ও অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদ। ‘গোর’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার পেয়েছেন গাজী রাকায়েত। ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্রে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সিয়াম আহমেদ সেরা অভিনেতা নির্বাচিত হন এবং ‘গোর’ চলচ্চিত্রের জন্য দীপান্বিতা মার্টিন ২০২০ সালের সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান। পার্শ্ব-চরিত্রে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ‘বিশ্বসুন্দরী’ ছবির জন্য ফজলুর রহমান বাবু এবং ‘গণ্ডি’ ছবির জন্য সেরা পার্শ্ব-অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন অপর্ণা ঘোষ। ‘বীর’ ছবিতে নেতিবাচক চরিত্রে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পান মিশা সওদাগর। ‘গণ্ডি’ ছবির জন্য সেরা শিশু শিল্পীর পুরস্কার জিতেছেন মুগ্ধতা মোর্শেদ ঋদ্ধি। ‘হৃদয় জুড়ে’ ছবিতে ‘বিশ্বাস যদি যায়রে’ গানের জন্য বেলাল খান শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত পরিচালকের পুরস্কার জিতেছেন এবং ‘বিশ্বসুন্দরী’ ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক হিসেবে পুরস্কার পেয়েছেন প্রয়াত মো. সাহিদুর রহমান। সেরা গায়কের পুরস্কার পেয়েছেন ইমরান মাহমুদুল (‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্র), এবং দিলশাদ নাহার কনা ও সোমনুর মনির কোনাল যৌথভাবে ‘বিশ্বসুন্দরী’ ও ‘বীর’ চলচ্চিত্রে গানের জন্য শ্রেষ্ঠ গায়কের পুরস্কার পেয়েছেন। সৈয়দ আশিক রহমান পরিচালিত প্রামাণ্যচিত্র ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যূদয়’ শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্যচিত্র বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আড়ং’ শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছেন। অন্যান্য পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন—কবির বকুল (সেরা গীতিকার), মো. মাহমুদুল হক ইমরান (সেরা সুরকার), গাজী রাকায়েত (গল্প), গাজী রাকায়েত (চিত্রনাট্যকার), ফখরুল আরেফিন খান (সংলাপ), শরিফুল ইসলাম(সম্পাদনা), উত্তম কুমার গুহ (সেরা শিল্প নির্দেশনা), পঙ্কজ পালিত এবং মাহবুব উল্লাহ নিয়াজ (সম্মিলিতভাবে সেরা চিত্রগ্রাহক), মো. শাহাদাত হাসান বাধন (সেরা শিশু শিল্পী বিভাগে বিশেষ পুরস্কার), কাজী সেলিম আহমেদ (সাউন্ড ডিজাইনার), এনামতারা বেগম (পোশাক) এবং মোহাম্মদ আলী বাবুল (মেকআপ)






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply