Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » মারিওপোল নিয়ে কী ভাবছে মস্কো?




মারিওপোল নিয়ে কী ভাবছে মস্কো? রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযানে ঘুরেফেরেই আলোচনায়-মারিওপোল। শুরু থেকেই, আজভ সাগর তীরের বন্দর নগরীটি অবরূদ্ধ রুশ বাহিনীর হাতে। ইউক্রেন সরকারের দাবি- শহরের ৯০ শতাংশ ঘরবাড়ি-স্থাপনাই ক্ষতিগ্রস্ত রুশ হামলায়। ইউক্রেনের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী মারিওপোল যার প্রায় শতভাগ নিয়ন্ত্রণই এখন রাশিয়ার হাতে। অপেক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। চূড়ান্ত অভিযানের আগে, বারবারই ইউক্রেনের সেনাদের আত্মসমর্পণের আল্টিমেটাম দিচ্ছে মস্কো। এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, রুশ পরিকল্পনার বড় জায়গা দখল করে আছে মারিওপোল। গুরুত্বপূর্ণ বন্দরটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে কিয়েভকে দুর্বল করে দিতে চায় মস্কো। আত্মসমর্পণ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে কথার লড়াই চললেও, বিশ্লেষকদের ধারণা, মারিওপোল এখন রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু, বন্দর নগরীটি দখলে কেন এতোটা মরিয়া পুতিন প্রশাসন? বিশ্লেষকরা মোটা দাগে তুলে ধরেছেন ৪টি কারণ। বলছেন- বাণিজ্যিকভাবে ইউক্রেনকে পঙ্গু করতেই এ কৌশল। চ্যাথাম হাউসের ইউক্রেন ফোরামের প্রধান উরিশা লুৎসেভিশ বলেন, মারিওপোল ভৌগলিকভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৪ সালের সংঘাতের পর থেকেই অঞ্চলটির ওপর বাড়তি নজর রাশিয়ার। কারণ, গণভোটে দখলে আসা ক্রাইমিয়া আর রুশপন্থীদের নিয়ন্ত্রণাধীন দনবাসের মাঝে বন্দর নগরীটি। যা দখলে নিতে পারলেই, বাড়বে রুশ স্থলসীমান্তের পরিসর। মারিওপোলের আজভ ব্যাটেলিয়নের ওপর বিশেষভাবে ক্ষুব্ধ পুতিন। অভিযান শুরুর সময় যেসব লক্ষ্যের কথা বলেছিলেন, তার অন্যতম- এ ব্যাটালিয়নকে পরাস্ত করা। বিশ্লেষকদের ধারণা, ইউক্রেনকে মানসিকভাবে দুর্বল করতে, আজভ সেনাদের হারানোকে গুরুত্ব দিচ্ছে মস্কো। এ প্রসঙ্গে উরিশা লুৎসেভিশ বলেন, আজভ ব্রিগেড সেখানে বেশ শক্তিশালী। ২০১৫ সালে, ক্রাইমিয়া সংঘাতের সময়ও ছিল তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তাদের ওপর প্রতিশোধ নিতেই মারিওপোল চান পুতিন। তারপর, ফলাও করে রুশ গণমাধ্যমে প্রচার করবেন আজভ সেনাদের পরাজয়। গত প্রায় এক মাস ধরেই বন্ধ, মারিওপোল বন্দরের কার্যক্রম। বিশ্লেষকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এ বন্দরনগরীকে দরকষাকষির অস্ত্র বানাবেন পুতিন। উরিশা লুৎসেভিশ আরও বলেন, ইউক্রেনের কেন্দ্রস্থল থেকে মারিওপোল অনেকটা দূরে। কিন্তু, এটি দখল করা রাশিয়ার জন্য প্রতীকি জয়। রুশ সেনারা শক্তিশালী এবং অপরাজেয়- সেটিই দেখাতে চান পুতিন। কারণ, এতোদিনের দম্ভ চুরমার করে দিয়েছে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী। এটা আসলে পেশীশক্তির খেলা। ইউক্রেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর- মারিওপোলের বাসিন্দা মাত্র সাড়ে চার লাখের মতো। কিন্তু, বাণিজ্যের জন্য শহরটির গুরুত্ব অনেক। কৃষ্ণ সাগরের সবচেয়ে বড় পোতাশ্রয় এখানে। যাতে, মধ্যপ্রাচ্য এবং এশিয়ার দেশগুলোর সাথে ইষ্পাত, কয়লা, গম ও ভুট্টার মতো পণ্যগুলো আমদানি-রফতানি করে, ইউক্রেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply