Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » রাশিয়ার ভয়ে প্রতিরক্ষায় জোর ইউরোপের!




রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় জোর দিতে শুরু করেছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। নতুন অস্ত্রের চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের শরণাপন্ন হচ্ছে তারা। ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র, প্রতিরক্ষাব্যবস্থাসহ নতুন নতুন চাহিদার তালিকা নিয়ে মার্কিন সরকার ও ঠিকাদারদের কাছে দৌড়াচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রুশ সামরিক অভিযান শুরুর পরই মূলত নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় পড়ে পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো। বিশেষ করে পোল্যান্ড, রোমানিয়া, মালদোভাসহ প্রতিবেশী দেশগুলো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিজেদের অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কায় রয়েছে। এমন বাস্তবতায় নিজেদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। এতে বেড়েছে অস্ত্রের চাহিদা। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক বিশেষ প্রতিবেদন বলছে, নতুন নতুন অস্ত্র কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারস্থ হচ্ছে ইউরোপের দেশগুলো। ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন মারণাস্ত্র কিনতে মার্কিন সরকার ও বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শুরু করেছে লবিং। আরও পড়ুন: ন্যাটোকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট এরই মধ্যে মার্কিন কোম্পানি লকহিড মার্টিনের কাছ থেকে যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে জার্মানি। এখন ক্ষেপণাস্ত্রবিধ্বংসী বিভিন্ন প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কিনতে চলছে তোড়জোড়। এ ছাড়া জরুরি ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে স্পর্শকাতর রিপার ড্রোন সিস্টেম কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে পোল্যান্ড। পূর্ব ইউরোপের অন্য দেশগুলোর কাছ থেকেও চাহিদা পাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে যেসব অস্ত্র রাশিয়ার বিরুদ্ধে সফলতার সঙ্গে ব্যবহার হচ্ছে, সেসব অস্ত্রের চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ। এর মধ্যে রয়েছে বিমানবিধ্বংসী স্টিনগার ক্ষেপণাস্ত্র এবং ট্যাংকবিধ্বংসী জ্যাভেলিন ক্ষেপণাস্ত্র। সুইডেন, ডেনমার্কসহ বেশ কয়েকটি দেশ এরই মধ্যে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। আরও পড়ুন: ইইউ-ন্যাটোকে চরম পরিণতি ভোগ করতে হবে: পুতিন মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন বলছে, যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তাই ইউরোপের দেশগুলোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পাবে। ইউক্রেনে রুশ অভিযান শুরুর পর মার্কিন অস্ত্র উৎপাদনকারী কোম্পানি লকহিড এবং রায়থিয়নের শেয়ারের দাম ৮.৩ এবং ৩.৯ শতাংশ বেড়ে গেছে। এদিকে সমালোচকেরা বলছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সুযোগ নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। চাঙা করছে নিজেদের অস্ত্র ব্যবসা। করোনা মহামারির কারণে ভঙ্গুর অর্থনীতি শক্তিশালী করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অস্ত্রের বাজারকে কাজে লাগাচ্ছেন বলে মনে করছেন অনেকে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply