Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তায় ভারতের পাশে যুক্তরাজ্য




প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তায় ভারতের পাশে যুক্তরাজ্য

প্রতিরক্ষা, ব্যবসা এবং নিরাপত্তায় সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাজ্য ও ভারত। এ ছাড়াও চলতি বছরের অক্টোবরের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। খবর আলজাজিরার। ২০১৯ সালে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম ভারত সফরে গেলেন বরিস জনসন। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের মধ্যেই তার দুই দিনের এই সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ভারত ও যুক্তরাজ্যের অবস্থান ভিন্ন। যদিও বরিস জনসন লন্ডন এবং দিল্লির মধ্যে নিরাপত্তা সম্পর্ক জোরদার করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা করেছেন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যম। আরও পড়ুন: মারিউপোলে গণকবরে ৯ হাজার মরদেহ: দাবি ইউক্রেনের শুক্রবার (২২ এপ্রিল) সকালে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা ও মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা জানানোর পর বৈঠকে বসেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী। বৈঠক শেষে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের মধ্যে চমৎকার আলাপ-আলোচনা হয়েছে, যা উভয় দেশের সম্পর্ককে সব দিক থেকে শক্তিশালী করবে। আমরা একটি নতুন এবং সম্প্রসারিত প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা অংশীদারিত্বে সম্মত হয়েছি।’ এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আমরা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা করেছি। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে একটি অবাধ, উন্মুক্ত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছি।’ এদিকে আগামী বছরের শেষ নাগাদ পর্যন্ত ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যাহত থাকার শঙ্কা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য যে এটিই বাস্তবিক শঙ্কা। পুতিনের বিপুল সামরিক শক্তি রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে তার রাজনৈতিক অবস্থান নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। কারণ, তিনি বিপর্যকর একটি ভুল (সামরিক অভিযান) করে বসেছেন। এখন ইউক্রেনকে মর্মান্তিকভাবে নিষ্পেষিত করে দেওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রাখার বিকল্পই তার সামনে রয়েছে।’ আরও পড়ুন: গুতেরেস কি পারবেন পুতিনের মন গলাতে? বরিসের দাবি, ইউক্রেনকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন পুতিন। তবে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কোনো ভবিষ্যদ্বাণী করা যায় না। ইউক্রেনীয়রা তাদের অবিশ্বাস্য বীরত্ব দেখিয়েছেন। তারা লড়াই করতে চান। বরিস জনসন মনে করেন, রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের যতই সামরিক শক্তি থাকুক না কেন, আর মাত্র কয়েক মাস তিনি অভিযান অব্যাহত রাখতে পারবেন। এটি দীর্ঘ সময় ধরেও হতে পারে। কিন্তু ইউক্রেনের জনগণের সাহসের কাছে পুতিন জয়ী হতে পারবেন না।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply