Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার নেপথ্যে কে এই ছাত্রী!




করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে হামলার নেপথ্যে কে এই ছাত্রী! পাকিস্তানের করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে যে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে তার পেছনে ছিলেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই এক স্নাতকের ছাত্রী। হামলার কয়েক মাস আগে বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্স ডিগ্রির জন্য ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর হয়ে হামলা চালান তিনি। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা এসব তথ্য জানিয়েছেন। খবর আলজাজিরার।

মঙ্গলবার করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের চীনা ভাষা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের বাইরে একটি মিনিভ্যানের কাছেই আত্মঘাতী হামলা চালিয়ে নিজেকে উড়িয়ে দেন ৩০ বছর বয়সী ওই ছাত্রী। এতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের তিন শিক্ষক ও এক চালকসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়। হামলার দায় স্বীকার করেছে পাকিস্তানের বেলুচিস্তানভিত্তিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে ও টেলিগ্রামে দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেন গোষ্ঠীর মুখপাত্র জিয়ান্দ বালুচ। আরও পড়ুন : করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৪ জিয়ান্দ বালুচ জানান, করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়েছে। হামলাকারীর নাম শারি বালুচ ওরফে ব্রামশ এবং তিনি একজন নারী। বিএলএর গত ২২ বছরের ইতিহাসের প্রথম নারী আত্মঘাতী হামলাকারী শারি বালুচ। বিবৃতিতে জিয়ান্দ বালুচ বলেন, করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মঘাতী হামলা হয় এবং বিএলএ এ হামলার দায় স্বীকার করছে। আমাদের বোন শারি বালুচ ওরফে ব্রামশের এ আত্মত্যাগের মাধ্যমে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা আন্দোলন এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করল। পাকিস্তানে চীনা নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। করাচি বিশ্ববিদ্যালয় হামলা চলতি বছরের প্রথম বড় কোনো ঘটনা। বিএলএর বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণিবিদ্যা বিভাগ থেকে স্নাতক ডিগ্রি নেন দুই সন্তানের মা শারি বালুচ। এরপর আরও উচ্চতর ডিগ্রির জন্য পড়াশুনা করছিলেন। আরও পড়ুন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন বিলাওয়াল ভুট্টো হামলার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যায়, করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের কমার্স ফ্যাকাল্টি নিকটবর্তী কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের দিকে একটি মাইক্রোবাস এগিয়ে আসছে। এ সময় ওই ভবনের গেটের কাছে অবস্থান নিচ্ছেন এক নারী। মাইক্রোবাস এবং তার মধ্যে দূরত্ব যখন প্রায় এক মিটার, সে সময়ই নিজ দেহে বহন করা বোমার বিস্ফোরণ ঘটান তিনি। গাড়িটিতে সে সময় চারজন চীনের নাগরিক ও দুজন পাকিস্তানি ছিলেন। হামলার পর ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিন চীনা নাগরিক হুয়াং গুইপিং, ডিং মুপেং, চেন সা ও সেই মাইক্রোবাসের ড্রাইভার খালিদ। বাকি দুইজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় অপর চীনা নাগরিক ওয়াং ইউকিং মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছে করাচি পুলিশ। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এ ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে নিন্দা জানান। এক বার্তায় তিনি বলেন, ’আমি এ নৃশংস, ঘৃণ্য ও কাপুরুষোচিত হামলার কঠোর নিন্দা জানাচ্ছি। যারাই এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকুক, অবশ্যই তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply