Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » খালেদ-মিরাজের তোপে অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা




খালেদ-মিরাজের তোপে অলআউট দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩২০ রানের মধ্যেই আটকে ফেলার কথা বলেছিলেন বাংলাদেশ কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। শেষ পর্যন্ত সেটি আর হয়নি। শেষ দিকে দুই বোলারের কল্যাণে প্রায় চারশ ছুঁই ছুঁই সংগ্রহ দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা। খালেদ আহমেদ-মেহেদী হাসান মিরাজদের বোলিং তোপের পরও সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩৬৭ রান করে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। ডারবানের কিংসমেডে ৪ উইকেটে ২৩৩ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। দিনের শুরুতেই টাইগার পেসার খালেদ আহমেদ জোড়া আঘাত হানেন প্রোটিয়া শিবিরে। পরপর দুই বলে তিনি ফেরান কাইল ভেরাইন্নে ও ভিয়ান মুল্ডারকে। ৮৩তম ওভারে বল করতে এসে ওভারের দ্বিতীয় বলেই ভেরাইন্নেকে এলবিডব্লিউ’র ফাঁদে ফেলেন খালেদ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি দক্ষিণ আফ্রিকান উইকেটকিপার ব্যাটার। ৮১ বলে ২৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ভেরাইন্নে ফিরে গেলেও দক্ষিণ আফ্রিকাকে আশা দেখাচ্ছিলেন টেম্বা বাভুমা। ধীরে ধীরে সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তেও চলে গিয়েছিলেন এই ব্যাটার। কিন্তু মেহেদী হাসান মিরাজ তাকে শত রান করতে দেননি। সেঞ্চুরি পূর্ণ হতে তার দরকার ছিল আর মাত্র ৭ রান। তখনই মিরাজ সরাসরি বোল্ড করে বাভুমাকে। ১৯০ বলে ১২ চারে ৯৩ রান করে ফিরে যান তিনি। এ নিয়ে এ ম্যাচে তিনটি উইকেটের অবদান মিরাজের। এর আগে সারিল এরউইকে বোল্ড করার পর কিগান পিটারসেনকে দুর্দান্ত থ্রোয়ে রানআউট করেন তিনি।

বাভুমা আউট হওয়ার পর কেশভ মহারাজকে তুলে নেন এবাদত হোসেন। মহারাজ করেন ১৯ রান। এরপর সিমন হারমার ও লিজাড উইলিয়ামস খেলতে আসেন। বিরতির আগে সিমন ৮ ও লিজাড ৬ রান করেন। ৮ উইকেটে স্কোর বোর্ডে ৩১৪ রান তুলে লাঞ্চ বিরতিতে যান তারা। আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকাকে ‘৩২০’ রানের মধ্যে আটকাতে চায় বাংলাদেশ লাঞ্চ বিরতি থেকে ফেরার পর লিজাড উইলিয়ামস নামের পাশে যোগ করেন আরও ৬ রান। এরপর খালেদ আহমেদের দুর্দান্ত এক বলে থার্ডম্যানের দিকে ক্যাচ তুলে দেন বাঁ হাতি এই ব্যাটার। ওই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মাহমুদুল হাসান জয়ও নেন চোখ ধাঁধানো এক ক্যাচ, সাজঘরে লিজাড। এ ম্যাচে খালেদ আহমেদের এটি চতুর্থ শিকার। আগের দিন তিনি নিয়েছিলেন ডিন এলগারের উইকেট। এরপর হারমার ও অলিভিয়ের প্রোটিয়াদের ইনিংস বড় করার ক্ষেত্রে বিশাল অবদান রাখেন। দশম ব্যাটার হিসেবে ১২ রান করে আউট হন অলিভিয়ের। সিমন অপরাজিত ছিলেন ৩৮ রান করে। বাংলাদেশের হয়ে খালেদ ছাড়াও মিরাজ ৩টি ও এবাদত ২টি উইকেট শিকার করেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply