Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » চ্যাম্পিয়নস লিগ বেনজেমার টানা দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকে হার চেলসির




চ্যাম্পিয়নস লিগ বেনজেমার টানা দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকে হার চেলসির এদুয়ার্দো মেন্দিকে ধন্যবাদ না দিলেও চলবে করিম

বেনজেমার। তাঁর অবিশ্বাস্য ভুলে হ্যাটট্রিকটা পেলেও সেটা হতে পারত প্রথমার্ধেই। বেনজেমা যে তখন উড়ছিলেন! ফরাসি তারকার জন্য রাতটা এর চেয়ে আর ভালো হতে পারত না। পিএসজির বিপক্ষে শেষ ষোলো ফিরতি লেগেই হ্যাটট্রিক করে এসেছেন। স্টামফোর্ড ব্রিজে টমাস টুখেলের রক্ষণভাগও তাঁকে ধরতে পারেনি। আবারও হ্যাটট্রিক করলেন! সোনালি স্পর্শ বলতে যা বোঝায়, ঠিক তেমন সময়ই যাচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ডের। বেনজেমার টানা দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকে চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনাল প্রথম লেগে ৩-১ গোলের হারে বড় ধাক্কাই খেল চেলসি। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন ইউরোপে রিয়াল সবচেয়ে সফল দল হলেও তাঁদের বিপক্ষে ইংলিশ দলটির একটা গর্বের জায়গা ছিল। ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় রিয়াল কখনো চেলসিকে হারাতে পারেনি। গত ৫১ বছর ধরে চেলসির সেই উঁচু 'মাথা' আজ ঘরের মাঠে নত হলো রিয়ালের সামনে, বলা ভালো বেনজেমার কল্যাণে। হ্যাটট্রিকের পর বেনজেমার উদযাপন হ্যাটট্রিকের পর বেনজেমার উদযাপনছবি: রয়টার্স ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় চেলসির বিপক্ষে এটাই প্রথম জয় রিয়ালের। ১৯৭১ সালে ইউরোপিয়ান কাপ উইনার্স কাপ ফাইনালে প্রথম মুখোমুখি হওয়ার পর ষষ্টবারের চেষ্টায় জয়ের দেখা পেল রিয়াল। সাবেক ক্লাবে বিপক্ষে জয়ের দেখা পেলেন রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি ও গোলকিপার থিবো কোর্তোয়াও। দারুণ গোলকিপিং করেছেন বেলজিয়ান। দুই অর্ধ মিলিয়ে তিন-চারটি সেভ করেন কোর্তোয়া। চেলসির হয়ে ব্যবধান কমানো গোলটি কাই হাভার্টজের। বিজ্ঞাপন অথচ, বৃষ্টির মধ্যে রোমাঞ্চকর প্রথমার্ধে চেলসি মোটেও খারাপ খেলেনি। টমাস টুখেলের ৩-৪-২-১ ছকে সাজানো খেলোয়াড়দের গতির সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে কষ্ট হচ্ছিল এদের মিলিতাও-ডেভিড আলাবাদের। ক্রিস্টিয়ান পুলিসিচ-ম্যাসন মাউন্টরা গতি ও দ্র্রুতলয়ের পাসে ঢুকে পড়ছিলেন রিয়ালের রক্ষণে। কিন্তু সত্যিকার গোলের সুযোগটা প্রথম পায় রিয়ালই। তাতে অবশ্য ভিনিসিয়ুসের ওপর মন খারাপ হতে পারে বেনজেমা-মদরিচদের। চেলসির মাঠে রিয়াল সমর্থকদের সামনে হ্যাটট্রিকের পর বেনজেমা চেলসির মাঠে রিয়াল সমর্থকদের সামনে হ্যাটট্রিকের পর বেনজেমাছবি: রয়টার্স চেলসির রক্ষণ একটু উঠে আসায় বেনজেমা নিচে নেমে বলটা পান। ডান প্রান্ত দিয়ে চলন্ত অবস্থায় তাঁর ব্যাক হিলে ফাটল ধরে চেলসির রক্ষণে। ফেদে ভালভার্দে পাসটা চালান করেন বাঁ প্রান্ত দিয়ে তীব্র গতিতে বক্সে ঢোকা ভিনিসিয়ুসকে। চেলসির এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ভিনিসিয়ুস প্রায় ফাঁকা পোস্টেও বল ক্রসবারে মারেন! ম্যাচে ১১ মিনিটের এই ব্যর্থতা অবশ্য ২১ মিনিটের মাথায় পুষিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার। এবার তাঁর পাস থেকে জোরাল হেডে বেনজেমার গোল। দূর থেকে বেশ জোরের ওপর করা হেডটি দেখে রিয়ালে তাঁর সাবেক সতীর্থ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দিনগুলো মনে পড়তে পারে অনেকের। কিন্তু বেনজেমা এদিন ছিলেন আপন মহিমায় ভাস্বর। গোলের গন্ধ পেয়ে যান দুই মিনিট পরই। লুকা মদরিচের দারুণ পাস থেকে ম্যাচের ২৪ মিনিটে আবারও হেডে গোল। এবার আরও উঁচুতে লাফিয়ে দূরের পোস্ট দিয়ে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে চেলসি গোলকিপার মেন্দিকে কোনাকুনিতে একা পেয়েও অবশ্য গোল করতে পারেননি বেনজেমা। প্রথমার্ধে চেলসিও গোলের সুযোগ পেয়েছে। ১৪ মিনিটে হাভার্টজের ফ্রি কিক ডাইভ দিয়ে ঠেকান কোর্তোয়া। মাউন্ট-পুলিসিচরা রিয়ালের বক্সে বিপজ্জনকভাবে ঢুকেও গোল করতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত ৪০ মিনিটে জর্জিনিওর বাতাসে ভাসানো পাস থেকে হেডে গোল করে চেলসিকে ম্যাচে ফেরান হাভার্টজ। ২-১ গোলে পিছিয়ে বিরতিতে যায় চেলসি। গতি ও আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে এই অর্ধে রোমাঞ্চকর ফুটবল উপহার দিয়েছে দুই দল। ৫০ শতাংশ সময় বল দখলে রেখেছিল চেলসি। রিয়াল খেলেছে ২৭৬ পাস, চেলসি ২৭৪টি। প্রায় মিল আছে গোলের চেষ্টায়ও। চেলসির ৮ বার চেষ্টায় ১ গোল পাওয়ার বিপরীতে রিয়ালের ৭বারের চেষ্টায় দুই গোল এনে দেন বেনজেমা। দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে ৪৬ মিনিটে অবিশ্বাস্য ভুলটি করে বসেন চেলসি গোলকিপার মেন্দি। উড়ে আসা বল বুক দিয়ে নামিয়ে সতীর্থ ডিফেন্ডার অ্যান্টনি রুডিগারকে পাস দিতে গিয়ে বলে পা ঠিকমতো লাগাতে পারেননি। এই সুযোগে বল কেড়ে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে গোল করে টানা দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক তুলে নেন বেনজেমা। শেষ ষোলো ফিরতি লেগে পিএসজির বিপক্ষেও হ্যাটট্রিক করেছিলেন। রোনালদো, লিওনেল মেসি ও লুইজ আদ্রিয়ানোর পর চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করলেন বেনজেমা। বিজ্ঞাপন দুই গোল ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও চেলসি হাল ছেড়ে দেয়নি। ৬৪ মিনিটে পুলিসিচের বদলি হয়ে নামা রোমেলু লুকাকু ম্যাচের শেষ দিকে গোলের দারুণ সুযোগ নষ্ট করেন। ৪-৩-৩ ফর্মেশনে রিয়ালকে খেলানো কোচ আনচেলত্তি ৭৪ মিনিটে টনি ক্রুসকে তুলে নিয়ে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গাকে মাঠে নামান। প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কাড়তে তাঁকে নামানোর সিদ্ধান্তটা কাজে লেগেছে রিয়ালের। ৮৬ মিনিটে গ্যারেথ বেলের বদলি হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় রিয়াল সমর্থকেরা উঠে দাঁড়িয়ে করতালি দেন বেনজেমাকে। বুধবার রিয়ালের মাঠে ফিরতি লেগ






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply