Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ভোটার তালিকা হালনাগাদের ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি টাকা




ভোটার তালিকা হালনাগাদের ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি টাকা

নির্বাচন ভবনের পুরোনো ছবি আগামী ২০ মে থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হবে। এ জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৬ কোটি ৬৪ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচির বাজেট ও ব্যয় প্রাক্কলন কমিটির সভার কার্যবিবরণী থেকে বিষয়টি জানা গেছে। ২০ মে শুরু করে আগামী ২০ নভেম্বর থেকে সারা দেশে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করবে ইসি। এতে ১৪০ উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে হালনাগাদ করা হবে ৯ জুলাই পর্যন্ত। এরপর আরও তিন ধাপে অন্যান্য উপজেলায় কার্যক্রমটি পরিচালনা করা হবে। ইসি সূত্র জানিয়েছে, এ ক্ষেত্রে সর্বশেষ হালনাগাদের চেয়ে এবার ২৬ কোটি টাকা বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে। সর্বশেষ বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ হয়েছিল ২০১৯ সালে। সে সময় ২০০৪ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেছেন, তাঁদের তথ্য নেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ সে সময়ও তিন বছরের তথ্য একসঙ্গে নেওয়া হয়েছিল; ব্যয় ধরা হয়েছিল ৮০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সূত্রটি জানিয়েছে, গতবারের সঙ্গে তুলনায় দেখা যায়, প্রায় একই সংখ্যক নাগরিকের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কার্যক্রম হাতে নিলেও এবার ২৬ কোটি টাকা বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে। তবে, এর পেছনে যুক্তি হিসেবে সব কিছুর দাম বৃদ্ধিকে দাঁড় করানো হচ্ছে। ইসি সূত্রে জানা গেছে, এবারের হালনাগাদে ভোটার বৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। অর্থাৎ, ৮৪ লাখ ৯৬ হাজার ৫২৬ জন ব্যক্তিকে হালনাগাদের অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে সংস্থাটি। এবারও গতবারের মতো তিন বছরের তথ্য একসঙ্গে নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাঁরা জন্মগ্রহণ করেছেন, তাঁদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের বয়স যখন ১৮ বছর পূর্ণ হবে, তখন তাঁরা স্বয়ংক্রিভাবে ভোটার তালিকায় ‍যুক্ত হবেন বলে ইসি সূত্রে জানা গেছে। ওই বছর হালনাগাদের সময় ৮০ লাখ নাগরিকের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে, লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ বেশি নাগরিকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। এতে ৯৯ লাখ ৬০ হাজারের মতো নাগরিক নিবন্ধন করা হয়েছিল। জানা গেছে, ভোটার তালিকা হালনাগাদে নিয়োগ করা হচ্ছে ৫৫ হাজার ২০০ জন তথ্য সংগ্রহকারী, ১২ হাজার সুপারভাইজার। এক্ষেত্রে দুই হাজার ৫০০ ভোটারের জন্য এক জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ১২ হাজার ৫০০ ভোটারের বিপরীতে এক জন সুপারভাইজার নিয়োগ করা হবে। এ ছাড়া এ তথ্য সার্ভারে এন্ট্রি করার জন্য ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, পরিবহন, সার্ভার পরিচালনা, নিবন্ধন কেন্দ্র পরিচালনা, আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের তদারকি, সমন্বয়-যোগাযোগ ও জ্বালানিখাত, টেকিনক্যাল সাপোর্ট ইত্যাদি খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়েছে ভোটার নিবন্ধন ও বিভিন্ন ভাতা খাতে। এতে ব্যয় হচ্ছে ৪৮ কোটি ৫৯ লাখ ৮১ হাজার ৯০০ টাকা। এ ছাড়া তথ্য সংগ্রহ খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৬ কোটি ৫৯ লাখ ২৫ হাজার টাকা। সমন্বয়, যোগাযোগ ও অন্যান্য খাতে ধরা হয়েছে অবশিষ্ট টাকা। ২০০৭-২০০৮ সালে ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রণয়নের পর এ পর্যন্ত ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে পাঁচ বার। ২০০৯-২০১০ সাল, ২০১২-২০১৩ সাল, ২০১৫-২০১৬ সাল, ২০১৭-২০১৮ সাল ও ২০১৯-২০২০ সালে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে ইসি। বর্তমানে ভোট আয়োজনকারী কর্তৃপক্ষটির তথ্য ভান্ডারে মোট ১১ কোটি ৩২ লাখ ৮৭ হাজার ১০ জন ভোটারের তথ্য রয়েছে। এঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটার পাঁচ কোটি ৭৬ লাখ ৮৯ হাজার ৫২৯ জন এবং নারী ভোটার পাঁচ কোটি ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ২৭ জন। হিজড়া ভোটার আছেন ৪৫৪ জন






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply