Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন ইওন সুক-ইওল




দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন সাবেক প্রসিকিউটর জেনারেল ইওন সুক-ইওল। মঙ্গলবার (১০ মে) প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন তিন। দায়িত্বশীল হিসেবে জাতিকে পুনর্গঠনের প্রতিশ্রুতি দেন ইওন সুক-ইওল। স্থানীয় সময় সকাল ১১টায় জাতীয় পরিষদে এই শপথ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এবং মৃত প্রাক্তন নেতাদের পরিবারের সদস্য, সংসদীয় ও সরকারী কর্মকর্তা, কূটনৈতিক দূত এবং আমন্ত্রিত অতিথিসহ প্রায় ৪১ হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী বক্তব্য কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণেরও আহ্বান জানান ইওন সুক-ইওল। আরও পড়ুন: ফিলিপিন্সে জয়ের দ্বারপ্রান্তে স্বৈরশাসকপুত্র মার্কোস সংলাপের আমন্ত্রণ জানিয়ে ইউন সুক-ইওল বলেন, পারমাণবিক হুমকির সমাধানের জন্য সংলাপের দরজা সবসময় খোলা। পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের ব্যাপারে উত্তর কোরিয়া যদি আন্তরিক হয়, তবেই শুধু তিনি তার প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং উত্তর কোরিয়াকে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। প্রেসিডেন্ট ইওন সুক-ইওল বলেন, দক্ষিণ কোরিয়াসহ অনেক দেশ বাণিজ্য শাসন, সশস্ত্র সংঘাত ও যুদ্ধ, রেকর্ড-নিম্ন প্রবৃদ্ধি, ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব, মেরুকরণ, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বসহ একাধিক সংকটের সম্মুখীন। এ সব থেকে দ্রুত উত্তরণের উপায় খুঁজে বের করতে হবে। নতুন প্রেসিডেন্ট ৫ বছরের মেয়াদ শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তি এবং দেশের স্বাধীনতার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, যে চ্যালেঞ্জগুলো সামনে রয়েছে তার মধ্যে স্বাধীনতা হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি নাগরিক এবং সমাজের প্রতিটি সদস্যকে স্বাধীনতা ভোগ করতে হবে। যদি কারো ব্যক্তি স্বাধীনতা লঙ্ঘন হয় তবে এতে দেশের স্বাধীনতার ওপর প্রভাব পড়বে। ইওন সুক-ইওল তিনি তার উদ্বোধনী ভাষণে স্বাধীনতাকে এতোটাই গুরুত্ব দিয়েছেন যে, ‘স্বাধীনতা’ শব্দটিকে ৩৫ বার উল্লেখ করেছেন। ইওন বলেন, ক্ষুধা, দারিদ্র্য, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং সশস্ত্র সংঘাত আমাদের ব্যক্তি স্বাধীনতা কেড়ে নেয় এবং আমাদের সুখের অন্বেষণের অবিচ্ছেদ্য অধিকার কেড়ে নেয়। আমরা বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে যারা প্রকৃত স্বাধীনতা উপভোগ করি, স্বাধীনতার ওপর হামলা হলে তা কখনোই মেনে নেওয়া হবে না। ইওন বিশ্বাস করেন বিভাজন এবং সামাজিক দ্বন্দ্ব কোরিয়ান সমাজকে জর্জরিত করছে এবং স্বাধীনতা ও উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাও হুমকির মুখে পড়েছে। দ্রুত এখান থেকে কাটিয়ে উঠবে বলে বিশ্বাস করেন প্রেসিডেন্ট ইওন। আরও পড়ুন: আবারও বেইজিং-তাইপে উত্তেজনা তিনি বলেন, সামাজিক গতিশীলতার উন্নতির মাধ্যমে আমাদের সামাজিক বিভাজন এবং মৌলিক বাধাগুলো থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর ভোজসভায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রেসিডেন্ট ইউন ও ফার্স্ট লেডি কিম কুন-হি, জাতীয় পরিষদের স্পিকার পার্ক বায়ং-সিওক, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কিম মিউং-সু, সাংবিধানিক আদালতের প্রেসিডেন্ট ইউ নাম-সিওক, প্রধানমন্ত্রী কিম বু-গিওমসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply