Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » শিক্ষায় ডিজিটাল রূপান্তরের চেয়ে ভাল কাজ হতে পারে না: টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী




ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, শিক্ষায় ডিজিটাল রূপান্তরের চেয়ে ভালো কাজ হতে পারে না। শিক্ষায় ডিজিটাল রূপান্তরে ১৯৮৭ সাল থেকে দীর্ঘ পথচলায় নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েও শিশু শিক্ষার জন্য সফটওয়্যার বানিয়েছি। ২০০৮ সাল পর্যন্ত বারবার ব্যর্থ হয়েছি। শ শুক্রবার (১৭ জুন) ঢাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২২ জন শিক্ষককে টেলিযোগাযোগ অধিদফতর এবং টেলিফোন শিল্প সংস্থার সহযোগিতায় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, শিক্ষায় কম্পিউটার ব্যবহার ধারণাটা আমার আবিষ্কার নয়। ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে কম্পিউটার ব্যবহার করে পাঠদান আমাকে দেখায়। সেই ধারণাকে বাস্তবায়ন করার বড় চ্যালেঞ্জ ছিল আমাদের পাঠ্যবইকে ডিজিটাল উপাত্তে রূপান্তর করা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সাল থেকে গত তের বছরে হাঁটি হাঁটি পা পা করে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ্যক্রম ডিজিটালে রূপান্তরে সক্ষম হয়েছি। বিশ্বে এ ধরনের ডিজিটাল উপাত্ত তৈরি করা এটাই প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র। করোনাকালে ডিজিটাল প্রযুক্তির সুফল কাজে লাগিয়ে দেশের মানুষের জীবনযাত্রা সচল রাখতে সরকার গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে মোস্তাফা জব্বার বলেন, আগামী সভ্যতা গড়ে উঠবে ডিজিটাল সংযুক্তির ওপর। প্রচলিত শিক্ষা ডিজিটাল শিক্ষায় রূপান্তর না হলে কঠিন চ্যালেঞ্জ আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি আমাদের এগিয়ে যাওয়ার চালিকাশক্তি। করোনাকালে উন্নত দুনিয়ার তুলনায় আমাদের ভালো করার মূল মন্ত্রটি ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি। বিএসসিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডিজিটাল কনটেন্টবিষয়ক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিজয় ডিজিটাল এর সিইও জেসমিন জুঁই। এ সময় উপস্থিত ছিলেন টেলিযোগাযোগ অধিদফতরের মহাপরিচালক মশিউর রহমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের যুগ্ম সচিব রাশেদা ফেরদৌস প্রমুখ। এ দিন বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি তহবিল থেকে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫০টি শ্রেণিকক্ষ ডিজিটাইজ করার লক্ষ্যে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষের জন্য একটি করে মাল্টিমিডিয়া এনড্রয়েড টিভি, একটি করে ট্যাব ও ডিজিটাল কন্টেন্ট দেয়া হয়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply