Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » মঞ্চে ফিরছেন পঙ্কজ উদাস




মঞ্চে ফিরছেন পঙ্কজ উদাস ৪০ বছর অগণিত শ্রোতা পঙ্কজ উদাসের গানে মজেছেন। সেই পঙ্কজ উদাস আজ নিজেই খুঁজে পেতে চান হারানো দিনের পুরোনো স্বাদ। সংগীতজীবনের ৪০ বছরকে ফিরে দেখা। তারই উদ্‌যাপন।

ফেলে আসা সোনালি দিনগুলোকে ছুঁয়ে দেখতে ৩২ বছর আগে যে মঞ্চে যাত্রা শুরু, তাকেই আবার বেছে নিলেন গজল কিংবদন্তি পঙ্কজ উদাস। স্মৃতির সরণি ধরে চলতে ভালোবাসেন পঙ্কজ। তাই ‘মহাদেবী কালিদাস নাট্যমন্দির’ আজও তার স্মৃতিতে অমলিন। পুরোনো দিনের কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ শিল্পী। ‘৮০-র দশকের প্রথম দিকের কথা। অনুষ্ঠান করা নিয়ে আমি একটা নিয়মে চলতে চেয়েছিলাম। তাই ঠিক করি, বছরজুড়ে সপ্তাহ শেষে তিনটে করে গানের অনুষ্ঠান করব। মুম্বাই শহরের কেন্দ্রে তখন অনুষ্ঠানমঞ্চ কম। শিল্পীদের জন্য একটা ভালো মঞ্চের প্রয়োজন ছিল খুবই। ঠিক এ সময়েই মালাডে ‘মহাদেবী কালিদাস নাট্যমন্দির’ তৈরি হয়। শিল্পীদের কাছে এটা বড় প্রাপ্তি ছিল। সপ্তাহান্তে এই মঞ্চে অনুষ্ঠান করা আমার অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। আমার গানের অ্যালবাম ‘রুবায়ি’ এ মঞ্চেই প্রকাশ করি,’ বলছিলেন পঙ্কজ উদাস। অনুষ্ঠান, অ্যালবাম, ছবির গানে ৮০-র দশককে মুগ্ধ করেছেন পঙ্কজ। ‘চান্দি জ্যায়সা রং’, ‘না কাজরে কি ধার’, ‘দিওয়ারো সে মিল কর রোনা’, ‘আহিস্তা’, ‘থোড়ি থোড়ি প্যার করো’, নিকলো না বেনাকাব’—পঙ্কজ উদাসের গাওয়া অসাধারণ সব গজল আজও শ্রোতাদের মনের রসদ। ‘নশা’, ‘পয়মানা’, ‘হসরত’, ‘হামসফর’-এর মতো বেশ কয়েকটি বিখ্যাত অ্যালবামও রয়েছে তার ঝুলিতে। আজ এত বছর পর সেই মঞ্চের কথাই বারবার ফিরে আসছে পঙ্কজের স্মৃতিতে। সপ্তাহ শেষের সেই দিনগুলোয় ফিরে যাওয়ার চিঠি পেয়েছেন তিনি। যাত্রা শুরুর মঞ্চ তাকে কতটা তৃপ্ত করবে? গজলশিল্পীর উত্তর, ‘কালিদাস মঞ্চে আমার সংগীতজীবনের ৪০ বছর উদ্‌যাপন করা উচিত, এটা আমার মনে হয়েছিল। প্রিয় মঞ্চ থেকে আমি এত দিন দূরে ছিলাম, এটা আমার দুর্ভাগ্য।’ এ মঞ্চেই একসময় শ্রোতাদের সঙ্গে কথা ও গানের আবেগে ভাসতেন শিল্পী, সেই রঙিন দিনগুলোকেই আবার জড়িয়ে ধরতে চান ৭১ বছরের ‘গজল কিং’। সূত্র: আনন্দবাজার






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply