Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » কুসিক নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নৌকার বিজয়




কুসিক নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে নৌকার বিজয় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত। তিনি পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩১০ ভোট। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পার হতে হয়েছে নৌকার এই প্রার্থীকে। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন গত দুইবারের মেয়র স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। তিনি পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট। শেষমেশ বেসরকারিভাবে ৩৪৩ ভোটে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় রিফাতকে। আজ বুধবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে ৪টা পর্যন্ত ইভিএমে চলে এই ভোটগ্রহণ। এবার কুসিক নির্বাচনে পাঁচজন মেয়র পদপ্রার্থী, ৯টি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী এবং ২৫টি ওয়ার্ডে ১০৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে দুটি ওয়ার্ড ৫ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডে একক প্রার্থী থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতা দুজন কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। বেসরকারি ফলাফল বলছে—আওয়ামী লীগ থেকে মনোনীত মেয়র প্রার্থী আরফানুল হক নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৫০ হাজার ৩১০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি মনিরুল হক সাক্কু ঘড়ি প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৯৬৭ ভোট। সে হিসেবে ৩৪৩ ভোটে বিজয়ী হলেন রিফাত। গতকাল মঙ্গলবার কুমিল্লা জিলা স্কুলের শহীদ আবু জাহিদ মিলনায়তন থেকে কেন্দ্রে-কেন্দ্রে ইভিএম বিতরণ করা হয়। ১০৫টি ভোট কেন্দ্রে নিয়োগকৃত ১০৫ জন প্রিজাইডিং অফিসারের মাধ্যমে চলে ভোটগ্রহণের সরঞ্জামাদি বিতরণ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী। এরপর আজ বুধবার সকাল ৮টা থেকে ভোট শুরু হয়। ছোটখাট অভিযোগ থাকলেও বড় কোনো হতাহতের ঘটনার ছিল না। এবারের কুমিল্লায় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার নির্বাচনকে ঘিরে কেন্দ্র দখল কিংবা পেশি শক্তির ব্যবহারসহ কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা সহিংসতা যাতে ঘটতে না পারে, সেজন্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চার সহস্রাধিক সদস্য মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে পুরো সিটিকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেওয়া হয়। সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সুষ্ঠু শান্তিপূর্ণ অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জেলায় এক হাজার ২৬০ জন আনসারসহ তিন হাজার ৬০৮ জন পুলিশ সদস্য নিয়োগ করা হয়। জেলা পুলিশ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৭৫টি চেক পোস্ট, স্ট্রাইকিং ফোর্স, ৫০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নয়জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১৫ প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাব নিয়োগ করা হয়। সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে এক লাখ ১৭ হাজার ৯২ জন মহিলা ভোটারসহ দুই লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন ভোটার আছেন। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ১০৫টি কেন্দ্রের ৬৪০টি ভোট কক্ষে ভোটগ্রহণ চলে






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply