Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » গুনি শিক্ষাবিদ কিন্তু মেহেরপুর মহকুমার রাজাকার সভাপতি ঘৃনিত সাবদার আলী




মহসিন আলী আঙ্গুর// ১৯৭১’এর নয় মাস মুক্তিযুদ্ধে মেহেরপুর মহকুমার রাজাকার সভাপতি ঘৃনিত সাবদার আলী// সাবদার আলী ’৭১’ মেহেরপুরে শত শত মুক্তিযোদ্ধা হত্যা ও নির্যাাতনের গোপন খবর আমাদের অজানা নেই ।সেই সব অজানা কাহিনী আমারা জানিয়েছি।যদি জনমানুষ পাঠক যা জেনে গর্বিত ও শিহরিত হবেন। ’৭১’ এর মুক্তিযৌদ্ধে পাকবাহিনী ও তাদের দোষরা মুক্তিকামী মানুষকে নির্যাতন করে হত্যায় মেতে উঠেছিল । মুক্তিকামী মানুষকে চড় দেয়া,মোচড় দেয়া,চুল টানা ,বেত্রাঘাত করা,ধর্ষণ করা,ঘুষি মারা, গোঁফ টানা, লিঙ্গের লোমকুপ টেনে বেহুশ করা অমানবিক নির্যাতনের জন্য যত কুখ্যাতি অর্জন করেছিল। সেই সময়ের মেহেরপুর মহকুমার পিচ কমিটির (রাজাকার) সভাপতি সাবদার আলীর নেতৃত্বে মেহেরপুরের আলবদর বাহিনী, আলসামস বাহিনী ও রাজাকার সন্তানেরা সেই সময়ের লুটের টাকায় এখন তাদের প্রেতাত্বারা কিভাবে সফল হয়ে ওঠেছেন মেহেরপুরে।তারা নিজেকে ছাপিয়ে পরিণত হয়েছে রাজনৈতিক নেতা।কি করে তৈরী করেছেন ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান । কিভাবে মানুষের সম্পদ লুট করেছিল সেই কাহিনী মেহেরপুরবাসী কম/বেশী জানে। মেহেরপুর পৌরসভা সাবদার আলী একটি মার্কেট স্থাপন করেছেন।যা মেহেরপুর বাসীর জন্য লজ্জাজনক এবং ৩০ লাখ শহীদ পরিবারকে অবমাননা করেছে । মুক্তিযুদ্ধর আগে পাকিস্থান আমলের গুনি শিক্ষাবিদ সাবদার আলী ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও মুসলিম লীগ নেতা। ১৯০৭ সালে সেই সময়ের নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার গরিবপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। মেহেরপুর জেলার শিক্ষা উন্নয়নে ছাবদার আলী ছিলেন অবিচল। তিনি মেহেরপুরে বেশ কয়েটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাতা করেন। এছাড়াও তিনি ম্যজিষ্ট্রেট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি শ্যমনগর হাইস্কুলে অষ্টম শ্রেণী প্রর্যন্তলেখাপাড়া করেন। পরে এন্ট্রাস পরীক্ষায় তিনটি বিষয়ে লেটার সহ ১৯২৪ সালে প্রথম বিভাগে কৃতিত্বের সাথে পাশ করেন। ১৯২৮ সালের দিকে তিনি কৃঞ্চনগর কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন।

কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ এবং এলএলবি শেষ বর্ষের ছাত্র থাকা অবস্থায় তার স্ত্রী মারা গেলে তিনি সহিদা খাতুনকে ২য় বিবাহ করেন। পরে তিনি বুড়িপোতা গ্রামে স্থায়ী ভাবে বসবাসের জন্য নিজ গ্রাম ছেড়ে আসেন। এরপর শুরু হয় কর্ম জীবন। ১৯৩৩ সালে বুড়িপোতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মনোনীত হন। ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৪৭ সালের দেশ বিভক্তির পূর্ব প্রর্যন্ত মেহেরপুর কোর্টে অবৈতনিক ম্যজিষ্ট্রেট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৪ সালে তৎকালিন বেঙ্গল গভর্মেন্টের কাছে শ্রেষ্ঠ অবৈতনিক ম্যজিষ্ট্রেট হিসাবে স্বর্ণপদক পুরস্কারে ভূষিত হন। পাকিস্থান সৃষ্টির পর ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত তিনি এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্তির পর পর মেহেরপুরের শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে একটি অচল অবস্থা চলতে থাকে। ১৯৫০ সালের মে মাসে সাবদার আলী মেহেরপুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার গ্রহন করেন। হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার পেছনে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন। অপর দিকে তৎকালীন রিপন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৮ সালে মেহেরপুর হাইস্কুল সরকারি করনের পূর্ব পর্যন্ত তিনি এখানে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। হাইস্কুল সরকারি করনের ফলে দরিদ্র ছাত্রদের অধ্যয়নের জন্য মাধ্যমিক পর্যায়ে কবি নজরুল শিক্ষা মঞ্জিল প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭০ সালের প্রথম দিক পর্যন্ত তিনি এই হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকতা জীবনে প্রবেশের পূর্বে ১৯৪৪ সালে তিনি মেহেরপুর মুসলিম পৌরফান্ড গঠন করেন। মুসলিম গরিব মেধাবি ছাত্র-ছাত্রীদের আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হতো ঐ ফান্ড থেকে। সাবদার আলী একজন ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন কৃতি শিক্ষাবিদই ছিলেনা। তিনি একজন রাজনীতিবিদও। ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি মুসলিম লীগের মেহেরপুর জেলা সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এবং পাকিস্থান মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মেহেরপুর আসনে মুসলিম লীগের প্রার্থী হয়ে অল্প ভোটের ব্যবধারে পরাজিত হন। ১৯৮৩ সালের ৩০ অক্টোবর তিনি ইন্তেকাল করেন। মেহেরপুর জেলা শহরে ছাবদার আলী স্মৃতি সংসদ জেলার কৃতি শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর পুরুস্কার বিতরন করেন ২০০২ সাল পর্যন্ত। বর্তমানে ঐ অর্থ সংকটে তা বন্ধ করে দিয়েছে। মেহেরপুর পৌরসভা তার নামে একটি মার্কেট স্থাপন করেছেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply