Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » মেহেরপুরের গণমানুষের প্রিয় নেতা তিন বারের নির্বাচিত সাবেক এমপি আহম্মদ আলী




মহসীন আলী আঙ্গুঁর//

জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম ও স্বদেশ স্বাধীনতার বীর যোদ্ধা,ভাষা সংগঠক, গণমানুষের প্রিয় নেতা সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম আহম্মদ আলী ।আহম্মদ আলী (১৯৩৫-১৯৯৯) ঃ বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সমাজ সেবক। এদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) মরহুম আহম্মদ আলী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি মেহেরপুর-১ আসন থেকে ৩ বার এমপি নির্বাচিত হন।তিনি মেহেরপুর জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন। ১৯৭৯ সালে কুষ্টিয়া-১ আসন থেকে তিনি সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরবর্তীতে, তিনি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মেহেরপুর-১ আসন থেকে সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও মেহেরপুর-১ আসনের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি ১৯৩৫ সালের ১৪ই এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম মরহুম তমিজউদ্দিন আহমেদ। দেশ বিভাগের পর তিনি মেহেরপুরের কাঁসারীপাড়ায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। ১৯৫৪ সালে ভাসানী-সোহরাওয়ার্দী’র নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে চট্টগ্রামে ছাত্র-কর্মী শিবিবের আহবায়ক ছিলেন। ১৯৫৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের যুগ্ম আহবায়ক নির্বাচিত হন। এই বছরই তিনি বি.এ পাশ করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ শেষ বর্ষে অধ্যয়নকালে মওলানা ভাসানীর ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি’তে যোগদান করেন এবং সফলতার সাথে এম.এ ডিগ্রী অর্জন করেন। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার সাধারণ সম্পাদক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ‘৬৮-৬৯ সালে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর (ন্যাপ) গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অন্যতম সংগঠক ছিলেন। এসময় আইযুব বিরোধী গণ-আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের এক পর্যায়ে তিনি গ্রেফতার হন। ১৯৭১ সালে তিনি ভারতে চলে যান এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি মেহেরপুর বণিক সমিতির সভাপতি ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি অত্যন্ত সাদামাটা জীবন যাপন করতেন। তৎকালীন ইউপিপি রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। তিনি পরবর্তীতে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হন। ১৯৭৯ সাল থেকে পরবর্তী পর্যায়ে তিনি জাতীয় সংসদের মেহেরপুর -১ আসন থেকে ৩ বার এমপি নির্বাচিত হন। ৯ই ফেব্র“য়ারী ১৯৯৯ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে তিনি এমপি হোষ্টেলে জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়লে ঢাকা ডায়াবেটিস হাসপাতালে ভর্তি হন। ৪ দিন অচৈতন্য থাকার পর তিনি ১৩ ফেব্র“য়ারী ১৯৯৯ শনিবার ঢাকার বারডেম হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। এ অঞ্চলের উন্নয়নে তার ভূমিকা বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply