Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » "খাসোগজির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছি, তবে অন্য বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে" - সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদের সাথে বৈঠকের পর বললেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন




"খাসোগজির প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছি, তবে অন্য বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে" - সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদের সাথে বৈঠকের পর বললেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন জেদ্দায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক বৈঠক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন যে তিনি সৌদি আরব সফরের সময় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সাথে বৈঠকে সাংবাদিক জামাল খাসোগজি হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি উত্থাপন করেছেন। সৌদি-মার্কিন সম্পর্ক পুনর্গঠনের জন্য শুক্রবার জেদ্দায় যান মি. বাইডেন - যিনি এর আগে মানবাধিকার রেকর্ডের কারণে সৌদি আরবকে আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে করার অঙ্গীকার করেছিলেন। জেদ্দায় আল-সালাম প্রাসাদে যুবরাজ মোহাম্মদের সাথে বৈঠকের পর মি. বাইডেন বলেন, তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে ২০১৮ সালের ওই হত্যাকাণ্ডটি "আমার এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ"। তবে তিনি একথাও বলেন যে দুই দেশ "অন্যান্য বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে।" তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে ২০১৮ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক সৌদি ভিন্নমতাবলম্বী সাংবাদিক খাসোগজিকে হত্যার পর মি. বাইডেনের এই সফরটি 'সৌদি সরকারকে বৈধতা দান' হিসাবে সমালোচিত হয়েছেমার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ খাসোগজি হত্যাকাণ্ডের অনুমোদন দেয়ার জন্য সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে অভিযুক্ত করেছে। যদিও মোহাম্মদ বিন সালমান এই অভিযোগ বরাবর অস্বীকার করে আসছেন এবং সৌদি কৌঁসুলিরা হত্যাকাণ্ডের জন্য 'উগ্র' সৌদি এজেন্টদের দায়ী করেছেন। শুক্রবারের বৈঠকের পর এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মি. বাইডেন বলেন, "খাসোগজি হত্যাকাণ্ডের কথা মাথায় রেখে, আমি এ প্রসঙ্গ বৈঠকের শুরুতেই উত্থাপন করেছি। আমি এটি স্পষ্ট করে জানিয়েছি যে আমি তখন এটি সম্পর্কে কী ভেবেছিলাম এবং এখন আমি কী ভাবি।" "আমি সোজাসুজি বলেছি যে মানবাধিকারের ইস্যুতে একজন আমেরিকান প্রেসিডেন্টের নীরব থাকা আমি এবং আমাদের পরিচয়ের সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। আমি সবসময় আমাদের মূল্যবোধের পক্ষে দাঁড়াবো," বলেন মি. বাইডেন। মি. বাইডেন বলেন, সৌদি যুবরাজ দাবি করেছেন যে জামাল খাসোগজির মৃত্যুর জন্য তিনি 'ব্যক্তিগতভাবে দায়ী নন' - বলা হয় বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের এক রিপোর্টে। জবাবে প্রেসিডেন্ট বলেন, "আমি ইঙ্গিত দেই যে আমি তাকে দায়ী মনে করি" - বলা হয় এপির রিপোর্টে।বৈঠকের আগে মি. বাইডেন ও যুবরাজ মোহাম্মদ পরস্পরের মুষ্টিবদ্ধ হাত ঠোকাঠুকি করে স্বাগত জানাচ্ছেন এমন ছবি প্রকাশিত হয় - যা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আপাতদৃষ্টিতে উষ্ণ হবার ইঙ্গিত দেয়। তবে খাসোগজির বাগদত্তা হেতিস চেঙ্গিজ মার্কিন প্রেসিডেন্টের ওই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন। দু'জনের ছবি টুইট করে এ নিয়ে মি. খাসোগজির একটি কল্পিত উক্তি হিসেবে হাতিস চেঙ্গিজ লেখেন, "আমার হত্যাকাণ্ডের এই জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতিই কি আপনি আমাকে দিয়েছিলেন? এমবিএসের পরবর্তী শিকার যে হবে তার রক্ত আপনার হাতে লেগে রয়েছে।" এদিকে, ওয়াশিংটন পোস্টের প্রকাশক এবং প্রধান নির্বাহী ফ্রেড রায়ান বলেছেন, "প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যেকার এই 'ফিস্ট বাম্প' একটি হ্যান্ডশেকের চেয়েও খারাপ ছিল - এটি ছিল লজ্জাজনক। এটি ঘনিষ্ঠতার এমন একটি স্তর প্রকাশ করে যা এমবিএসকে অযাচিতভাবে সেই দায়মুক্তি দিয়েছে - যা পেতে সে মরিয়া হয়ে উঠেছিল।" খাসোগজি ওয়াশিংটন পোস্টের একজন কলামিস্ট ছিলেন। তবে মার্কিন কংগ্রেসের একজন ডেমোক্রেট সদস্য ব্র্যাড শেরম্যান প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিবিসিকে বলেন, সৌদি আরব তেল সরবরাহ বাড়ালে তা মানুষের জীবন বাঁচাবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply