Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ৭ বছর পর নির্দোষ প্রমাণিত হলেন ব্ল্যাটার-প্লাতিনি




৭ বছর পর নির্দোষ প্রমাণিত হলেন ব্ল্যাটার-প্লাতিনি

২০১১ সালে সেফ ব্ল্যাটার ফিফার প্রধান থাকাকালীন মিশেল প্লাতিনিকে ১৬ লাখ ইউরো দেওয়ায় ‘অনৈতিক অর্থপ্রদানের’ অভিযোগে অভিযুক্ত হোন দুইজনেই। যার জন্য ২০১৫ সালে ফিফার সাবেক প্রেসিডেন্ট ব্ল্যাটার এবং উয়েফার সাবেক প্রধান প্লাতিনিকে ৮ বছরের জন্য ফুটবল সংক্রান্ত সকল কর্মকাণ্ড থেকে নিষিদ্ধ করা হয়। ২০১৫ সাল থেকে ৭ বছর কেটে যাওয়ার পর জানা গেল, সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে কোনো দোষই নেই ব্ল্যাটার কিংবা প্লাতিনির। বরং সেই অর্থ প্লাতিনির প্রাপ্য ছিল। বেতন বাবদ ফিফা থেকে সেই অর্থ পেতেন ফরাসি ফুটবলের কিংবদন্তি প্লাতিনি। এমনই তথ্য প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি। ‘আমি আমার জীবনের পথে নিষ্পাপ নই তবে এটুক বলতে পারি এই অভিযোগের ক্ষেত্রে আমি নিষ্পাপ।’- প্লাতিনির সঙ্গে অনৈতিক লেনদেনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শুনানিতে গেলে এভাবেই নিজের মত প্রকাশ করেন ব্ল্যাটার। অবশেষে জানা গেল, সেটিই সত্য। ফলে ৮৬ বছর বয়সী ব্ল্যাটার এবং ৬৭ বছর বয়সী প্লাতিনি দীর্ঘ ৭ বছর পর অহেতুক অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন। বিবিসি নিজেদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্লাতিনি এবং ব্ল্যাটারের মধ্যে আর্থিক লেনদেন হয়েছে এটা সত্য। তবে এই অর্থ প্রাপ্য ছিল প্লাতিনির। ১৯৯৮ সালে সেফ ব্ল্যাটার ফিফা প্রধানের দায়িত্ব পেলে উপদেষ্ট্রা হিসেবে প্লাতিনিকে ফিফায় কাজ করার আহবান জানান। সেই মুহূর্তে এই দায়িত্ব পালনের জন্য প্লাতিনি প্রতি বছরের জন্য ৮ লাখ ইউরোর বেশি দাবি করেন। তবে ব্ল্যাটার জানিয়েছেন, ফিফার পক্ষে এত অর্থ দেওয়া সম্ভব না। পরবর্তীতে দুই পক্ষ প্রায় আড়াই লাখ ইউরোতে রাজি হোন। চার বছরের চাকরি শেষে সেই সময় ফিফা থেকে প্রাপ্য অর্থ নেননি প্লাতিনি। ২০১০ সালের পর সেই অর্থ চাইলে ব্ল্যাটার সেটি পরিশোধ করেন প্লাতিনিকে। ২০১১ সালের জানুয়ারিতে সেই অর্থ যায় প্লাতিনির অ্যাকাউন্টে। পরবর্তীতে এটি নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ আসে দুইজনের বিরুদ্ধে। ব্ল্যাটার এই ইস্যুতে বলেন, ‘আমি যখন প্লাতিনিকে কাজ করতে বলি, তখনও বিষয়টি নিয়ে আমরা খুব বেশি আলোচনা করিনি। এটা দুইজন স্পোর্টসব্যক্তিত্বের মধ্যে চুক্তি ছিল। এখানে অন্য কোনো দোষ আমি দেখি না।’ এদিকে লম্বা সময় পর টাকা পাওয়া নিয়ে প্লাতিনি বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্টকে বিশ্বাস করতাম। আমি জানতাম, একদিন না একদিন তিনি আমাকে প্রাপ্য অর্থ বুঝিয়ে দেবেন। আমি যখন চাকরি থেকে সরে যাই, তখন আমার অর্থ লাগতো না বলে আমি চাইনি।’






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply