Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » জ্বালানি সংকটে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে জার্মানি




জার্মানিসহ ইউরোপের বেশির ভাগ দেশই আসন্ন শীত মৌসুমকে ঘিরে জ্বালানি সংকট নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তবে সংকট সমাধানে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দেয়াসহ ভ্যাটের হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মান প্রশাসন। যদিও এমন সংকটে পশ্চিমা বিশ্ব তাদের জনগণের আস্থা হারাবে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই জার্মানিসহ গোটা ইউরোপে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না জ্বালানি তেল, গ্যাস, কয়লা কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিপত্রের দাম। এতে সবচেয়ে নাজুক পরিস্থিতিতে পড়েছেন স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষ। সিএনবিসির খবর। এ অবস্থায় পশ্চিমা বিশ্বের দেশেগুলোর মতো জার্মানির শলজ প্রশাসনও জ্বালানি ও গণপরিবহন খাতে ভর্তুকি দেয়ার পাশাপাশি ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বৃহৎ শিল্পের ব্যবসায়ীদের জন্য ঘোষণা করে নতুন প্যাকেজ। এবার দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির লাগাম টেনে ধরতে নতুন করে ভ্যাটের হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মান সরকার। প্রচলিত ১৯ শতাংশ থেকে করের হার ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছেন জার্মান চ্যান্সেলর শলজ। তবে শীতের আগেই জার্মানিতে গ্যাসের মজুত ৮৫ শতাংশ করার কথা থাকলেও তা অনেকটাই ‌অসম্ভব বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। সংকট সমাধানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ গৃহস্থালিতে গ্যাস ও বিদুতের সাশ্রয়ে শলজ সরকারের আহ্বানকে দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে অপরিপক্বতা বলে মন্তব্য করছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই। গ্যাস বাঁচাতে সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের দেশগুলোকে কয়লার ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে। তবে জার্মানির রাইনসহ গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোতে পানি কমে যাওয়ায় নৌপথে কয়লা পরিবহনও বন্ধ হওয়ার পথে। এরই মধ্যে ইউরোপিয়ান এনার্জি এক্সচেঞ্জে জার্মানির আগামী বছরের প্রতি মেগাওয়াট বিদ্যুতের দাম ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৪২০ ইউরোতে পৌঁছানোর আভাস পাওয়া যাচ্ছে, যা আগের দামের তুলনায় ৫ গুণ বেশি। আরও পড়ুন: জার্মানিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সময়ের অবিস্ফোরিত গোলাবারুদের সন্ধান এদিকে জার্মানিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আশঙ্কাজনক হারে কমে গেছে বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনও। তাই বিদ্যুতের জন্য দেশগুলোর জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর কেন্দ্রের ওপর নির্ভরতাও বেড়েছে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি। এ অবস্থায় জার্মানি ও ফ্রান্সের মতো দেশে পুরোনো পরমাণু শক্তিনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আবারও চালু না করলে সংকট আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply