Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ত্যাগীদের দিয়ে তৃণমূল সাজানোর নির্দেশনা




জাতীয় সম্মেলন ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূলে সব ধরনের দলীয় কোন্দল নিরসন করে সংগঠনকে শক্তিশালী করার নির্দেশনা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ডিসেম্বরের মধ্যে ওয়ার্ড থেকে শুরু করে ইউনিয়ন, থানা, পৌর, উপজেলা, মহানগর ও জেলা কমিটি ঢেলে সাজানোর কাজ শেষ করার নির্দেশনাও দিয়েছেন তিনি। প্রতিটি ইউনিটে ব্যাপক হারে সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করতে বলেছেন। এক্ষেত্রে কোনো অনুপ্রবেশকারী যেন দলে যেন ঠাঁই না পায়। একইসঙ্গে কোনো পক্ষপাতিত্ব না করে দুর্দিনের ত্যাগী কর্মীরা যেন পূর্ণাঙ্গ কমিটি থেকে বাদ না যান, তাও নিশ্চিতের নির্দেশনা দিয়েছেন শেখ হাসিনা। গণভবনে রোববার আওয়ামী লীগের আট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকদের সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বৈঠকে সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, মির্জা আজম, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, এসএম কামাল হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন শফিক ও শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল উপস্থিত ছিলেন। সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হওয়া এ বৈঠক চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। সাংগঠনিক সম্পাদকরা নিজ নিজ বিভাগের সাংগঠনিক রিপোর্ট লিখিত আকারে দলীয় সভাপতির কাছে উপস্থাপন করেন। সাংগঠনিক সম্পাদকদের বক্তব্য শোনেন দলীয় প্রধান। তারা নিজ বিভাগের বিভিন্ন সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। দলীয় সভাপতি এসব সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানও দেন। জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন বলেন, বৈঠকে শুধু সাংগঠনিক নির্দেশনা পেয়েছি। দল গতিশীল করা, সদস্য সংগ্রহ করা এবং সম্মেলন করা। জেলার নেতাদের কবে গণভবনে ডাকা নিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আলাপ হয়েছে। তবে কবে ডাকা হবে তা চূড়ান্ত করা হয়নি। এবার গণভবনে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যন্ত ডাকা হতে পারে বলেও জানান তিনি। উপস্থিত একাধিক নেতা জানান, ডিসেম্বরে দলের জাতীয় সম্মেলন-এটি মাথায় রেখেই সংগঠনের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। দলের পোড় খাওয়া ও দীর্ঘদিন ধরে দলের রাজনীতির সঙ্গে আছেন-এ ধরনের মানুষকে যেন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করা হয়। তেলের মূল্য বৃদ্ধি নিয়েও আলোচনা হয়। আমেরিকার গ্যাস উত্তোলন চুক্তি দল নাকচ করেছিল। সেই কারণে ২০০১ সালে দল ক্ষমতায় আসতে পারেনি। সেই বিষয়েও আলোচনা হয়। সরকারের অর্জন দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। দ্রব্যমূল্য ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিরোধী দলগুলো আন্দোলন-সমাবেশ করলে তার কাউন্টার (পালটা) কিছু না করার নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। তিনি বলেন, কেউ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি করলে বাধা দেওয়া যাবে না। নির্বাচনের পূর্বে বিরোধী দল উসকানি দিয়ে থাকে। সেখানে পা দেওয়া যাবে না। দলের নেতা, দলীয় জনপ্রতিনিধিসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মানুষের কাছে যেতে বলা হয়েছে। আন্দোলনের নামে বাড়াবাড়ি জনদুর্ভোগ বাড়াবে এটা তাদের বোঝা উচিত : সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাপী চলমান মন্দার কথা তুলে ধরে বলেন, এ নিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় দেশে বিরোধীদের আন্দোলন হতে পারে, কিন্তু বাড়াবাড়ি দেশের ক্ষতির পাশাপাশি মানুষের কষ্ট বাড়াবে সেটি তাদেরও বোঝা উচিত। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সামর্থ্য তার সরকারের রয়েছে জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, তারা আন্দোলন (বিএনপি) করে কতটুকু সফল হবে জানি না কিন্তু তারা যেভাবে করতে চাচ্ছে তাতে দেশের আরও ক্ষতি হবে। কিন্তু সেটা আমরা সামাল দিতে পারব, সেই বিশ্বাস আমার আছে। তিনি বলেন, বিরোধী দল একটা সুযোগ পাচ্ছে, তারা আন্দোলন করবে, করুক। আমি আজকেও নির্দেশ দিয়েছি খবরদার যারা আন্দোলন করছে তাদের কাউকে যেন গ্রেফতার করা না হয় বা ডিসটার্ব করা না হয়। তারা প্রধানমন্ত্রীর অফিসও ঘেরাও দেবে, আমি বলেছি হ্যাঁ আসতে দেব। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন শুরু হলে বিদ্যুতের এই সমস্যা অনেকটা দূর হয়ে যাবে। আর যখনই বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমবে তখনই অ্যাডজাস্ট করার নির্দেশ রয়েছে। হয়তো আর কিছুদিন কষ্ট করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী উৎপাদন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, করোনা যেতে না যেতেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে স্যাংশন (অবরোধ) ও পালটা স্যাংশন সর্বনাশ ডেকে আনছে, এর ভুক্তভোগী বিশ্বের সাধারণ মানুষ। ইউরোপ এমনকি আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া-প্রতিটি মহাদেশের মানুষেরই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সব জিনিসের ওপরই এর একটা প্রভাব পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কিছু লোক তো থাকেই ওই ছুতা ধরে অপ্রয়োজনেও জিনিসের দাম বাড়িয়ে দেয়। সেটাই হচ্ছে কিছু কিছু। না হলে এত দাম তো বাড়ার কথা নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্যাংশন দিয়ে লাভটা কি হলো? বাস্তবিক যদি লাভ কারও হয় তাহলে সেটা আমেরিকা এবং রাশিয়ারই হয়েছে। বিশ্ববাজারে ডলার এবং রুবলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৫ আগস্ট স্মরণ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, জাতির পিতা ওই সময় শুধু একটা কথাই বলেছিলেন, মাটি আর মানুষ হচ্ছে আমার সম্পদ। এই মাটি আর মানুষের ওপর নির্ভর করেই কিন্তু তিনি সাড়ে ৩ বছরের মধ্যেই সেই বিধ্বস্ত বংলাদেশকে গড়ে তুলে স্বল্পোন্নত দেশে উন্নীত করে দিয়ে যান। তার যে লক্ষ্যটা ছিল যে ঘুণে ধরা সমাজ ভেঙে একটা নতুন সমাজ দেবেন, এ ঔপনিবেশিক আমলের যে প্রশাসনিক কাঠামো সেটা ভেঙে গণমুখী প্রশাসনিক কাঠামো তিনি করতে চেয়েছিলেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply