Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » এবার ইয়েলো ও বোহাই সাগরে সামরিক মহড়ার ঘোষণা চীনের




এবার ইয়েলো ও বোহাই সাগরে সামরিক মহড়ার ঘোষণা দিয়েছে চীন। তাইওয়ান ঘিরে নজিরবিহীন সামরিক মহড়া শেষ হতে না হতেই রোববার (৭ আগস্ট) পূর্ব চীন সাগরের উত্তরের দুই সাগরে মহড়া চালানোর ঘোষণা দেন দেশটির কর্মকর্তারা। খবর বিবিসির। যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের জবাবে ‘কঠোর সামরিক প্রতিক্রিয়ার’ ‍অংশ হিসেবে চারদিনব্যাপী সামরিক মহড়ার ঘোষণা দেয় বেইজিং। মঙ্গলবার (২ আগস্ট) পেলোসি তাইপে পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হয় মহড়া। পূর্ব চীন সাগর ও দক্ষিণ চীন সাগরের মাঝে অবস্থিত তাইওয়ানকে ঘিরে অন্তত ছয়টি পয়েন্টে সমুদ্র ও আকাশে মহড়া চালায় চীনা বাহিনী। যুদ্ধবিমান ও যুদ্ধজাহাজের পাশাপাশি ডজন ডজন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয় মহড়ায়। রোববার (৭ আগস্ট) ছিল মহড়ার শেষ দিন। তাইওয়ানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শেষ দিনের মহড়ায় তাইওয়ান প্রণালী ও সংলগ্ন এলাকায় অন্তত ৬৬টি যুদ্ধবিমান ও ১৪টি যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করেছে চীনা বাহিনী। আরও পড়ুন : তাইওয়ান যুক্তরাষ্ট্রের না, চীনের ভূখণ্ড: ঢাকা সফরে ওয়াং ই খবরে বলা হয়, মহড়া শেষ হতে না হতেই কোরীয় উপদ্বীপের কাছে ইয়েলো সাগর (পীতসাগর হিসেবেও পরিচিত) ও লাগোয়া বোহাই সাগরে নতুন করে মহড়ার দেয় চীনা কর্তৃপক্ষ। চীনের নৌ চলাচল নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা জানায়, সোমবার (৮ আগস্ট) থেকে ইয়েলো সাগরে মহড়া শুরু হবে। চলবে আগামী সপ্তাহ তথা ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। অন্যদিকে পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলের বোহাই‌ সাগরে সোমবার থেকে শুরু মাসব্যাপী মহড়া চলবে। এদিকে বেইজিংয়ের এ সামরিক মহড়ার প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ান বলেছে, সামরিক মহড়ার নামে চীন আসলে দ্বীপটিতে আগ্রাসন চালানোর অনুশীলন করছে। চীনের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তাইওয়ান নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র বলে ঘোষণা করেছে। তবে বেইজিং তা একেবারেই মানে না। বরং তারা তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ মনে করে এবং এও বিশ্বাস করে, একদিন দ্বীপ দেশটি ফের চীনের সঙ্গে একত্রিত হবে। এজন্য প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের হুমকিও দিয়ে রেখেছে বেইজিং। আরও পড়ুন : রুশ-ইউক্রেনের মতো ভারত-পাকিস্তান সংকট দেখা দিতে পারে তাইওয়ানের ক্ষেত্রে চীন তাদের ‘এক চীন নীতি’ অনুসরণ করে আসছে। দেশটির কর্মকর্তারা চান, বাকি বিশ্বও তা অনুসরণ করুক। চীনের বৈদেশিক সম্পর্ক তাদের ‘এক চীন নীতি’র উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। চীনের হুমকির কারণে এখন পর্যন্ত হাতেগোণা মাত্র কয়েকটি দেশ তাইওয়ানের স্বাধীনতায় স্বীকৃতি দিয়েছে। এমনকী তাইওয়ানের সবচেয়ে প্রভাবশালী মিত্র যুক্তরাষ্ট্রও তাইওয়ানকে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে ওয়াশিংটন বরাবরই তাইওয়ানকে রক্ষা করা ও সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply