Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » চিরঘুমে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী




শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় শেষ বিদায় জানানো হয়েছে জাতীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শ্রদ্ধা জানানোর পর মরদেহে ফুল দেন সর্বস্তরের মানুষ। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে নামাজে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয় সংগ্রামী এ রাজনীতিবিদকে। সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরেণ্য রাজনীতিবিদ সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়। প্রথমে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার সামরিক সচিবরা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের উপনেতার মরদেহে। শেষ বিদায় জানাতে আসেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আপসহীন এ নেতার সংগ্রামী জীবনের নানা অধ্যায় নিয়ে কথা বলেন নেতারা। শ্রদ্ধা জানান অন্য রাজনীতিক অঙ্গনের নেতারাও। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনও তার বর্ণাঢ্য রাজনীতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করেন। শহীদ মিনার থেকে সাজেদা চৌধুরীকে আনা হয় তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে। এখানে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়। আরও পড়ুন: গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সাজেদা চৌধুরী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন: রাষ্ট্রপতি পরে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে তার দ্বিতীয় জানাজা এবং সোমবার সকালে ফরিদপুরের নগরকান্দায় মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সবশেষ মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বনানী করবস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হন। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের এ আপসহীন নেতার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের সমাপ্তি হলো। গতকাল রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। যেমন ছিলেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী: সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী ১৯৫৬ সাল থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ১৯৬৯–১৯৭৫ সময়কালে তিনি বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে কলকাতা গোবরা নার্সিং ক্যাম্পের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। ১৯৭২-১৯৭৫ সময়কালে বাংলাদেশ নারী পুনর্বাসন বোর্ডের পরিচালক, ১৯৭২-১৯৭৬ সময়কালে বাংলাদেশ গার্ল গাইডের ন্যাশনাল কমিশনার এবং ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৬ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদত্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্বও পালন করেন তিনি। ১৯৩৫ সালের ৮ মে মাগুরা জেলায় মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। তার পিতার নাম সৈয়দ শাহ হামিদ উল্লাহ এবং মাতা সৈয়দা আছিয়া খাতুন। শিক্ষাজীবনে তিনি স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply