Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » যে কারণে বার্লিন সফরে ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী




ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিড এক সরকারি সফরে রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) জার্মানি পৌঁছেছেন। ইরানের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর ভেঙ্গে যাওয়া পরমাণু চুক্তি থেকে তাদের সরিয়ে নেয়ার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে তিনি এ সফর শুরু করেন। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে। সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা যায়, ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি নতুন করে আবার যাতে শুরু না হয়, সেজন্য তিনি পশ্চিমা দেশগুলো সফর করছেন। এর আগে গত শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য পরমাণু চুক্তির নবায়নে ইরানের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। জার্মানি সফরের আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, তিন দেশ কঠোর অবস্থান নেয়ায় তিনি খুশি। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ২০১৫ সালে পশ্চিমা কয়েকটি দেশকে সঙ্গে নিয়ে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি করেন। এরপর ২০১৮ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে এ চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ান এবং তেহরানের ওপর ফের অবরোধ আরোপ করেন। এরপর ইউরোপীয় ইউনিয়ন নতুন করে ওই পরমাণু চুক্তি ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব দিলে যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি পশ্চিমা দেশ ইরানের সঙ্গে পুরানো চুক্তি নতুন করে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়। পরমাণু চুক্তি নিয়ে এরইমধ্যে ইরানের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি পশ্চিমা দেশ। এনিয়ে এখনো আলোচনা চলছে। জানা যায়, নতুন এ উদ্যোগের মধ্যদিয়ে ইরানের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেয়া হতে পারে। এ বিষয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভায় বলেছেন, পরমাণু চুক্তি আবার নতুন করে যেন শুরু না হয় এবং অবরোধ যাতে বহাল থাকে এজন্য ইসরাইল সফল কূটনৈতিক প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, এ প্রচারণা শেষ হয়নি। এখনও বহুদূর বাকি। তবে, উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আরও পড়ুন: ইরান পরমাণু চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হুশিয়ারি মোসাদ প্রধানের ইসরা‌ইল এই পরমাণু চুক্তির বিরোধী। তারা মনে করছে, এই চুক্তি দিয়ে ইরানের পরমাণু কার্যক্রম বন্ধ করা যাবে না। ২০১৫ সালের এই চুক্তিতে বলা হয়েছে, ইরান পরমাণু বোমা না বানালে, তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০১৮ সালে এই চুক্তি থেকে বেরিয়ে আসেন এবং ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এ বিষয়ে ইসরাইলের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, আমাদের অবস্থান হলো, অন্তত মধ্য নভেম্বর পর্যন্ত পরমাণু চুক্তিতে ফেরা ঠেকানো। নতুন কৌশল প্রণয়নে আমরা আমাদের অংশীদারদের সাথে কাজ করছি। এ সফরে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী জার্মান চ্যান্সেলর ওলাফ শলজ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্নালিনা বারবুক এবং প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক ওয়াল্টার স্টেইনময়ারের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ২০১৫ সালে ইরানের সাথে করা পরমাণু চুক্তিটি জয়েন্ট কমপ্রিহেনসিভ প্লান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) হিসেবে পরিচিত। এটিতে ইরানের পরমাণু কর্মসূচির ওপর আরো কঠোরতা আরোপের বিনিময়ে দেশটির ওপর থেকে নিষোধাজ্ঞা তুলে নেয়ার শর্ত ছিল। সেই প্রেক্ষাপটে ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে ভিয়েনায় পরমাণু চুক্তিটি নতুন করে শুরু করার বিষয়ে আলোচনা চলছে। আরও পড়ুন: ফিলিস্তিনিদের প্রেমে পড়তেও ইসরাইলের অনুমতি! ইসরাইল জোর দিয়ে বলছে, ইরানের ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেয়া হলে দেশটি আর্থিকভাবে লাভবান হবে এবং অর্জিত অর্থ তেলআবিবের ওপর হামলা চালাতে মিত্রদেশগুলোতে খরচ করতে পারবে। বিশেষ করে হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইসলামিক জিহাদের কথা এ প্রসঙ্গে তুলে ধরা হয়। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী তার সঙ্গে হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা একজনকে সঙ্গে নিয়ে গেছেন। তিনি বলেছেন, আমরা বিমান থেকে জার্মানির মাটিতে পা দেয়ার পর জার্মান সেনার পক্ষ থেকে আমাদের গার্ড অব অনার দেয়া হয়। বার্লিনে হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা মানুষটি চ্যান্সেলর শলজ ও লাপিদের সঙ্গে একই স্থানে থাকবেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply