Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » পার্বত্যাঞ্চলে ৫০ এর অধিক ব্যক্তি জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিচ্ছে : র‍্যাব




জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র সাতজন এবং পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের তিনজনসহ মোট ১০ জনকে গতকাল গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। ছবি : সংগৃহীত পার্বত্যাঞ্চলের প্রশিক্ষণ শিবিরে ৫০-এর অধিক প্রশিক্ষণার্থী জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান (র‌্যাব)। আজ শুক্রবার র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বান্দরবান ও রাঙামাটির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নতুন জঙ্গি সংগঠন ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র সাতজন এবং পাহাড়ি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের তিনজনসহ মোট ১০ জনকে গতকাল গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার রাতের অভিযানে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে র‍্যাব জানায়, পার্বত্য অঞ্চলের জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরে প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা ৫০-এর অধিক। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে রাঙামাটির বিলাইছড়ির সাইজামপাড়া ও বান্দরবানের রোয়াংছড়ি বাজার এলাকায় র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার নেতৃত্বে র‌্যাব-৭ ও র‌্যাব-১৫ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে সৈয়দ মারুফ আহমদ মানিক (৩১), ইমরান হোসাইন সাওন (৩১), কাওসার শিশির (৪৬), জাহাঙ্গীর আহম্মেদ জনু (২৭), ইব্রাহিম আলী (১৯), আবু বক্কর সিদ্দিক বাপ্পি (২৩), রুফু মিয়া (২৬), জৌথান স্যাং বম (১৯), স্টিফেন বম (১৯) ও মাল সম বমকে (২০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান থেকে ঝইইখ বন্দুক ৯টি, ঝইইখ বন্দুকের গুলি ৫০ রাউন্ড, কার্তুজ কেইস (ঝইইখ বন্দুক) ৬২টি, ওঊউ (হাত বোম্ব) ৬টি, কার্তুজ কেইস (ঝঅ) একটি, কার্তুজ বেল্ট দুটি, দেশীয় পিস্তল একটি, বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র, ওয়াকিটকি একটি, ওয়াকিটকি চার্জার তিনটি, চজঙচঙঝঊউ গঅচ ঙঋ কটকও-ঈঐওঘ ঝঞঅঞঊ লিখা ১০টি মানচিত্র ও অন্যান্য ব্যবহার্য সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া নামে উগ্রবাদী সংগঠনে জড়িত হয়ে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা দেড়-দুই বছরের বেশি সময় ধরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। এর মধ্যে কেউ নিকটাত্মীয়, কেউ বন্ধু, কেউ স্থানীয় ব্যক্তি বা পরিচিতজনদের মাধ্যমে উগ্রবাদী এ সংগঠনে জড়িত হন। জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া নামক উগ্রবাদি জঙ্গি সংগঠনে যোগদান করে কথিত হিজরতের নামে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন ধাপের কর্মকেন্দ্রিক স্তর অতিক্রম করে উত্তীর্ণ হওয়া সাপেক্ষে নিখোঁজ হওয়া যুবকরা প্রশিক্ষণের জন্য এসব এলাকায় যান বলে জানা যায়। সংগঠনের সদস্যরা তাদের উগ্রবাদে উৎসাহী করে পরিবার হতে বিচ্ছিন্ন করে বিভিন্ন এলাকায় শারীরিক প্রশিক্ষণ ও তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রদানের জন্য পটুয়াখালী, ভোলাসহ বিভিন্ন এলাকায় জ্যেষ্ঠ সদস্যদের তত্ত্বাবধানে বিভিন্ন সেইফ হাউজে রাখত। পরবর্তীতে প্রশিক্ষণে উত্তীর্ণ তরুণদের বান্দরবানের দুর্গম পার্বত্য এলাকায় পরবর্তী ধাপের প্রশিক্ষণের জন্য প্রেরণ করা হত। বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর ছত্রছায়ায় তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হত। বান্দরবানের দুর্গম এলাকায় পরবর্তী ধাপের প্রশিক্ষণে তাদের আগ্নেয়াস্ত্র চালানো, আইইডিসহ বিভিন্ন ধরনের বোমা তৈরি, চোরাগুপ্তা হামলা, প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে থাকার বিভিন্ন কৌশলসহ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও তাত্ত্বিক জ্ঞান বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হত বলে জানা যায়। জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পার্বত্য অঞ্চলের প্রশিক্ষণ শিবিরে মোট প্রশিক্ষণার্থীর সংখ্যা ৫০-এর অধিক। ‘জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’ সংগঠনটির আমির মো. আনিসুর রহমান ওরফে মাহমুদ নামক এক ব্যক্তি। যার নেতৃত্বে উগ্রবাদী সংগঠনটি পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া, উগ্রবাদী এ সংগঠনে ছয়জন শূরা সদস্য রয়েছে। যারা দাওয়াতী, সামরিক, অর্থ, মিডিয়া ও উপদেষ্টার দায়িত্বে রয়েছে। শূরা সদস্য আবদুল্লাহ মাইমুন দাওয়াতী শাখার প্রধান, মাসকুর রহমান সামরিক শাখার প্রধান, মারুফ আহমেদ সামরিক শাখার দ্বিতীয় ব্যক্তি, মোশারফ হোসেন অর্থ ও গণমাধ্যম শাখার প্রধান, শামীম মাহফুজ প্রধান উপদেষ্টা ও প্রশিক্ষণের সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক এবং ভোলার শায়েখ আলেম বিভাগের প্রধান হিসেবে সংগঠনটিতে দায়িত্ব পালন করছে। তারা অস্ত্র চালনাসহ সশস্ত্র সংগ্রামের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গোপনে পরিচালনার জন্য তারা বান্দরবান ও রাঙামাটির দুর্গম এলাকাকে বেছে নেয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ জন্য তারা স্থানীয় একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের সহায়তা গ্রহণ করে। তারা পার্বত্য অঞ্চলের একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন থেকে তাদের খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি অর্থের বিনিময়ে সংগ্রহ করত। তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাদের সদস্যদের সঙ্গে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যোগাযোগ করত। র‍্যাব বলছে, পার্বত্য অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের গ্রেপ্তার হওয়া তিনজন সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা কেএনএফের (কুকি-চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট) সামরিক শাখা কেএনএ-এর সদস্য। জানা যায় যে ‘কুকি চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট’ (কঘঋ) নামক সশস্ত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা নাথাং বম-এর সঙ্গে ২০২১-এ জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার আমীরের সম্পর্ক স্থাপিত হয় এবং পার্বত্য অঞ্চলের কেএনএফ এর ছত্রছায়ায় জামাতুল আনসারের সদস্যদের আগামী ২০২৩ পর্যন্ত প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়। চুক্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে তিন লাখ টাকা এবং কেএনএফের সব সদস্যের খাবার খরচ বহন করা হতো






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply