Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » চাদে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ৬০




আফ্রিকার দেশ চাদে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক। খবর আল জাজিরার। কর্তৃপক্ষ জানায়, দেশটির অন্তর্বর্তী নেতা মাহামাত ইদ্রিসের ক্ষমতার মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানোর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দেশটির কয়েকটি শহরে বিক্ষোভে নামেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় পুলিশি বাধার মুখে পড়েন তারা। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি করেছে চাদ প্রশাসন। চাদ সরকারের মুখপাত্র আজিজ মহামত সালেহ জানিয়েছেন, রাজধানী এনজামেনায় ৩০ জন নিহত হয়েছেন। যদিও বিক্ষোভকারীদের দাবি, এই সংখ্যা ৪০ হবে। স্থানীয় হাসপাতাল মর্গের একজন কর্মকর্তা জানান, চাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাউন্ডুতে আরও ৩২ জন বিক্ষোভকারী নিহত হন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই কর্মকর্তা বলেন, ৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এ ছাড়া দেশটির ডোবা ও সারাহ শহরেও বিক্ষোভ হয়েছে। আরও পড়ুন: চাদে সোনা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১০০ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিক্ষোভকারীরা রাজধানী এনজামেনার বিভিন্ন স্থানে বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাত ৩টার দিকে জড়ো হতে থাকেন। পুলিশ ভিড় দেখে কাঁদানে গ্যাস ছুড়লেও বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে আসতে থাকেন এবং তাদের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তখনই নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। বিক্ষোভকারীরা কাঁদানে গ্যাসের মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে মৃতদেহগুলো জড়ো করতে লড়াই করে। নিহতদের মধ্যে একজন চাদ সাংবাদিক নার্সিস ওরেজে আছেন। যিনি সিইএফওড রেডিওতে কাজ করতেন এবং একটি বুলেটের আঘাতে তার মৃত্যু হয়। বিক্ষোভ-সহিংসতার পর এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতের সংখ্যা জানিয়েছেন চাদের প্রধানমন্ত্রী সালেহ কেবজাবো। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনাকে তিনি সশস্ত্র বিদ্রোহ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং সরকার এখনও হতাহতের সংখ্যা সংগ্রহ করছে বলেও জানিয়েছেন। কিন্তু মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, বিক্ষোভকারীরা নিরস্ত্র ছিল এবং রাজধানী এন’জামেনাসহ অন্যান্য বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভরত বেসামরিক নাগরিকদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী। আরও পড়ুন: সুদানে জাতিগত সংঘর্ষে নিহত ১৭০ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের গবেষক আবদৌলায়ে দিয়ারা বলেছেন, সাক্ষীদের বিবরণ এবং এদিনের ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে দেখা যাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর তাজা গুলি ব্যবহার করেছে। এর আগে তিন বছর দায়িত্ব পালনের পর ইদ্রিসের বাবা মারা গেলে তিনি দায়িত্ব নেন। এরপর থেকেই দেশটিতে দানা বাধতে শুরু করে বিক্ষোভ। মৃত্যুর আগে টানা তিন দশক কঠোরভাবে দেশ শাসন করেছিলেন ইদ্রিস দেবি। জানা যায়, ২০২১ সালের এপ্রিলে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ইদ্রিস দেবি ইতনো দেশটির উত্তরাঞ্চলে যুদ্ধক্ষেত্রে চাদ সেনাদের সঙ্গে দেখা করার সময় বিদ্রোহীদের হাতে নিহত হন। ইদ্রিস দেবির মৃত্যুর পর তার পুত্র মাহামাত ইদ্রিস দেবি সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতা দখল করেন এবং ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনে প্রাথমিকভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু ১ অক্টোবর তিনি সেই নির্বাচন দুই বছর পিছিয়ে দেয়ার ঘোষণা দেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply