Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » এক সন্দেহভাজনকে ধরতে লক্ষাধিক ফিলিস্তিনিকে জিম্মি




শুধু একজন সন্দেহভাজনকে আটক করতে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের একটি শরণার্থী শিবিরের লক্ষাধিক ফিলিস্তিনিকে জিম্মি করেছে ইসরাইলি বাহিনী। শুয়াফাত শরণার্থী শিবির ও এর আশপাশের এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে শিবিরের প্রধান প্রবেশপথ। আল-জাজিরার প্রতিবেদনমতে, একদিন কিংবা দুদিন নয়, টানা পাঁচ দিন ধরে এভাবে জিম্মি করে রাখা হয়েছে পুরো শরণার্থী শিবির। ফলে শিবিরের লক্ষাধিক অধিবাসী চরম সংকটে পড়েছেন। পানি ও খাবারের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস শেষ হয়ে এসেছে। কিন্তু কোনোভাবেই বের হতে দেয়া হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ধর্মঘট শুরু করেছে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনিরা। এর সঙ্গে সংহতি জানিয়ে বুধবার (১২ অক্টোবর) শরণার্থী শিবির এলাকায় দোকানপাট ও স্কুল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শ্রমিকরা কাজে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। রামাল্লার বিরজেইত ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করেছেন। আরও পড়ুন: ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্টের মেয়ের বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী প্রচারণার অভিযোগ এদিকে অধিকৃত পশ্চিমতীরের নাবলুস শহরেও সাধারণ ধর্মঘট পালিত হচ্ছে। পশ্চিমতীরের কোথাও কোথাও বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। রামাল্লা ও বেথেলহেমে একাধিক চেকপয়েন্টে ইসরাইলি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বিক্ষোভ হয়েছে শুয়াফাত শরণার্থী শিবিরেও। বিক্ষোভকারীদের ওপর টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে ইসরাইলি সেনারা। চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে (৮ অক্টোবর) অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের শুয়াফাত শরণার্থী শিবিবের প্রধান চেকপয়েন্টে গোলাগুলির ঘটনায় এক ইসরাইলি সেনা নিহত হয়। এ ঘটনায় এক সন্দেহভাজনকে আটকের জন্য শরণার্থী শিবিবের গেট বন্ধ করে দেয় ইসরাইলি বাহিনী। এরপর সেই থেকেই বন্ধ রয়েছে শিবিরের প্রবেশপথ। শুয়াফাত শরণার্থী শিবির, পার্শ্ববর্তী আনাতা, রাস খামিস, রাস শাহদেহ ও দাহিয়াত আল-সালামের নিকটবর্তী এলাকায় ১ লাখ ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি বসবাস করে। তারা যে জায়গায় বসবাস করে তা ইসরাইলের তৈরি দেয়াল দিয়ে ঘেরা। প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য দুটি মাত্র চেকপয়েন্ট রয়েছে। তাতে সবসময়ের জন্য মোতায়েন রয়েছে ইসরাইলি সীমান্ত পুলিশ। আরও পড়ুন: ভিক্ষার টাকায়ও ভাগ বসাচ্ছে টিকটক এদিকে গত শনিবার থেকে এখন পর্যন্ত ১১ ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে ইসরাইলি পুলিশ ও বিশেষ বাহিনী। মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) শরণার্থী শিবিরে অভিযান চালায়। এ সময় ফিলিস্তিনি যুবকদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে এক ফিলিস্তিনি পেটে গুলি লাগে। এ ছাড়া কাঁদানে গ্যাস ও রাবার-কোটেড বুলেটে আহত হয়েছে অনেকে। শিবিরের অধিবাসীরা ‘অসহযোগ আন্দোলন’ ঘোষণা করেছেন। এদিকে আনাতার বাসিন্দারা বলেছেন, এই জিম্মি অবস্থা ভাঙতে ফিলিস্তিনিদের অবশ্যই একসঙ্গে লড়াই করতে হবে। অব্যাহত জিম্মিদশার জবাবে ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে ‘সামরিক সমাবেশ’-এর ডাক দিয়েছে নাবলুসের লায়ন ডেন সশস্ত্র গোষ্ঠী। এদিকে শরণার্থী শিবিরে অব্যাহত জিম্মিদশার প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ ত্রাণ সহায়তা সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ। একই সঙ্গে শিবিরে খাদ্য ও পানির অনিশ্চয়তা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বর্জ্য ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। জাতিসংঘের এ সংস্থাটি শিবিরটির পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে। এদিকে শরণার্থী শিবির অবরোধের অবসানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (পিএ)। অবরোধের চার দিন পর মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শতায়েহ এ আহ্বান জানান। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, এখন জলপাই সংগ্রহের মৌসুম চলছে। কিন্তু গ্রাম ও শহরবাসীকে জলপাই সংগ্রহে বাড়ি থেকে বের হতে দিচ্ছে না ইসরাইলি সেনারা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply