Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » আমিরাতকে গুড়িয়ে দিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়াল শ্রীলঙ্কা




আমিরাতকে গুড়িয়ে দিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়াল শ্রীলঙ্কা

অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিক তুলে নিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের লেগ স্পিনার কার্তিক মিয়াপ্পান। তারপরেও ভেঙে পড়েনি শ্রীলঙ্কা। পাথুম নিসাঙ্কার দায়িত্বশীল ফিফটিতে চ্যালেঞ্জিং স্কোরই গড়েছে দলটি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১৫২ রান। জবাব দিতে নেমে লঙ্কান বোলারদের তোপের মুখে রীতিমত হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে আমিরাতের ব্যাটিং লাইন। দশম ওভারেই মাত্র ৩৬ রান তুলতেই হারিয়ে ফেলে ৬টি উইকেট। বাকি চার উইকেটে আরও ৩৭ রান যোগ করতে পারে রিজওয়ানের দল। ১৭.১ ওভারেই অলআউট হয়ে যায় ৭৩ রানেই। ফলে ৭৯ রানের বড় জয়ে এশিয়া কাপের মত আবারও ঘুরে দাঁড়াল দাসুন শানাকার দল। দলটির পক্ষে এদিন মাত্র ৮ ও ১৫ রান দিয়ে যৌথভাবে ৩টি করে উইকেট দখল করেন হাসারাঙ্গা ডি সিলভা ও দুশমন্থা চামিরা। এছাড়া মাহিশ থিকশানা ২টি এবং মদুশান ও শানাকা ১টি করে উইকেট লাভ করেন। লঙ্কান বোলাদের এমন সাঁড়াশি বোলিংয়ের সামনে এদিন দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেন আমিরাতের কেবল ৩ জন ব্যাটার। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ১৯ রান আসে আয়ান আফজাল খানের ব্যাট থেকে। এছাড়া জুনাইদ সিদ্দিকি ১৮ ও চিরাগ সুরি ১৪ রান করেন। এর আগে মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) জিলংয়ের কার্দিনিয়া পার্কে টস হেরে প্রথমে ব্যাটি করতে নামে শ্রীলঙ্কা। শুরুটা হয়েছিল বেশ ঝড়ো গতিতেই। যার দরুণ পাওয়ার প্লে-তে ১ উইকেটে ৫২ রান তুলে ফেলেছিল তারা। আর দশ ওভার শেষে সেই রান গিয়ে দাঁড়ায় ৮৪ রানে। এ অবস্থায় শ্রীলঙ্কা যখন বড় স্কোরের লক্ষ্যে ছুটছিল, ঠিক সেই সময়ে আমিরাতের অধিনায়ক বল তুলে দেন কার্তিক মিয়াপ্পানের হাতে। ইনিংসের ১৫তম ওভারে এই লেগ স্পিনারের ‘ম্যাজিকে’ বিধ্বস্ত হয় লঙ্কান ব্যাটিং অর্ডার। ওই ওভারে মিয়াপ্পানের করা গুগলি বলটি পড়তে পারেননি দাসুন শানাকা। তার ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলে বল ছোবল দেয় স্ট্যাম্পে। খ্যাপাটে উল্লাসে মাতলেন কার্তিক মিয়াপ্পান। সঙ্গী হলেন সতীর্থরাও। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এবারের আসরে যে প্রথম হ্যাটট্রিক উপহার দিলেন এই লেগ স্পিনার! লঙ্কান অধিনায়ককে বোল্ড করার আগের দুই বলে তার শিকার ছিলেন ভানুকা রাজাপাকসে ও চারিথ আসালাঙ্কা। পঞ্চদশ ওভারের চতুর্থ বলে ডিপ কাভারে ধরা পড়েন রাজাপাকসে। পরের বলটি গুগলি করেন মিয়াপ্পান। চারিথ আসালাঙ্কা পা বাড়িয়ে খেলার চেষ্টায় হন কট বিহাইন্ড। এরপর ওভারের শেষ বলে শানাকার উইকেট নিয়ে তিনি মাতেন হ্যাটট্রিকের উল্লাসে। আর এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমিরাতের প্রথম বোলার হিসেবে হ্যাটট্রিক করলেন মিয়াপ্পান। ২০ ওভারের বৈশ্বিক আসরে এই অর্জনে নাম লেখানো পঞ্চম বোলার তিনি। সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৩৯তম হ্যাটট্রিক এটি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন অস্ট্রেলিয়ার গতিময় পেসার ব্রেট লি। ২০০৭ সালে প্রথম আসরে বাংলাদেশের বিপক্ষে এই কীর্তি গড়েছিলেন তিনি। বাকি তিনটি হ্যাটট্রিক হয় ওমান ও আমিরাতে অনুষ্ঠিত গত আসরে। প্রথমটি করেন আয়ারল্যান্ডের কার্টিস ক্যাম্ফার। তিনি অবশ্য এগিয়ে যান আরেক ধাপ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে করেন ‘ডাবল হ্যাটট্রিক।’ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টানা চার বলে চার উইকেট নেন এই পেসার। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার প্রথম বোলার হিসেবে বিশ্বকাপে এই কীর্তি গড়েন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা। পরে ইংল্যান্ডের সঙ্গে কাগিসো রাবাদা পানও এই স্বাদ। টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করা দক্ষিণ আফ্রিকার একমাত্র বোলার তিনি। তাদের সঙ্গে এবার নাম লেখালেন মিয়াপ্পান। প্রাথমিক পর্বে ‘এ’ গ্রুপে লঙ্কানদের বিপক্ষে এদিন অসাধারণ বোলিংয়ে নিজের তৃতীয় ওভারের শেষ তিন বলে তিন উইকেট নেন ২২ বছর বয়সী এই লেগ স্পিনার। মিয়াপ্পান এদিন তার স্পেল শেষ করেন ৪ ওভারে স্রেফ ১৯ রান দিয়ে ওই তিন উইকেট নিয়ে। যাতে শ্রীলঙ্কার ইনিংস থামে ৮ উইকেটে ১৫২ রানে। দলের পক্ষে নিসাঙ্কা ৬০ বলে ৭৪ রান করেন। ইনিংসটি তার সাজানো ছিল ৬ বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কায়। যে ইনিংস খেলে ম্যাচের সেরাও হন তিনি। আরব আমিরাতের পক্ষে বোলিংয়ে কার্তিক মিয়াপ্পানের তিন উইকেট ছাড়াও জহুর খান নিয়েছেন দুটি উইকেট।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply