Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » শেখ হাসিনা কৃষকের মুখে স্থায়ী হাসি দেখতে চান : পানিসম্পদ উপমন্ত্রী




পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষকের মুখে স্থায়ী হাসি দেখতে চান। তার নেতৃত্বে দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এমনকি বাংলাদেশি খাদ্য বিদেশেও রপ্তানি করা হয়। দেশের কৃষিতে হাওরের মানুষের অনেক অবদান রয়েছে। হাওরের মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য কাজ করছেন তিনি। শনিবার (২২ অক্টোবর) শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে কৃষক সমাবেশ ও সেচযন্ত্র বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। উপমন্ত্রী শামীম বলেন, কৃষি উন্নয়নে বর্তমান সরকার প্রায় ২ কোটি কৃষককে কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড দিয়েছে। কৃষককে মাত্র ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সারের দাম কয়েক দফা কমিয়ে বর্তমানে সারের দাম ইউরিয়া ২২ টাকা কেজি, টিএসপি ২২ টাকা কেজি, ডিএপি ১৬ টাকা, এমওপি ১৫ টাকা কেজি। আর বিএনপির সময়ে ছিল টিএসপি ৮০ টাকা, এমওপি ৭০ টাকা, ডিএপি ৯০ টাকা, ইউরিয়া ২০ টাকা কেজি। তিনি বলেন, সারে অন্যান্য বছরে ৯ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হলেও এই বছর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারের দাম বেড়ে গেছে, ভর্তুকি দিতে হচ্ছে ২৮ হাজার কোটি টাকা। তারপরও সারের কোনো ঘাটতি নেই। কৃষি প্রণোদনা ও পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর কয়েক লাখ কৃষককে বিনামূল্যে ভালো মানের উন্নত জাতের বীজ, সার ও অন্যান্য উপকরণ দেওয়া হচ্ছে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণের জন্য ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকার প্রকল্প চলমান রয়েছে, যার আওতায় ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ ভর্তুকি মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি দেওয়া হচ্ছে। নড়িয়া উপজেলাসহ সারাদেশে কৃষি উন্নয়নের জন্য প্রায় ৫০টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। যার আওতায় বিনামূল্যে বীজ, সার, ফলের চার, সেচযন্ত্র বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে তৃতীয়, সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আম উৎপাদনে সপ্তম, কাঁঠাল উৎপাদনে দ্বিতীয়, আলু উৎপাদনে সপ্তম, পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম, ফসলের জাত উদ্ভাবনে প্রথম, পাট উৎপাদনে দ্বিতীয়। এ ছাড়া মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে তৃতীয়, ইলিশ উৎপাদনে প্রথম। বর্তমান সরকার কৃষি গবেষণা জোরদার করছে। এর ফলে ধান, গম, পাট, সবজি ও ফলের কয়েকশ’ উন্নত জাত উদ্ভাবন ও কৃষক পর্যায়ে সম্প্রসারণ হয়েছে। বর্তমানে শুধুমাত্র ধানের উচ্চ ফলনশীল ও হাইব্রিড জাত রয়েছে ১০০ টির ওপরে। এনামুল হক শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রী আগামীর বাসযোগ্য বিশ্বমানের দেশ গড়ার লক্ষে ডেল্টাপ্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছেন। আর এই মহাপরিকল্পনার ৮০ ভাগ কাজই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করবে। এটি বাস্তবায়িত হলে দেশে নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতার কোনো সমস্যাই থাকবে না। তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন ঠেকাতে সারা দেশে বিভিন্ন স্থায়ী প্রকল্প চলমান রয়েছে এবং নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়াও সারাদেশে নদীভাঙন এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানে স্থায়ী বাঁধ করা হচ্ছে, বাঁধ প্রশস্তকরণ হচ্ছে, বনায়নও করা হচ্ছে। যেখানে যা করা প্রয়োজন, তাই করা হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জনগণের সঙ্গে কথা বলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. পারভেজ হাসান। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন নড়িয়া উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম ইসমাইল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর শরীয়তপুরের উপপরিচালক কৃষি মো. মাতলুবুর রহমান, নড়িয়া পৌরসভার মেয়র আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply