Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » গ্যাস-বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করতে পারবে সরকারও




গ্যাস-বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করতে পারবে সরকারও বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসির) পাশাপাশি সরকারও গ্যাস-বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করতে পারবে। এজন্য বিইআরসি আইন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২২- এ খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিশেষ পরিস্থিতিতে এখন থেকে বিইআরসির পাশাপাশি গ্যাস-বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করতে পারবে সরকার। এ সংক্রান্ত বিইআরসি আইনের নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। তবে খসড়ায় ছোট সংশোধন আনা হয়েছে। এ ছাড়া ক্রুড অয়েল আমদানির জন্য বেসরকারি খাতকে উন্মুক্ত করে দেয়া যায় কি-না, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের জন্য জ্বালানি সচিব মো. মাহবুব হোসেন যে সারসংক্ষেপ পাঠিয়েছেন তাতে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে সৃষ্ট বর্তমান বাস্তবতার নিরিখে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেলের মূল্য সমন্বয় করা প্রয়োজন। অর্থনীতির গতিকে চলমান রাখার সঙ্গে নিয়মিত ও দ্রুততম সময়ে মূল্য সমন্বয়ের লক্ষ্যে বিইআরসির পাশাপাশি সরকারেরও ক্ষমতা সংরক্ষণের জন্য আইনটি সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ধারা ৩৪-এর উপধারা (৩) সংশোধন এবং ধারা ১ সন্নিবেশিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আরও পড়ুন: বিলাসবহুল পণ্য ব্যবহার ও আমদানি কমানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিভাগ সূত্র জানায়, মন্ত্রিসভা এই বিষয়ে সায় দিলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিইআরসির পাশাপাশি সরকারও দাম নির্ধারণ করতে পারবে। এরইমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি অনুমোদন করেছেন। বিইআরসি আইনের মূল্য সংক্রান্ত অধ্যায়ের ধারা ৩৪ মোতাবেক সরকারের সঙ্গে আলোচনাক্রমে প্রণীত নীতিমালা ও পদ্ধতি অনুসরণে পাইকারি ও খুচরা বিদ্যুৎ উৎপাদন, এনার্জি সঞ্চালন, মজুতকরণ, বিপণন, সরবরাহ, বিতরণ, ভোক্তা পর্যায়ের মূল্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারণ করে থাকে। এছাড়া এ আইনে আরও উল্লেখ রয়েছে, কমিশন লাইসেন্সি এবং অন্যান্য স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে শুনানি দেয়ার পর মূল্য নির্ধারণ করবে (উপধারা (৪)। এরইমধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস সঞ্চালন ও বিতরণ ট্যারিফ এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ (খুচরা) ট্যারিফ সংক্রান্ত প্রবিধানমালা জারি হলেও পেট্রোলিয়ামজাত তথ্যাদির ট্যারিফ সংক্রান্ত কোনও প্রবিধানমালা জারি হয়নি। ফলে সরকারের প্রয়োজনের নিরিখে পেট্রোলিয়ামজাত দ্রব্যের ট্যারিফ মূল্য সমর্থন করা হয়ে থাকে। বর্ণিত প্রক্রিয়ায় মূল্য নির্ধারণে ন্যূনতম ৩ মাস সময় প্রয়োজন হয়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply