Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট উৎক্ষেপণ




ভারতে প্রথম বেসরকারি উদ্যোগে তৈরি রকেট বিক্রম-এস মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টায় অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। রকেটটি সফলভাবে উৎক্ষেপণ করা গেছে বলে দাবি করেছেন উৎক্ষেপণের দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টরা। স্কাইরুট অ্যারোস্পেস নামে বেসরকারি সংস্থা তৈরি রকেটটিতে তিনটি স্যাটেলাইট মহাকাশে হয়েছে। ৬ মিটার দীর্ঘ বিক্রম-এস রকেটটি ভারতের মহাকাশ বিজ্ঞানের জনক বিক্রম সারাভাইয়ের নামে নামকরণ করা হয়েছে। আর উৎক্ষেপণ মিশনের নাম দেয়া হয়েছে ‘প্রারম্ভ’। এর অর্থ হল সূচনা। প্রথমবার বেসরকারি উদ্যোগে মহাকাশ অভিযানের সূচনা, তাই এমন নাম। বিক্রম-এসের তিনটি পেলোড স্যাটেলাইট তৈরি করেছে অন্ধ্রপ্রদেশের এন স্পেস টেক ইন্ডিয়া, চেন্নাইয়ের স্পেস কিডস ও আর্মেনিয়ান বাজুম-কিউ স্পেস রিসার্চ ল্যাব। স্কাইরুট এর আগে ঘোষণা করেছিল, তিনটি পেলোডসহ বিক্রম-এস রকেটটি মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) উৎক্ষেপণ করা হবে। তবে সেটা চারদিনের জন্য পিছিয়ে দেয়া হয়। আরও পড়ুন: পি কে হালদারকে ৮ ডিসেম্বর ফের আদালতে তোলার নির্দেশ মাত্র চার বছর আগে কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করা স্কাইরুট অ্যারোস্পেস তৈরি করলেও ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ইসরো) ও ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল স্পেস প্রোমোশন অ্যান্ড অথরাইজেশন সেন্টারের (ইনস্পেস) কারিগরি সহযোগিতায় রকেটটি মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হলো। রকেট উৎক্ষেপণের পর স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের সহ-প্রতিষ্ঠাতা পবন কুমার চন্দন বলেন, ‘ভারতের প্রথম বেসরকারি রকেট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে আমরা আজ ইতিহাস সৃষ্টি করেছি। এটা নতুন ভারতের প্রতীক এবং বিরাট এক ভবিষ্যতের সূচনা।’ বেসরকারি উদ্যোগে প্রথম রকেট উৎক্ষেপণের ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘অভিনন্দন ভারত! এটা নতুন ভোরের শুরু।’ রকেটটি উৎক্ষেপণকালে শ্রীহরিকোটায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তিনি এ ঘটনাকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন। আরও পড়ুন: ভারতের হাসপাতালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ‘বিক্রম’ সিরিজে তিনটি রকেট রয়েছে। বিক্রম ১, বিক্রম ২ ও বিক্রম ৩। বিক্রম ১ পৃথিবীর নিম্ন কক্ষে (৫০০ কিলোমিটার) ৪৮০ কিলোগ্রাম অবধি পেলোড নিয়ে যেতে পারবে। বিক্রম ২ লো আর্থ অরবিটের ৫০০ কিলোমিটার অবধি ৫৯৫ কিলোগ্রাম পেলোড বয়ে নিয়ে যেতে পারবে। আর বিক্রম ৩ একই অরবিটে ৮১৫ কিলোগ্রাম অবধি পেলোড বহন করতে পারবে। এই রকেটগুলি মহাকাশ ও আর্থ ইমেজিং থেকে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, জিপিএস এবং আইওটি-র মতো যোগাযোগ পরিষেবাগুলিকে উন্নত করতে সাহায্য করবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply