Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » হতাশ করলেন সোহান, ৫ রানে জিতল ভারত




চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রাহুল-কোহলির জোড়া হাফ-সেঞ্চুরিতে ভর করে জয়ের জন্য বাংলাদেশের সামনে ১৮৫ রানের লক্ষ্যমাত্রা দেয় টিম ইন্ডিয়া। পরে কার্টেল ওভারে তা দাঁড়ায় ১৬ ওভারে ১৫১। যা তাড়া করতে নেমে মাত্র ৫ রানে হেরে গেল বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে মাত্র ২১ বলে ঝড়ো ফিফটি হাঁকিয়ে দলকে দাপুটে সূচনাই এনে দেন লিটন দাস। তবে সেই দাপট ধরে রাখতে পারেননি শান্ত-আফিফ-সাকিবরা। মাত্র ১০ রানের ব্যবধানে ৪টি উইকেট হারিয়ে রীতিমত হারের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যায় দল। তবে সপ্তম উইকেটে তাসকিনকে নিয়ে শেষ বল পর্যন্ত লড়ে যান নুরুল হাসান সোহান। যে বলে ছয় রান নিতে পারলেই ম্যাচ ড্র করতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু ভারতীয় পেসার আর্শদ্বীপের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে সেটা আর হয়নি। পাঁচ রানের হার নিয়েই মাঠ ছাড়েন দুজনে। ভারতের বিপক্ষে জবাবটা ঠিক যেমন হওয়া দরকার ছিল, শান্তকে সঙ্গী করে এদিন অ্যাডিলেডে ঠিক তেমনটাই শুরু করেন ওপেনিংয়ে নামা লিটন দাস। তিনটি ছক্কা ও ৭টি চার হাঁকিয়ে মাত্র ২১ বলেই তুলে নেন ক্যারিয়ারের অষ্টম ফিফটি। অন্যপ্রান্তে ১৬ বলে ৭ রান নিয়ে তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন বাঁহাতি নাজমুল হোসাইন শান্ত। যার ফলে পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারেই ৬০ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ। তবে এরপরই বৃষ্টি নামলে এবং এরপর কার্টেল ওভারে খেলা শুরু হলে সেই রিদম হারিয়ে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে খেলার আবারও শুরু হলে জয়ের জন্য টাইগারদের নতুন লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়িয়েছে ১৬ ওভারে ১৫১ রান। অর্থাৎ বাকি ৯ ওভারে করতে হতো ৮৫ রান। সেই রান তুলতে গিয়ে যেন হাঁসফাঁস লেগে যায় লিটন-শান্তদের। শুরুতেই রান আউট হয়ে ফেরেন লিটন দাস। ঝুঁকিপূর্ণ দুটি রান নিতে গিয়ে রাহুলের ডিরেক্ট থ্রোতে কাটা পড়েন ড্যাশিং ওপেনার। ফেরার আগে ৬০ রানের এক ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। তার ২৭ বলের এই ইনিংসে ছিল ৭টি চারের সঙ্গে তিনটি ছক্কার মার। ফলে ৬৭ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর ২৫ বলে ২১ রান করে শান্ত আউট হতেই যেন মড়ক লাগে বাংলাদেশের ইনিংসে। একে একে আউট হয়ে ফেরেন আফিফ (৩), সাকিব (১৩), ইয়াসির (১), মোসাদ্দেক (৬)। ফলে ১০৮ রানেই ষষ্ঠ উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা। এরপর সোহান ও তাসকিন মিলে ১৯ বলে ৩৭ রান যোগ করে শেষ বল পর্যন্ত ম্যাচে রাখেন বাংলাদেশকে। যদিও শেষ তিন ওভারে তাদের দরকার ছিল ৪৩ রান। ১৪তম ওভার করা আর্শদ্বীপের ওভার থেকে ১২ রান নিলে শেষ দুই ওভারে দরকার পড়ে ৩১ রান। এ অবস্থায় হার্দিকের করা ওই ওভারের প্রথম বলে সপাটে চার মারেন তাসকিন। পরের বলটি ডট দিয়ে তৃতীয় বলেই বিশাল এক ছক্কা হাঁকিয়ে দেন টাইগার পেস তারকা। যাতে ৯ বলে ২১ রান দাঁড়ায় টাইগারদের লক্ষ্যমাত্রা। তবে ওই ওভারের চতুর্থ বলে তাসকিন সিঙ্গেল নিলে শেষ দুটি বল থেকে আর কোনও রান নিতে পারেননি সোহান। ম্যাচটিতে মূলত এখানেই পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। কারণ শেষ ওভারে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ২১টি রান। একটি করে ছক্কা ও চার হাঁকালেও আর্শদ্বীপের করা শেষ ওভার থেকে যার পুরোটা আদায় করা সম্ভব হয়নি সোহান-তাসকিনের জন্য। সোহান ১৪ বলে ২৫ রান করে এবং তাসকিন ৭ বলে ১২ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। এদিকে, পাঁচ রানের দুর্দান্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোহিত শর্মার দল। উত্তেজনা ছড়ানো ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় হন ৪৪ বলে ৬৪ করা বিরাট কোহলি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply