Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » বাংলাদেশের সেমিফাইনালের আশা এখনও শেষ হয়নি




ভারতের বিপক্ষে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে পাঁচ রানের হারে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে বাংলাদেশের৷ তবে এখনও শেষ হয়ে যায়নি টিম টাইগার্সের সেমিফাইনালে খেলার আশা৷ কাগজে-কলমে এখনও শেষ চারের পথ খোলা আছে সাকিব আল হাসানদের। সে জন্য রোববার (৬ নভেম্বর) পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই। এছাড়া তাকিয়ে থাকতে হবে দক্ষিণ আফ্রিকা-নেদারল্যান্ডস এবং ভারত-জিম্বাবুয়ের ম্যাচের দিকেও। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। ছবি সংগৃহীত বৃষ্টির দাপট, ম্যাচ ভেসে যাওয়া, সঙ্গে শক্তিতে পিছিয়ে থাকা দলগুলোর অঘটন- সব মিলিয়ে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দারুণ উপভোগ্য হয়ে উঠছে। সুপার টুয়েলভের দুই গ্রুপেই আর কেবল একটি করে রাউন্ড বাকি; কিন্তু এখনও সেমি-ফাইনালের টিকেট পায়নি কোনো দল। আগামী তিন দিনে মাঠে গড়াবে শেষ রাউন্ডের ছয়টি ম্যাচ। যেখানে ১০ দলের সামনে সুযোগ আছে শেষ চারে যাওয়ার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের ২ নম্বর গ্রুপে বাংলাদেশের সঙ্গী ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, পাকিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও নেদারল্যান্ডস। প্রত্যেকটি দলেরই এখনও একটি করে ম্যাচ বাকি। এক ম্যাচ বাকি থাকা সত্ত্বেও টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে জিম্বাবুয়ে ও ডাচদের, সেমির দৌড়ে টিকে আছে বাকি সবকটি দল। অর্থাৎ এখনও বাকি চারটি দলের (বাংলাদেশ, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পাকিস্তান) শেষ চারে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। গ্রুপ ২: পয়েন্ট টেবিল দল ম্যাচ পয়েন্ট রানরেট ভারত ৪ ৬ +০.৭৩০ দক্ষিণ আফ্রিকা ৪ ৫ +১.৪৪১ পাকিস্তান ৪ ৪ +১.১১৭ বাংলাদেশ ৪ ৪ -১.২৭৬ জিম্বাবুয়ে ৪ ৩ -০.৩১৩ নেদারল্যান্ডস ৪ ২ -১.২৩৩ পয়েন্ট টেবিলে তাকালে অনুমেয়, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পরের ম্যাচে ভারত জিতলে ৮ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে যাবে তারা। দক্ষিণ আফ্রিকা নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জিতলে ৭ পয়েন্ট নিয়ে তারাও পাবে সেমির টিকিট। কিন্তু ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা নিজ নিজ ম্যাচে হেরে গেলেই সেমিফাইনালের সুযোগ তৈরি হবে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সামনে। আরও পড়ুন: ‘এটা স্কুল না যে হেডমাস্টারের কাছে অভিযোগ করবেন’ জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশ জিতলে ভারতের পাশাপাশি সাকিবদের পয়েন্টও হবে ৬ করে। সেক্ষেত্রে সেমিফাইনালের দৌড়ে বিবেচিত হবে রানরেট। যারা এগিয়ে থাকবে, তারাই যাবে শেষ চারে। সেক্ষেত্রে ম্যাচ হারায় বাদ পড়বে পাকিস্তান। আবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভারত জিতে গেলেও বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সামনে সেমির হাতছানি থাকবে। সেক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারতে হবে নেদারল্যান্ডসের কাছে। ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা বলে সেই সম্ভাবনাকে (দক্ষিণ আফ্রিকার হার) মোটেই উড়িয়ে দেয়া যায় না। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের পয়েন্ট হবে ৬। ৫ পয়েন্ট নিয়ে সেমির দৌড় থেকে বাদ পড়বে প্রোটিয়ারা। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রোটিয়ারা জিতে গেলেও সেমিতে যাওয়ার সুযোগ থাকবে বাংলাদেশের। সেক্ষেত্রে জিম্বাবুয়ের কাছে ভারতকে হারতে হবে, ফলে টিম ইন্ডিয়ার পয়েন্ট আগের মতোই ৬ থাকবে। আবার পাকিস্তানকে সাকিবরা বড় ব্যবধানে হারালে টাইগারদের পয়েন্ট হবে ৬। তখন ভারতের চেয়ে রানরেটে এগিয়ে থাকলে সেমিফাইনালে যেতে পারবে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশ সেমিফাইনালের স্বপ্ন দেখতেই পারে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এ আসরেই যে সবচেয়ে বড় সাফল্য পেয়েছে টাইগাররা। এই আসরের আগে সুপার টুয়েলভে মাত্র একটি জয় ছিল লাল সবুজের প্রতিনিধিদের, তাও সেটি ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে। সেখানে সুপার টুয়েলভে এবারই কি-না পেয়েছে দুই জয়। প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৯ রানে হারিয়ে শুভসূচনা হয় টাইগারদের। দ্বিতীয় ম্যাচেই অবশ্য মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখে সাকিবরা। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সেই ম্যাচে বাংলাদেশ হারে ১০৪ রানের বড় ব্যবধানে। যা কি-না টি-টোয়েন্টিতে রানের হিসাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে আবার ঘুরে দাঁড়ায় টাইগাররা, বাংলাদেশ এবার জয় পায় ৩ রানে। আরও পড়ুন: ফেক ফিল্ডিং ও ভেজা মাঠের অজুহাত খুঁজতে মানা করছেন ভোগলে চতুর্থ ম্যাচে বুধবার (২ নভেম্বর) ভারতের বিপক্ষে তো জিততে জিততেই হেরেছে টিম বাংলাদেশ। রোহিত শর্মাদের বিপক্ষে বির্তকিত ম্যাচে বৃষ্টি আইনে ১৫১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৫ রান করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। ভারত ম্যাচটি জিতে ৫ রানে। অবশ্য এবারই নয়, এর আগেও বেশ কয়েকবার ভারতের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে টাইগারদের। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বেঙ্গালুরুতে ভারতের বিপক্ষে ৩ বলে মাত্র ২ রান করলেই জিতে যেত বাংলাদেশ। অভিজ্ঞ দুই ব্যাটার মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ থাকার পরও সেই ম্যাচটা হারতে হয়েছিল ১ রানে। বাংলাদেশের সমর্থকদের কাছে সেই ম্যাচটা এখনও দুঃস্বপ্ন হয়ে আছে। ভারতের বিপক্ষে হারলেও টি-টোয়েন্টি মেজাজে খেলে প্রশংসা কুড়িয়েছে সাকিব বাহিনী। এই পারফরম্যান্সে খুশি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি)। বোর্ড পরিচালনা বিভাগের প্রধান জালাল ইউনুস যেমন গণমাধ্যমকে বললেন, ‘সবার কাছে বার্তা আছে, যাতে ম্যাচ বাই ম্যাচ ফোকাস করা হয়। কারণ ম্যাচ বাই ম্যাচ ইতিবাচকতা নিয়ে খেলে জেতার আশা আমাদের। ভারতের বিপক্ষে জিততে পারলে আমরা হয়তো এগিয়ে থাকতাম। তারপরও আমরা ভালো খেলেছি। আমরা সত্যিই খুশি।’






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply