Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন জেলেনস্কি




যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) হোয়াইট হাউসে দেখা করার পরিকল্পনা করছেন। দুটি সূত্র এ খবরটি নিশ্চিত করেছে। মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে আসে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ফাইল ছবি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক হামলা শুরুর পর এটি হবে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির প্রথম বিদেশ সফর। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে এ সফরের বিস্তারিত সরকারিভাবে এখনও প্রকাশ করা হয়নি। এ সফরে গুরুত্ব পাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুত প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেম দেয়ার বিষয়টি। ছাড়া বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সহায়তা প্যাকেজের বিষয়েও আলাপ হবে বলে জানানো হয়। পাশাপাশি এ সফরে জেলেনস্কি মার্কিন কংগ্রেসে ভাষণ দিতে পারেন। সিএনএনের পক্ষ থেকে হোয়াইট হাউসে এ সফর সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তারা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছে। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি, জেলেনস্কি কংগ্রেসে আসবেন এমন খবর নিশ্চিত না করে বলেছেন, আমি জানি না যে এটি ঘটবে। তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলে পেলোসি বলেন, না। যতক্ষণ না আমরা জানতে পারছি তিনি আসতে পারবেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক হামলা শুরুর ১০ মাস পর ইউক্রেনীয় নেতার ওয়াশিংটন সফর হবে একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত। জেলেনস্কি রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনীয় প্রতিরোধের আন্তর্জাতিক প্রতিমূর্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি বছরের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছেন পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে সমর্থন চেয়ে। আরও পড়ুন: ইউক্রেনে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করছে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রথম থেকেই জেলেনস্কি অস্ত্র এবং তহবিলের জন্য বিভিন্ন রাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলন ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে দৃষ্টি আকর্ষণ করে চলেছেন। রাশিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য আন্তর্জাতিক আদালতের দারস্থ হয়েছেন। যুদ্ধের প্রথম থেকেই তিনি দেশের অভ্যন্তরে থেকেছেন। এতে নাগরিকদের প্রতি তার দায়িত্ব ও দেশের বাইরে তিনি যে অনিশ্চিত নিরাপত্তা পরিস্থিতির মুখোমুখি হবেন উভয়েই প্রতিফলিত হয়েছে। যুদ্ধের শুরুতে, জেলেনস্কি রাজধানী কিয়েভে বাঙ্কারে পড়ে থাকতেন। প্রায়ই অজ্ঞাত স্থান থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতেন। অতি সম্প্রতি তিনি যুদ্ধের কয়েকটি সম্মুখ আঞ্চল পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার তিনি পূর্ব ইউক্রেনের দোনেৎস্ক অঞ্চলের ফ্রন্টলাইন শহর বাখমুত পরিদর্শন করেন। ইউক্রেন ও রুশ বাহিনী কয়েক মাস ধরে সেখানে নৃশংস যুদ্ধে লিপ্ত। জেলেনস্কি সেখানে সম্মুখ সারির সেনাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তাদের পুরস্কার প্রদান করেন। এ সময় তিনি ইউক্রেনীয় সেনাদের ‘সাহস, সহনশীলতা এবং শক্তির’ জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট কার্যালয় একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, জেলেনস্কি সেনাদের পোশাক পরে ইউক্রেনীয় সেনাদের পদক পরিয়ে দিচ্ছেন এবং পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধরত সেনাদের প্রশংসা করছেন। বাখমুতে নিজের একটি ছবি প্রকাশ করে টেলিগ্রামে জেলেনস্কি লিখেছেন, বাখমুত দুর্গ। আমাদের জনগণ। শত্রুরা দখল করতে পারেনি। সেনাদের সাহসিকতা প্রমাণ করেছে আমরা হারব না এবং আমাদের কিছুর অধিকার ছাড়ব না। আরও পড়ুন: প্যাট্রিয়টের পাল্টা হিসেবেই কি ‘ইয়ার্স’ মোতায়েন রাশিয়ার? কংগ্রেসের একজন সদস্য জানান, ছুটির অবকাশের আগে চেম্বার খালি হয়ে যাবে এ আশঙ্কায় স্পিকার পেলোসি সদস্যদের বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) ক্যাপিটলে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এ ছাড়া ‘গণতন্ত্রের উপর বিশেষ ফোকাস করার জন্য’ সদস্যদের উপস্থিত থাকার জন্য বলেছেন পেলোসি বলে জানান এই কংগ্রেস সদস্য। বিভিন্ন সূত্র অনুসারে জানা যায়, জেলেনস্কি ২৮ ডিসেম্বর কংগ্রেসে ভাষণ দেবেন। তবে সূত্রগুলো সতর্ক করছে, নিরাপত্তার কারণে এটি এখনও চূড়ান্ত নাও হতে পারে। ইউক্রেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে উন্নত দূরপাল্লার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পাঠানোর আহ্বান জানিয়ে আসছে, যা ব্যালিস্টিক এবং ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে অত্যন্ত কার্যকর। কেননা ইউক্রেনে হামলার জন্য রাশিয়া যেসব ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করছে তা আটকাটে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এটি হবে দেশটিতে পাঠানো সবচেয়ে কার্যকর দূরপাল্লার প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। কর্মকর্তারা বলেছেন, এটি পূর্ব ইউরোপে ন্যাটো দেশগুলোর জন্য নিরাপদ আকাশপথ সুরক্ষা নিশ্চিত করবে। কতগুলো ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার পাঠানো হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। জানা গেছে, একটি সাধারণ প্যাট্রিয়ট ব্যাটারিতে একটি রাডার সেট যুক্ত রয়েছে। এটি লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত এবং ট্র্যাক করতে সক্ষম। এ ছাড়া কম্পিউটার, পাওয়ার জেনারেটিং সরঞ্জাম, একটি এনগেজমেন্ট কন্ট্রোল স্টেশন সংযুক্ত রয়েছে। একটি ব্যাটারিতে আটটি পর্যন্ত লঞ্চার থাকবে, যার প্রতিটি চারটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে সক্ষম। ইউক্রেন কয়েক মাস ধরেই এই সিস্টেমগুলো পাঠানোর জন্য তোড়জোড় করছিল। কিন্তু এটি সরবরাহ এবং পরিচালনা করার লজিস্টিক চ্যালেঞ্জগুলো অপরিসীম। এসব বাধা সত্ত্বেও, ইউক্রেনে যা ঘটছে তার বাস্তবতা মার্কিন প্রশাসনকে এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করে বলে জানান কর্মকর্তারা। আরও পড়ুন: ইউক্রেনের সেনাদের সামরিক প্রশিক্ষণের সময়সীমা বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র ছোট এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের বিপরীতে, প্যাট্রিয়ট মিসাইল ব্যাটারির জন্য অনেক বড় আকারে ক্রু প্রয়োজন। সেগুলো সঠিকভাবে পরিচালনা করার জন্য কয়েক ডজন কর্মী প্রয়োজন। প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাটারির প্রশিক্ষণের জন্য সাধারণত একাধিক মাস সময় প্রয়োজন। যা ইউক্রেনীয়দের হাতে নেয়, কেননা সেখানে এখন প্রতিদিনই ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলা হচ্ছে। এর আগে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করার উপায় হিসেবে পোল্যান্ডের মতো ন্যাটো মিত্রদের কাছে প্যাট্রিয়ট ব্যাটারি পাঠিয়েছে এবং রাশিয়ার আক্রমণের বিরুদ্ধে সহায়তা করার জন্য ইউক্রেনে অন্যান্য অস্ত্র ব্যবস্থা পাঠিয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের হুমকি মোকাবেলায় এবং উত্তর কোরিয়াকে আটকাতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সৌদি আরব এবং ইরাকে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পাঠিয়েছে। এ ছাড়া জার্মানি, জাপান এবং ইসরাইলসহ একাধিক মার্কিন মিত্র এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কিনেছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply