Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » স্পেনকে বিদায় করে শেষ আটে মরক্কো




শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত রুদ্ধশ্বাস ফুটবল। একবার স্পেন আক্রমণ করছে, তো পরক্ষণেই মরক্কো। কিন্তু কোনো দলই গোল করতে পারলো না। নির্ধারিত ৯০ মিনিট কেন, ১২০ মিনিট শেষেও তাই ম্যাচের ফল থাকলো গোলশূন্যই। শেষ পর্যন্ত পেনাল্টি শুটআউট বা টাইব্রেকারই গড়ে দিলো ম্যাচের ভাগ্য। যেখানে চরম দুর্ভাগ্যের শিকার হয়ে হেরে বিদায় নিলো ফেভারিট স্পেন। আর স্প্যানিশদের বিদায় করে স্বপ্নের বিশ্বকাপের শেষ আটে পৌঁছে গেল আছরাফ হাকিমির দল। চার শুটআউটে ৩-০ ব্যবধানে হার মানল লুইস এনরিকের শিষ্যরা। যার তিনটাই সেভ করে নায়ক হলেন মরক্কোর গোলকিপার বোনো। এর আগে প্রথমার্ধের শুরু থেকেই তেমন একটা আক্রমণে যায়নি স্পেন। তাদের ফুটবলাররা বল নিজেদের পায়ে বেশিক্ষণ রাখার দিকেই নজর দেন। মরক্কো নির্ভর করেছিল পাল্টা আক্রমণসুলভ ফুটবল খেলার ওপর। স্পেনের বেশিরভাগ ফুটবলারই লক্ষ্য রাখছিলেন বিপক্ষের ভুলের দিকে। ফাঁকা জায়গা পেলেই আক্রমণ করবেন, এমনটাই লক্ষ্য ছিল লুইস এনরিকের দলের ছেলেদের। কিন্তু মরক্কো বিপক্ষের পরিকল্পনা বুঝে ফেলেছিল। তারা একটুও ফাঁকা জায়গা দেয়নি। বক্সের বাইরে স্পেনের ফুটবলাররা পৌঁছে গেলেই ঘিরে ফেলছিল মরক্কো। আক্রমণের সময় উইং দিয়ে দৌড়ে স্পেনকে নাজেহাল করে দেন সোফিয়ান বৌফাল। দুর্দান্ত ড্রিবলিং করে বিপক্ষের ঘুম উড়িয়ে দেন তিনি। স্পেনের পায়ে বল থাকলেও আক্রমণে মরক্কোকে অনেক বেশি সপ্রতিভ দেখা গেছে। ম্যাচের প্রথমভাগ ছিলো তাদেরই। আছরাফ হাকিমির ফ্রি-কিক বারের উপর দিয়ে উড়ে যায়। নৌসের মাজরাউইয়ের শট বাঁচিয়ে দেন স্পেনের গোলকিপার উনাই সিমন। তার পরেই সুযোগ আসে নায়েফ আগুয়ের্দের কাছে। বৌফালের কাছ থেকে ভালো বল পেলেও তার শট পোস্টের বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। প্রথমার্ধে স্পেনের গোলের সুযোগ এসেছিল মার্কো আসেনসিয়োর কাছে। মরক্কোর ডিফেন্সকে অতিক্রম করে বক্সে ঢুকে পড়লেও শট যায় বাইরে। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণের ঝাঁজ বাড়িয়ে দেয়। কেন গ্রুপের শীর্ষ স্থানাধিকারী দল হয়ে নকআউটে উঠেছে মরক্কো, সেটা তারা বুঝিয়ে দেয় প্রতি মুহূর্তেই। ৫৪ মিনিটের মাথায় ফ্রি-কিক পায় স্পেন। আসেনসিয়োর ফ্রি-কিক থেকে বল পান দানি ওলমো। তার কোনাকুনি শট বাঁচিয়ে দেন মরক্কোর গোলকিপার বোনো। আক্রমণ বাড়ানোর লক্ষ্যে আলভারো মোরাতাকে ৬৭ মিনিটে নামিয়ে দেন এনরিকে। তবে মোরাতা বিপক্ষের গোলের কাছেই পৌঁছতে পারছিলেন না। প্রথম সুযোগ পান ৮২ মিনিটের মাথায়। নিকো উইলিয়ামসের থেকে বল পেয়ে নিজে না মেরে বল পাঠিয়েছিলেন বক্সে। সেটি পায়ে ঠেকানোর জন্যে কেউ ছিলেন না। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ গোলশূন্য থাকায় গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। আক্রমণে আনসু ফাতিকে নামিয়ে দেন এনরিকে। তবে অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে গোলের সেরা সুযোগ এসেছিল মরক্কোর কাছেই। ওউনাহি বল বাড়িয়েছিলেন চেদিরাকে। গোলকিপারকে একা পেয়েও সোজাসুজি তার দিকেই শট মারেন ওউনাহি। দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দলের গোলের সুযোগ খুঁজতে থাকে। এবার সবচেয়ে ভাল সুযোগ এসেছিল স্পেনের কাছে। বাঁদিক থেকে বল ভাসিয়েছিলেন স্পেনের ফুটবলার। ডান দিক দিয়ে ছুটতে ছুটতে আসছিলেন সারাবিয়া। চলতি বলে শটও নিয়েছিলেন। কিন্তু বল পোস্টে লেগে বেরিয়ে যায়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply