Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ‘রক্তদানে বিত্ত-বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা’-সিনিয়র সচিব




‘রক্তদানে বিত্ত-বৈভব নয় প্রয়োজন সেবার মানসিকতা’ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের

মো. আমিনুল ইসলাম খান বলেছেন, দেশে প্রয়োজনীয় রক্তের চাহিদা মেটাতে মানসিক অচলায়তন ভাঙতে হবে। বিত্ত-বৈভব নয়, রক্তদানের জন্যে প্রয়োজন সেবার মানসিকতা। এমন ভালো কাজে গঠনমূলক প্রচেষ্টা এ চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখতে পারে। মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি ২০২২) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স (আইডিইবি) মিলনায়তনে কোয়ান্টাম আয়োজিত স্বেচ্ছা রক্তদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। সচিব বলেন, “রক্তদানের মাধ্যমে তৃপ্তির আলোয় অন্যের জীবনকে আলোকিত করেন স্বেচ্ছা রক্তাদাতারা। একজন মুমূর্ষু মানুষকে নতুন করে জীবনের স্বাদ দেয়ার মাধ্যমে তারা আসলে দেয়ার আনন্দটা লাভ করছেন। তারা সাহসী, তারা উদার।” অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ৩ বার রক্ত দানকারী ৩৩৪ জন লাইফ লং, ১০ বারের ৬১ জন সিলভার, ২৫ বারের ১৪ জন গোল্ডেন এবং ৫০ বারের প্লাটিনাম ক্লাবের একজনসহ মোট ৪১০ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা প্রদানের মাধ্যমে সম্মাননা দেয়া হয়। কোয়ান্টাম স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের প্রধান সমন্বয়ক মাদাম নাহার আল বোখারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রম, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোটিভেশন এম রেজাউল হাসান। এসময় স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের পক্ষে অনুভূতি বর্ণনা করেন দেশের পক্ষে দুইবারের স্বর্ণপদক জয়ী শ্যুটার আসিফ হোসেন খান ও রক্তদাতা খাদিজা আক্তার ফালগুনী। নিয়মিত রক্তগ্রহীতাদের মধ্য থেকে অনুভূতির কথা জানান থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ফারহান তানভীর। স্বেচ্ছা রক্তাদাতার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি রক্তের চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে নতুন স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের এগিয়ে আসার মানবিক আহ্বান জানান আলোচকরা। পরে রক্তদাতাদের হাতে আইডি কার্ড, সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট ও মেডেল তুলে দেন অতিথিরা। প্রসঙ্গত, স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের উদ্বুদ্ধ করতেই নিয়মিত এমন মূল্যায়নের আয়োজন করে যাচ্ছে কোয়ান্টাম। ২০০০ সাল থেকে ২০২২ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ লাখ ডোনার সাড়ে ১৪ লাখেরও বেশি রক্ত ও রক্ত উপাদান সরবরাহ করেছে কোয়ান্টাম। আমাদের দেশে প্রতিবছর ৮ থেকে ১০ লাখ ইউনিট রক্তের চাহিদা রয়েছে। কোয়ান্টাম এ চাহিদার আট ভাগের এক পূরণ করতে পারছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply