Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » শানাকার শতকের পরও বড় হার লঙ্কার




সন্ধ্যায় শিশির পড়বে বলে টস জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় শ্রীলঙ্কা। কিন্তু সেটা কাজে এলো না। বলা ভালো যে, কাজে আসতে দিলেন না ভারতীয় ব্যাটাররা। প্রথমে রোহিত শর্মা ও শুভমন গিল এবং পরে বিরাট কোহলি। প্রথম দুই ব্যাটার শতক ফসকালেও কোহলি নিজের ৭৩তম শতরান আদায় করলেন গোহাটিতে। ব্যাটারদের দাপটে ভারত তুলল ৩৭৩ রান। রান তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা একাই লড়াই করলেন। দুর্দান্ত এক শতক হাঁকালেন। তার পরেও দলকে জেতাতে পারলেন না। প্রথম এক দিনের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে রানের বড় জয় পেল ভারত। খেলার শুরুটাই বুঝিয়ে দিয়েছিল যে, শেষটা কী হতে চলেছে। প্রথম ওভার থেকেই শ্রীলঙ্কার বোলারদের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত ও শুভমন। শ্রীলঙ্কার বোলারদের থিতু হওয়ার সময় দিলেন না তারা। ভারতকে সাহায্য করল গোহাটির মাঠের আউট ফিল্ড। তীরের বেগে বল গেল। পাওয়ার প্লে-তে ফিল্ডারদের ৩০ গজের ভিতরে থাকার সুযোগ কাজে লাগালেন রোহিত। সেই পরিচিত পুল বার বার চোখে পড়ল। অন্যদিকে শুভমন খেলছিলেন মাটি ঘেঁষা শট। কভার অঞ্চল দিয়ে একের পর এক চার মারলেন তিনি। দুই ব্যাটারই অর্ধশতরান পূরণ করেন। দেখে মনে হচ্ছিল, শতরান করবেন দুই ওপেনার। কিন্তু দাসুন শানাকার বলে ৭০ রান করে এলবিডব্লিউ হলেন শুভমন। ১৪৩ রানে পড়ল ভারতের প্রথম উইকেট। শতরান হলো না রোহিতেরও। ৮৩ রান করে দাসুন মদুশঙ্কার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। রোহিত না পারলেও পারলেন বিরাট। বাংলাদেশে যে ছন্দে ছিলেন, সেই ছন্দেই দেখা গেল ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ককে। প্রথম থেকে ধীরে ধীরে রান করছিলেন। এক বার হাত জমে যাওয়ার পরে বড় শট খেলা শুরু করলেন। সেই সঙ্গে উইকেটের মধ্যে তার দৌড়ে রান তো ছিলই। শ্রীলঙ্কার বোলারদের একবারই সুযোগ দিয়েছিলেন কোহলি। ৫২ রানের মাথায় উইকেটরক্ষকের গ্লাভসে ক্যাচ দেন কোহলি। কিন্তু কুশল মেন্ডিস সেই ক্যাচ ছাড়েন। তার পরে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ৮০ বলে শতরান করলেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের ৭২তম শতরান করলেন তিনি। এক দিনের ক্রিকেটে ৪৫তম শতরান হলো তার। ভারতের মিডল অর্ডারে শ্রেয়াস আইয়ার ও লোকেশ রাহুলও শুরুটা ভালো করেছিলেন। কিন্তু অর্ধশতরান করতে পারলেন না তারা। শ্রেয়াস ২৮ ও রাহুল ৩৯ রান করলেন। এক মাত্র রান পেলেন না হার্দিক পান্ডিয়া। ১৪ রান করে সাজঘরে ফিরলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৭৩ রান করল ভারত। ৮৭ বলে ১১৩ রান করে আউট হন কোহলি। ওই রান তাড়া করতে গেলে শ্রীলঙ্কার শুরুটা যে রকম হওয়া প্রয়োজন ছিল সেটা হলো না। কারণ, ভারতীয় পেসারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে হাত খুলে খেলতে পারলেন না লঙ্কান ব্যাটাররা। টপ পর্ডারে পাথুম নিশাঙ্কা ছাড়া বাকিরা ব্যর্থ। মিডল অর্ডারে ধনঞ্জয়া ডি সিলভার সঙ্গে মিলে দ্রুত রান তুলছিলেন নিশাঙ্কা। কিন্তু তারা দুজন আউট হওয়ায় বড় ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। নিশাঙ্কা করেন ৭২ রান। ডি সিলভা ৪৭ রান করে আউট হন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো বল করেন মোহাম্মদ সিরাজ ও উমরান মালিক। পাওয়ার প্লে-তে জোড়া উইকেট নিয়ে শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার ভাঙেন সিরাজ। পরের দিকে এক্সপ্রেস গতিতে শ্রীলঙ্কার ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করেন উমরান। ৩ উইকেট নেন তিনি। তবে শেষ দিকে ব্যাটে ঝড় তুলে শতরান করেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক শানাকা। ভারতীয় বোলারদের বিপক্ষে সাবলীল ব্যাট করেন তিনি। টি-টোয়েন্টির ছন্দে এক দিনের ম্যাচেও রান করলেন শানাকা। একের পর এক বড় শট খেললেন। শেষ ওভারে নিজের শতরান করলেন। যদিও তাতে বিশেষ কোনো লাভ হয়নি। কারণ বাকিরা অধিনায়ককে সঙ্গ দিতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ৩০৬ রানে শেষ হয় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। ৬৭ রানে ম্যাচ জিতে এক দিনের সিরিজ শুরু করলেন রোহিতরা। বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হবে দুদল।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply