Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী সহ মেহেরপুরের ৪ জনকে শোকজ করেছে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি।




ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনা ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মেহেরপুর-১ আসনের

আবদুল মান্নান সহ ৪ জনকে শোকজ করেছে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি। বৃহস্পতিবার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানা ও নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে মেহেরপুর -১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মান্নান, এডভোকেট মিয়াজান আলী, আব্দুস ছামাদ বাবলু বিশ্বাস ও সহিদুল ইসলাম পেরেশান কে শোকজ করেছে মেহেরপুর-১ সংসদীয় আসনের নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি। নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান এবং যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ -২য় আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন এর অফিস সূত্রে জানা গেছে, মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ বাবলু বিশ্বাসের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মান্নান, তার নির্বাচনী সহযোগী অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী এবং মেহেরপুর জেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশানকে পৃথক পৃথক শোকজ করা হয়েছে। একই সাথে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হুমকি প্রদানের ভিডিও দেখে আব্দুস সামাদ বাবলু বিশ্বাসকে স্বপ্রণোদিত শোকজ করেছে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি। নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যানের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাবলু বিশ্বাসের ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে তিনি বলছেন, চারটি সেন্টারে ট্রাকের এজেন্ট আমি দেখতে চাই না, অর্থ ও অস্ত্রে আমি কারোর থেকে কমা না। এছাড়াও কারো তিন বিঘা জমি কেড়ে নেয়ার কথা বলে তিনি হুমকি ও ভীতি প্রদর্শন করেছেন। ভিডিওটি দেখে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি স্বপ্রনোদিত হয়ে তাকে শোকক করেছে। আগামী শনিবার ৬ জানুয়ারি সশরীরে অথবা প্রতিনিধির মাধ্যমে শোকজের উত্তর দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অপরদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ বাবলু বিশ্বাসের তিনটি লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিনজনকে শোকজ করা হয়েছে। অভিযোগে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল মান্নান সম্পর্কে বলা হয়েছে ২ জানুয়ারি পিরোজপুর ইউনিয়নের কাঁঠালপোতায় এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি বলেছেন, 'দুর্গা ডোবার আগে এসে হাত মেলাও।' এ কথাটি বলে তিনি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এনেছেন। অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী সম্পর্কে অভিযোগে বলা হয়েছে, একই দিনে নির্বাচনী জনসভায় কাঁঠালপোতায় তিনি বলেছেন ভোটের পরের দিন সবকিছু দখল করে নেওয়া হবে এবং চাবি কেড়ে নেওয়া হবে। আর জেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক শহিদুল ইসলাম পেরেশানের বিরুদ্ধে অভিযোগে বাবলু বিশ্বাস বলেছেন, শহিদুল ইসলাম পেরেশান ২ জানুয়ারী কাঁঠালপোতার জনসভায় হোসেনকে ক্যাসিনো ও টেন্ডারের নিয়ন্ত্রক, হাজার কোটি টাকা পাচারকারী এবং জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মিনী সৈয়দা মোনালিসা ইসলামকে মেহেরপুরের ক্যাসিনো রানী বলেছেন। আবদুল মান্নান, এডভোকেট মিয়াজান আলী এবং শহিদুল ইসলাম পেরেশনকে আগামী ৬ জানুয়ারি শনিবার দুপুর সাড়ে বারোটার সময় নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে স্বশরিরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে শোকজের উত্তর দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply