Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে কেন নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগ করল যুক্তরাষ্ট্র?




যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যে নাইট্রোজেন গ্যাস দিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে সাজাপ্রাপ্ত এক আসামির। প্রথমবারের মতো বিতর্কিত এই পদ্ধতি ব্যবহার করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো দেশটিতে। এরআগে ২০২২ সালে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দিয়ে প্রথম দফায় কেনেথ স্মিথের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হয়েছিল। ছবি: সংগৃহীত শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে নাইট্রোজেন গ্যাসের সাহায্যে শ্বাস রোধ করে কেনেথ ইউজিন স্মিথ নামে ওই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। আলাবামার গভর্নর কে আইভি জানিয়েছেন, নাইট্রোজেন গ্যাসের সাহায্যে শ্বাস রোধ করে মৃত্যুদণ্ড মারণ ইনজেকশনের একটি সহজ বিকল্পের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অঙ্গরাজ্য সরকারের দাবি, এটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সবচেয়ে কম বেদনাদায়ক ও মানবিক পদ্ধতি হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত। মূলত মারণ ইনজেকশন ব্যবহারের বদলে মৃত্যুদণ্ডের পদ্ধতি আরও সহজ করতেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরআগে ২০২২ সালে প্রাণঘাতী ইনজেকশন দিয়ে প্রথম দফায় কেনেথ স্মিথের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু এই পদ্ধতিতে দুটি ইনজেকশন পুশ করতে হয়। তখন স্মিথের দণ্ড কার্যকরের সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয়। আরও পড়ুন: নাইট্রোজেন গ্যাসে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, ভয়ংকর রাতের সাক্ষী যুক্তরাষ্ট্র ২০২৩ সালের মে মাসেও দ্বিতীয় দফায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রচেষ্টা চালানোর এ সিদ্ধান্তকে আদালতে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন স্মিথ। এরপর অঙ্গরাজ্যটির গভর্নর কে আইভি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রক্রিয়া নতুন করে পর্যালোচনা করার ঘোষণা দেন এবং এর কয়েক মাস পর নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগ করে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। যদিও এটি একটি বিতর্কিত পদ্ধতি। যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারে মতো এই পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলো। আলবামা অঙ্গরাজ্যের দাবি, দোষী সাব্যস্ত অপরাধীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার এটি সবচেয়ে সহজ ও মানবিক পদ্ধতি। এই মৃত্যুদণ্ডকে ‘নিষ্ঠুর’ এবং ‘অস্বাভাবিক’ শাস্তি আখ্যায়িত করে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে এবং নিম্ন আপিল আদালতে আবেদন করেছিলেন কেনেথের আইনজীবীরা। এতে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু আদালত তা প্রত্যাখ্যান করে কেনেথ স্মিথকে নাইট্রোজেন গ্যাস প্রয়োগ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সিদ্ধান্ত জানান। ১৯৮৮ সালে এলিজাবেথ সেনেট নামের এক নারীকে খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হন ৫৮ বছর বয়সী কেনেথ স্মিথ। আরও পড়ুন: ভয়ংকর যে পদ্ধতিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করছে যুক্তরাষ্ট্র অক্সিজেন ছাড়া নাইট্রোজেন গ্যাস নিঃশ্বাসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে কোষগুলো ভেঙে যায় এবং মানুষকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায়। বিশেষভাবে তৈরি একটি মাস্ক পরানো হয় আসামীকে। এ মাস্কের ভেতর দিয়ে অক্সিজেন চলাচলের কোনো সুযোগ নেই। মাস্কটি নাইট্রোজেনভর্তি একটি সিলিন্ডারের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এদিকে আলাবামা সরকারের নেয়া এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ও স্মিথের আইনজীবী। কিন্তু আলাবামা সরকার নিজেদের সিদ্ধান্তে অটল থাকে। মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবীর দাবি, পদ্ধতিটি ঝুঁকিপূর্ণ, পরীক্ষামূলক এবং এটি একটি নির্যাতনমূলক মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা পদ্ধতি। এমনো হতে পারে, এই পদ্ধতিতে ব্যক্তির মৃত্যু না হয়ে, সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply