Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন ইসরাইলের অস্ত্র দিয়েই ইসরাইলকে ঘায়েল করছে হামাস!




নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন ইসরাইলের অস্ত্র দিয়েই ইসরাইলকে ঘায়েল করছে হামাস! ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ চলছে প্রায় চার মাস ধরে। এ যুদ্ধে বিশ্বের অন্যতম সামরিক পরাশক্তি ইসরাইলের বিরুদ্ধে বেশ ভালোভাবেই প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। কিন্তু ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে হামাস এতো অস্ত্র কোথা থেকে পাচ্ছে, সেই প্রশ্ন ছিল শুরু থেকেই। এবার এ নিয়ে পাওয়া গেল এক বিস্ফোরক তথ্য। গাজায় ইসরাইলের ফেলা অবিস্ফোরিত হাজার হাজার গোলা-বারুদ দিয়ে নিজেদের জন্য রকেট ও ট্যাংক-বিধ্বংসী অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা তৈরি হয়েছে হামাসের। ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামলা ও এরপর গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হামাস যেসব অস্ত্র ব্যবহার করেছে, তার বড় অংশ এসেছে ‘অস্বাভাবিক’ একটি উৎস থেকে। ইসরাইলের সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, সেই উৎস হলো খোদ ইসরাইলের সামরিক বাহিনী। ইসরাইল ও পশ্চিমা দেশগুলোর গোয়েন্দাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গাজায় ইসরাইলের ফেলা অবিস্ফোরিত হাজার হাজার গোলা-বারুদ দিয়ে নিজেদের জন্য রকেট ও ট্যাংক-বিধ্বংসী অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা তৈরি হয়েছে হামাসের। এছাড়া গত ৭ অক্টোবর হামলার সময় ইসরাইলের সামরিক ঘাঁটি থেকে লুট করা অস্ত্রও যোদ্ধাদের হাতে তুলে দিচ্ছে হামাস। গত কয়েক মাসের লড়াইয়ের সময়ে সংগৃহীত গোয়েন্দা তথ্যে উঠে এসেছে, হামাসের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ৭ অক্টোবরের আগে যেভাবে ‘ভুল মূল্যায়ন’ করা হয়েছে, ঠিক তেমনি তাদের সামরিক সক্ষমতার বিষয়টিকেও ‘ছোট করে’ দেখেছে ইসরাইল। আরও পড়ুন: সাগর-মহাসাগরে যুদ্ধের ঝড়, দায়ী কে? এখন এটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, বিগত ১৭ বছরের গাজা অবরোধকালে সেখানে ইসরাইলের সশস্ত্র বাহিনী যেসব অস্ত্র ব্যবহার করেছে, এখন সেগুলোই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিস্ফোরক ইসরাইলে রকেট ছোড়া এবং প্রথমবারের মতো গাজা থেকে ইসরাইলের ভেতরে ঢুকে হামলা চালানোর সক্ষমতা তৈরি করে দিয়েছে হামাসকে। গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের হামলার পর বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সেদিন হামাস যোদ্ধারা ইসরাইলে ঢোকার কয়েক ঘণ্টা পর রেইম সামরিক ঘাঁটির বাইরে সশস্ত্র এক হামাস যোদ্ধার মরদেহ দেখতে পান ইসরাইলি সেনারা। তার শরীরে একটি গ্রেনেড বাঁধা ছিল। ইসরাইলি সেনাদের একজন বলেন, ‘গ্রেনেডে হিব্রু ভাষায় লেখাগুলো স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।’ তিনি চিনতে পারেন, সেটি ইসরাইলের তৈরি নতুন মডেলের বুলেটপ্রুফ গ্রেনেড। আরও পড়ুন: ইরাক ও পাকিস্তানে ইরানের হামলা, কী হবে পরিণতি ঘটনার দিন ইসরাইলে প্রায় পাঁচ হাজার রকেট ছুঁড়েছিল হামাস। ওই সামরিক ঘাঁটির কয়েক মাইল দূর থেকে একটি রকেট উদ্ধার করে ইসরাইলের একটি ফরেনসিক দল। ইসরাইলের এক গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, ফরেনসিক দল পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে দেখে, রকেটে যে বিস্ফোরক ছিল, সে ধরনের বিস্ফোরকের ব্যবহার শুধু সামরিক বাহিনীতেই দেখা যায়। যেটি খুব সম্ভবত এর আগের গাজা যুদ্ধে ছোড়া অবিস্ফোরিত ইসরাইলি ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরক দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ইসরাইলি পুলিশের বোমা নিষ্ক্রীয়করণ বিভাগের সাবেক উপপ্রধান মিখাইল কারদাশ বলেছেন, হামাসের হাতে থাকা বিস্ফোরকের প্রধান উৎস হলো অবিস্ফোরিত সমরাস্ত্র। তারা ইসরাইলের ছোড়া বোমা ও কামানের গোলা কাটছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব তারা বিস্ফোরক ও রকেট তৈরির ক্ষেত্রে কাজে লাগাচ্ছে। জানা গেছে, গাজায় বহু বছর ধরে বিক্ষিপ্তভাবে বোমা হামলা ও সাম্প্রতিক বোমাবর্ষণের পর সেখানে হাজার হাজার টন অবিস্ফোরিত সমরাস্ত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, যেগুলো পুনরায় ব্যবহারযোগ্য। অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, অবিস্ফোরিত ৭৫০ পাউন্ডের একটি বোমা থেকে কয়েকশ’ ক্ষেপণাস্ত্র বা রকেট বানানো সম্ভব। আরও পড়ুন: ফিলিস্তিনি ত্রাণ সংস্থার জন্য অর্থায়ন বন্ধ করল যেসব দেশ বিস্ফোরক নিয়ে কাজ করে জাতিসংঘের সংস্থা ইউএন মাইন অ্যাকশন সার্ভিস। গাজায় সংস্থাটির প্রধান চার্লস বার্চ বলেন, যুদ্ধের পর গাজায় কামান, হাতবোমা ও অন্য হাজার হাজার অবিস্ফোরিত সমরাস্ত্র পড়ে থাকবে। এগুলো হবে হামাসকে উপহার দিয়ে যাওয়ার মতো একটি বিষয়। বিষয়টি সম্পর্কে জানতে হামাস নেতৃত্বের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছিল। তবে হামাস তাতে সাড়া দেয়নি। হামাসের অস্ত্রের বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু প্রশ্ন করা হলেও, সেসব প্রশ্নের জবাব দেয়নি ইসরাইলের সামরিক বাহিনীও






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply