Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » মেহেরপুরের নতুন দরবেশপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন




মেহেরপুর সদর উপজেলার নতুন দরবেশপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটি বিভক্ত ও বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, মানববন্ধন ও পত্রিকায় দোষারোপ করায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন মহাবুব উল আলম শান্তি। গতকাল বুধবার বেলা ২ টার দিকে নিজ গ্রামে গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে তিনি সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন- মেহেরপুর সদর উপজেলার নতুন দরবেশ পুর গ্রামের পুরাতন জামে মসজিদটি ১০০ বছর পূর্বে অবস্থিত হয়। মসজিদ কমিটি ও মহল্লা বাসীর সিদ্ধান্তে আধুনিক মডেল মসজিদ নির্মাণের প্রত্যয়ে পুরাতন মসজিদটি ভাঙ্গা হয়। মসজিদ ভাঙ্গার পরে নতুন দরবেশপুর ঈদগাহের জমিতে টিনের অস্থায়ী মসজিদ নির্মাণ করা হয় এবং সেখানে নিয়মিত নামাজ আদায় করা হয়। এরই মাঝে গত ৩০শে জুন ২০২০ ইং তারিখে মসজিদের ইমাম সাহেব শিব্বির আহমদ মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পরে প্রথম জুম্মার নামাজ পড়ান মাওলানা হারুন অর রশিদ। মসজিদ কমিটির সভাপতি খন্দকার এনামুল ইসলাম তাকে একজন ইমাম ঠিক করে দিতে বলেন। সে সময় খন্দকার সালেকিন মাওলানা খাইরুল বাসারের নাম প্রস্তাব করলে সর্বসম্মতিক্রমে কন্ঠ ভোট ও হাত উত্তোলনের মাধ্যমে তাকে সমর্থন দেন এবং মৌখিকভাবে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়। এখানে আমার বা আমাদের কোন ত্রুটি ছিল না।পরবর্তীতে তিন চার মাস বিনা বেতনে মাওলানা খাইরুল বাশার নামাজ পড়ান। এর মধ্যে আমি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা শিকার হয়ে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি থাকি। সেখান থেকে ফিরে বেড রেস্টে থাকি। পরবর্তীতে নোটিশ খাতার মাধ্যমে মসজিদ কমিটির স্থায়ীভাবে ইমাম নিয়োগের বিষয়ে মিটিং হবে জানতে পারি । শারিরীক অসুস্থতার কারণে আমি মিটিং এ উপস্থিত হতে পারিনি। পরে জানতে পারি মাওলানা খায়রুল বাশারকে স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়ে দুই চার জনের আপত্তি ছিল সেটাও জানতে পারি। পরবর্তীতে এ নিয়ে শুরু হয় ষড়যন্ত্র তৈরী হয় গ্রুপ। বিভক্ত হয়ে যায় মধ্যপাড়া ও খন্দকার পাড়া। ইমামের বাড়ী মধ্যপাড়ায় হওয়ায় খন্দকার পাড়ার কিছু লোক তাকে মেনে নিতে পারেনি।এ নিয়ে দুই পক্ষের সাথে প্রশাসন ৬ বার মীমাংসায় বসেন। সর্বশেষ মেহেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহি অফিসার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পিরোজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বারাদি ইউপি চেয়ারম্যান উভয়পক্ষকে নিয়ে মীমাংসা করেন। তিনি আরো বলেন অতীত থেকে আজ পর্যন্ত আমার বিপক্ষে পত্রপত্রিকায় লেখা হয়েছে এবং ফেসবুক ও মানববন্ধনে যেসব উক্তি করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ বানোয়াট মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পুরাতন মসজিদটি আমার বাড়ির সংলগ্ন সেখানে আমার দাদা মরহুম গোলাম কাদের বিশ্বাস অতীতের নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। অতীতেও আমি মসজিদে একসাথে থাকার মত প্রশ্ন করেছি। আমি পুরাতন মসজিদে থাকবো আমাদের মধ্যপাড়ার মসজিদ নির্মাণ হবে আমি এখানেও থাকবো। আমি উভয় মসজিদে থাকবো। আমার জীবনের বাকি দিনগুলি গ্রামে এবং পাড়ার সকল মানুষের সাথে একে অপরের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা সম্মান নিয়ে বসবাস ও চলাফেরা করতে পারি এই দোয়া করবেন। মানুষের পাশে থেকে সমাজের উন্নয়নমূলক সেবা করতে পারি আবারো সকলের কাছে সহমর্মিতা দোয়া কামনা করে বক্তব্য শেষ করছি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply