Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

সাম্প্রতিক খবর


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

mujib

w

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » পাকিস্তানে কি এবারও জোট সরকার হচ্ছে?




পাকিস্তানে জাতীয় নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ। শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সরকারি ফল প্রকাশ করা হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তানে এবারের নির্বাচনে কোনো একক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। ফলে সরকার গঠন করতে জোট গঠনের প্রয়োজন হতে পারে। নির্বাচনের ফলাফলের আলোকে জোট সরকার গঠন করা হতে পারে বলে পিএমএল-এনের নেতারা জানিয়েছেন। ছবি: সংগৃহীত পাকিস্তানের এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তবে বাধ্য হয়ে তার দল পিটিআইর প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে লড়েছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো নির্বাচনের আগেই জানিয়েছে, পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএল-এন) প্রধান নেতা নওয়াজ শরিফ চতুর্থবারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হবেন। ইমরান খানের পিটিআই পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল হলেও নওয়াজ শরিফের পিএমএল-এন ও বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) সরকার গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই মধ্যে পিএমএল-এন ও পিপিপির নীতি নির্ধারকেরা জোট সরকাররের বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা সেরেছেন বলে জানা গেছে। নির্বাচনে কোন দল কত আসনে জিততে পারে সে সম্পর্কে দুটি দলের নেতারা পর্যালোচনা করছেন। এছাড়া পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কত আসন জয়ী হয়ে আসতে পারে সে বিষয়গুেলো আলোচনার টেবিলে রয়েছে। আরও পড়ুন: পাকিস্তানে নির্বাচন: ভোটের আগেই ফলাফল ‘ফাঁস’ নির্বাচনের পর পাকিস্তানে সরকার গঠনে স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে অনেক মনে করছেন। পিএমএল-এন ও পিপিপি দুই দলই মনে করছে, সরকার গঠন করতে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া কঠিন হবে। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানিয়েছে, নির্বাচনের ফলাফলের আলোকে জোট সরকার গঠন করা হতে পারে বলে পিএমএল-এনের নেতারা জানিয়েছেন। দলটির একটি সূত্র জানিয়েছে, সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার বিষয়ে দলটির নেতারা নিশ্চিত নয়। দলটির অন্য একটি সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, প্রত্যাশার চেয়ে কম আসন পেলে জমিয়তে উলামা-ই-ইসলাম (জেইউআই), ইস্তেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টি (আইপিপি), মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম), সমমনা অন্যান্য দল এবং স্বতন্ত্রদের নিয়ে জোট সরকার গঠন করা হতে পারে। আরও পড়ুন: কারাগার থেকেই ভোট দিলেন ইমরান খান সূত্রটি জানায়, রাজনৈতিক পরিস্থিতির আলোকে সরকার গঠনের বিষয়ে পিপিপির সঙ্গেও আলোচনা করতে পারে পিএমএল-এন। নওয়াজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী পদে পিএমএল-এন-এর প্রার্থী। তবে উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতি বা অন্যান্য বিষয়ের আলোকে প্রধানমন্ত্রী পদে শাহবাজ শরিফের নামও বিবেচনা করা হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন নওয়াজ শরিফ। অন্যদিকে পিপিপি সূত্র জানিয়েছে, বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি তাদের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনার পর সরকার গঠনের কৌশল নির্ধারণ করা হবে। সূত্র মতে, পিপিপি-এর কো-চেয়ারম্যান ও বিলাওয়ালের বাবা আসিফ আলি জারদারি সরকার গঠন সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। অন্যদিকে দলের প্রধান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি সমমনা দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করবেন। স্বতন্ত্রভাবে জয়ী প্রার্থীদের দলে ভিড়ানোর চেষ্টা করবে পিপিপি। পাকিস্তানে নির্বাচনের পর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা যেকোনো দলে যোগ দেয়ার সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে শত বাধা, বিপত্তি ও হয়রানি সত্ত্বেও পিটিআই মনে করে, নির্বাচন জেতার সক্ষমতা রয়েছে তাদের। আরও পড়ুন: কেন ক্ষমতার মেয়াদ পূর্ণ করতে পারেন না পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীরা? সিনিয়র রাজনৈতিক বিশ্লেষক জিয়া আব্বাস বলেছেন, এবারের নির্বাচনে বেশিরভাগ আসন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে পিএমএল-এনের। সমমনা দল ও স্বতন্ত্রদের সহযোগিতায় তারা সরকার গঠন করতে পারে। তিনি আরও বলেন, সিন্ধু প্রদেশে সরকার গঠন করতে পারে পিপিপি। পিএমএল-এন ও আইপিপি পাঞ্জাবে সরকার গঠন করতে পারে। এছাড়া খাইবার-পাখতুনখোয়া (কে-পি) ও বেলুচিস্তানে জোট সরকার দেখা যেতে পারে। পিটিআইয়ের বিষয়ে আব্বাস বলেন, ‘বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পিটিআই খুব বেশি সংখ্যক আসন পাবে বলে মনে হয় না।’ আব্বাসের মতে, পাকিস্তানের নতুন সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার হবে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা। বিশেষ করে ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং রাজনীতিতে প্রভাবশালী সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তার সম্পর্ক বজায় রাখা






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply